ঢাকা , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা

ফোনের চুরি বন্ধ করতে চালু করুণ ‘থিফ ডিটেকশন লক’

প্রতিনিধির নাম :

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: শহরজুড়ে বেড়ে চলেছে মোবাইল ফোন চুরি। রাস্তা পার হতে গেলে, বাজারে দাঁড়িয়ে থাকলে কিংবা ট্রাফিক জ্যামে আটকে থাকলে কেউ হঠাৎ করে ফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে দৌড় দেয়। তাই অনেকেই ভয়ে জরুরি দরকার থাকলেও, বাইরে ফোন বের করার সাহস পায় না। একেতো ফোন চুরি, তারপর ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংক ডাটা, ছবি, মেসেজ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়। স্মার্টফোন নির্মাতারা চুরি রোধে বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে এসেছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো ‘থিফ ডিটেকশন লক’। এটি মূলত মোবাইলের মোশন সেন্সর ব্যবহার করে সম্ভাব্য চুরি শনাক্ত করে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফোনের স্ক্রিন লক করে দেয়। ধরুন, কেউ হঠাৎ আপনার ফোনটি নিয়ে দৌড় দিলো। তখন মোশন সেন্সর এটি শনাক্ত করে এবং ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক হয়ে যায়। ব্যবহারকারী যদি নিশ্চিত হন যে ফোনটি চুরি হয়নি, তখন স্বাভাবিকভাবে তারা পাসওয়ার্ড, পিন বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করে ফোনটি আনলক করতে পারেন। এটি একটি অত্যন্ত কার্যকরী ব্যবস্থা, যা পাবলিক জায়গায় চুরি হওয়ার সম্ভাবনা অনুযায়ী ডিজাইন করা হয়েছে। তবে এটি স্থির ওয়াইফাই বা ব্লুটুথ সংযুক্ত জায়গায়, যেমন ঘর বা অফিসে কার্যকর হয় না। অর্থাৎ এই ফিচারটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে, এটি মূলত তখনই সক্রিয় হয় যখন ফোনটি চুরি হতে পারে।

জেনে নিন কীভাবে থিফ ডিটেকশন লক চালু করবেন-

>> প্রথমে ফোনের সেটিংসে যান।

>> তারপর পাসওয়ার্ড এন্ড সিকিউরিটি নির্বাচন করুন।

>> এরপর প্রাইভেসি এ ক্লিক করুন।

>> এবার মোর সিকিউরিটি সেটিংসে যান।

>> সেখান থেকে থিফ ডিটেকশন লক অন করুন।

একবার এটি চালু করলে, ফোন কেড়ে কেউ দৌড় দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফোন লক হয়ে যাবে এবং ব্যবহারকারী দূর থেকে ফোনের অবস্থান ট্র্যাক করতে পারবেন। এটি যেমন মোবাইল চুরি রোধে সাহায্য করবে, তেমনি ব্যবহারকারীর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সুরক্ষিত রাখতেও সাহায্য করবে। তবে অধিক পুরোনো মডেলের কিংবা বাটন ফোনে এ ধরনের ফিচার অন করা সম্ভব নয়। মোবাইল ভেদে থিফ ডিটেকশন অপশনটি সেটিংসের একেক স্থানে থাকতে পারে। পাঁচ মিনিট সময় নিয়ে খুঁজে দেখলে সহজেই খুঁজে পাওয়া যাবে। তবে ব্যবহারকারীদের শুধু থিফ ডিটেকশন লক চালু করেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত না। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা, ফেস আইডি বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট লক অ্যাক্টিভ রাখা এবং সন্দেহজনক অ্যাপ ডাউনলোড এড়ানো। এগুলো সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা তৈরি করবে, যা আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা রাখতে সাহায্য করবে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
২৪ বার পঠিত হয়েছে

ফোনের চুরি বন্ধ করতে চালু করুণ ‘থিফ ডিটেকশন লক’

আপডেট এর সময় : ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: শহরজুড়ে বেড়ে চলেছে মোবাইল ফোন চুরি। রাস্তা পার হতে গেলে, বাজারে দাঁড়িয়ে থাকলে কিংবা ট্রাফিক জ্যামে আটকে থাকলে কেউ হঠাৎ করে ফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে দৌড় দেয়। তাই অনেকেই ভয়ে জরুরি দরকার থাকলেও, বাইরে ফোন বের করার সাহস পায় না। একেতো ফোন চুরি, তারপর ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংক ডাটা, ছবি, মেসেজ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়। স্মার্টফোন নির্মাতারা চুরি রোধে বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে এসেছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো ‘থিফ ডিটেকশন লক’। এটি মূলত মোবাইলের মোশন সেন্সর ব্যবহার করে সম্ভাব্য চুরি শনাক্ত করে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফোনের স্ক্রিন লক করে দেয়। ধরুন, কেউ হঠাৎ আপনার ফোনটি নিয়ে দৌড় দিলো। তখন মোশন সেন্সর এটি শনাক্ত করে এবং ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক হয়ে যায়। ব্যবহারকারী যদি নিশ্চিত হন যে ফোনটি চুরি হয়নি, তখন স্বাভাবিকভাবে তারা পাসওয়ার্ড, পিন বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করে ফোনটি আনলক করতে পারেন। এটি একটি অত্যন্ত কার্যকরী ব্যবস্থা, যা পাবলিক জায়গায় চুরি হওয়ার সম্ভাবনা অনুযায়ী ডিজাইন করা হয়েছে। তবে এটি স্থির ওয়াইফাই বা ব্লুটুথ সংযুক্ত জায়গায়, যেমন ঘর বা অফিসে কার্যকর হয় না। অর্থাৎ এই ফিচারটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে, এটি মূলত তখনই সক্রিয় হয় যখন ফোনটি চুরি হতে পারে।

জেনে নিন কীভাবে থিফ ডিটেকশন লক চালু করবেন-

>> প্রথমে ফোনের সেটিংসে যান।

>> তারপর পাসওয়ার্ড এন্ড সিকিউরিটি নির্বাচন করুন।

>> এরপর প্রাইভেসি এ ক্লিক করুন।

>> এবার মোর সিকিউরিটি সেটিংসে যান।

>> সেখান থেকে থিফ ডিটেকশন লক অন করুন।

একবার এটি চালু করলে, ফোন কেড়ে কেউ দৌড় দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফোন লক হয়ে যাবে এবং ব্যবহারকারী দূর থেকে ফোনের অবস্থান ট্র্যাক করতে পারবেন। এটি যেমন মোবাইল চুরি রোধে সাহায্য করবে, তেমনি ব্যবহারকারীর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সুরক্ষিত রাখতেও সাহায্য করবে। তবে অধিক পুরোনো মডেলের কিংবা বাটন ফোনে এ ধরনের ফিচার অন করা সম্ভব নয়। মোবাইল ভেদে থিফ ডিটেকশন অপশনটি সেটিংসের একেক স্থানে থাকতে পারে। পাঁচ মিনিট সময় নিয়ে খুঁজে দেখলে সহজেই খুঁজে পাওয়া যাবে। তবে ব্যবহারকারীদের শুধু থিফ ডিটেকশন লক চালু করেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত না। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা, ফেস আইডি বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট লক অ্যাক্টিভ রাখা এবং সন্দেহজনক অ্যাপ ডাউনলোড এড়ানো। এগুলো সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা তৈরি করবে, যা আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা রাখতে সাহায্য করবে।