ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের ‘সুপরিকল্পিত’ ধ্বংসযজ্ঞের নিন্দা লেবাননের Logo মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo স্পোর্টিং থেকে দিয়োমান্দেকে দলে ভিড়িয়েছে নটিংহ্যাম ফরেস্ট Logo কুষ্টিয়ায় ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ, আটক ১ Logo ভোরে সুদানের রাজধানীসহ উত্তরাঞ্চলের দুই শহরে ড্রোন হামলা Logo বাংলাদেশকে বৈশ্বিক হালাল হাব হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর Logo রাজনীতি নয়, মনেপ্রাণে ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কোকো : রিজভী Logo কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রূপান্তরের যুগে তরুণরাই সভ্যতার মূল শক্তি: তথ্যমন্ত্রী Logo টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বাংলাদেশ এইচপি দল ঘোষণা

এসির বিস্ফোরণ ঠেকাতে যা করবেন

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:    গরমে এসি ছাড়া এক মুহূর্ত চলে না। বাইরে থেকে ফিরে একটু স্বস্তি পেতে চাই এসির বাতাস। বাড়িতে, অফিসে—সব জায়গায় এসি ব্যবহার করছেন। তবে এসি ব্যবহারে সতর্ক থাকা ভীষণ জরুরি। সতর্ক না থাকলে, যে কোনো মুহূর্তে এসিতে আগুন লেগে যাওয়া কিংবা বিস্ফোরণ ঘটনার সম্ভাবনা থাকে।

এমন দুর্ঘটনার খবর নতুন নয়। পত্রিকার পাতায় তাকালেই অহরহ শোনা যায়। অনেক কারণেই এসি বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। তারের ইনসুলেশন ক্ষতিগ্রস্ত হলে কিংবা ঢিলা সংযোগ থাকলে স্পার্ক তৈরি হতে পারে। অতিরিক্ত লোডে বা মানহীন তার ব্যবহারে শর্টসার্কিটের ঝুঁকি বেড়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আবার কম্প্রেসরের সমস্যাও হতে পারে। গ্যাস লিকেজও হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

এসির দুর্ঘটনা এড়াতে যা করবেন—

প্রথমেই এসি ইনস্টলেশন সঠিকভাবে করুন। একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান ছাড়া এসি ইনস্টলেশন করবেন না। সেই সঙ্গে মানসম্মত যন্ত্রাংশ ব্যবহার করুন। ক্যাপাসিটার, তার, কম্প্রেসরসহ প্রতিটি যন্ত্রাংশ ব্র্যান্ডেড ও টেস্টেড কিনুন।

এরপর সঠিক ভোল্টেজ ব্যবহার করুন। ভোল্টেজ ওঠানামা ঠেকাতে ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার বা সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করুন। সেই সঙ্গে ফিল্টার, কয়েল ও পাইপ পরিষ্কার রাখুন।

গ্যাস লিকেজ চেক করুন। যদি অস্বাভাবিক গন্ধ বা শিসের মতো শব্দ শুনতে পান, তবে সঙ্গে সঙ্গে এসি বন্ধ করে দিন। দেরি না করে বিশেষজ্ঞ টেকনিশিয়ানকে ডাকুন। এ ছাড়া অতিরিক্ত তাপমাত্রা এড়িয়ে চলুন। গরমে অতিরিক্ত চাপ পড়লে কম্প্রেসর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

আর গ্রাউন্ডিং সঠিকভাবে হয়েছে কিনা, নিশ্চিত করুন। এ ছাড়া এসি টানা ঘণ্টার পর ঘণ্টা চালালে মাঝে মাঝে বিরতি দিন। এবং নিয়মিত সার্ভিসিং করুন। প্রতি ৬ মাস বা অন্তত বছরে একবার পেশাদার টেকনিশিয়ান দিয়ে এসি চেক করান।

এসি সবসময় ধুলা-ময়লামুক্ত রাখুন। কখনো ধুলা-ময়লা জমতে দেবেন না। ব্লক হলে কম্প্রেসরে চাপ পড়ে এবং ওভারহিট হয়ে আগুন ধরতে পারে।

এসি কখনো নিজে নিজে মেরামতের চেষ্টা করবেন না। এসির ভেতরে গ্যাস ও বৈদ্যুতিক সার্কিট থাকে, যা বিপজ্জনক। অজ্ঞতাবশত মেরামত করতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আর এসি বেশি লোড দেওয়া যাবে না। একই প্লাগে একসাথে ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন, এসি চালাবেন না। আলাদা এমসিবি (মিনিয়েচার সার্কিট ব্রেকার) ব্যবহার করুন।

এ ছাড়া গ্যাস লিক হলে এসি চালাবেন না। গ্যাস লিক থাকাবস্থায় এসি চালালে আগুন কিংবা বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। আর লোকাল কিংবা নকল যন্ত্রাংশ ব্যবহার করবেন না। সস্তা বা ভেজাল পার্টস ব্যবহার করলে বিস্ফোরণের ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
২৮ বার পঠিত হয়েছে

এসির বিস্ফোরণ ঠেকাতে যা করবেন

আপডেট এর সময় : ০৫:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:    গরমে এসি ছাড়া এক মুহূর্ত চলে না। বাইরে থেকে ফিরে একটু স্বস্তি পেতে চাই এসির বাতাস। বাড়িতে, অফিসে—সব জায়গায় এসি ব্যবহার করছেন। তবে এসি ব্যবহারে সতর্ক থাকা ভীষণ জরুরি। সতর্ক না থাকলে, যে কোনো মুহূর্তে এসিতে আগুন লেগে যাওয়া কিংবা বিস্ফোরণ ঘটনার সম্ভাবনা থাকে।

এমন দুর্ঘটনার খবর নতুন নয়। পত্রিকার পাতায় তাকালেই অহরহ শোনা যায়। অনেক কারণেই এসি বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। তারের ইনসুলেশন ক্ষতিগ্রস্ত হলে কিংবা ঢিলা সংযোগ থাকলে স্পার্ক তৈরি হতে পারে। অতিরিক্ত লোডে বা মানহীন তার ব্যবহারে শর্টসার্কিটের ঝুঁকি বেড়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আবার কম্প্রেসরের সমস্যাও হতে পারে। গ্যাস লিকেজও হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

এসির দুর্ঘটনা এড়াতে যা করবেন—

প্রথমেই এসি ইনস্টলেশন সঠিকভাবে করুন। একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান ছাড়া এসি ইনস্টলেশন করবেন না। সেই সঙ্গে মানসম্মত যন্ত্রাংশ ব্যবহার করুন। ক্যাপাসিটার, তার, কম্প্রেসরসহ প্রতিটি যন্ত্রাংশ ব্র্যান্ডেড ও টেস্টেড কিনুন।

এরপর সঠিক ভোল্টেজ ব্যবহার করুন। ভোল্টেজ ওঠানামা ঠেকাতে ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার বা সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করুন। সেই সঙ্গে ফিল্টার, কয়েল ও পাইপ পরিষ্কার রাখুন।

গ্যাস লিকেজ চেক করুন। যদি অস্বাভাবিক গন্ধ বা শিসের মতো শব্দ শুনতে পান, তবে সঙ্গে সঙ্গে এসি বন্ধ করে দিন। দেরি না করে বিশেষজ্ঞ টেকনিশিয়ানকে ডাকুন। এ ছাড়া অতিরিক্ত তাপমাত্রা এড়িয়ে চলুন। গরমে অতিরিক্ত চাপ পড়লে কম্প্রেসর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

আর গ্রাউন্ডিং সঠিকভাবে হয়েছে কিনা, নিশ্চিত করুন। এ ছাড়া এসি টানা ঘণ্টার পর ঘণ্টা চালালে মাঝে মাঝে বিরতি দিন। এবং নিয়মিত সার্ভিসিং করুন। প্রতি ৬ মাস বা অন্তত বছরে একবার পেশাদার টেকনিশিয়ান দিয়ে এসি চেক করান।

এসি সবসময় ধুলা-ময়লামুক্ত রাখুন। কখনো ধুলা-ময়লা জমতে দেবেন না। ব্লক হলে কম্প্রেসরে চাপ পড়ে এবং ওভারহিট হয়ে আগুন ধরতে পারে।

এসি কখনো নিজে নিজে মেরামতের চেষ্টা করবেন না। এসির ভেতরে গ্যাস ও বৈদ্যুতিক সার্কিট থাকে, যা বিপজ্জনক। অজ্ঞতাবশত মেরামত করতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আর এসি বেশি লোড দেওয়া যাবে না। একই প্লাগে একসাথে ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন, এসি চালাবেন না। আলাদা এমসিবি (মিনিয়েচার সার্কিট ব্রেকার) ব্যবহার করুন।

এ ছাড়া গ্যাস লিক হলে এসি চালাবেন না। গ্যাস লিক থাকাবস্থায় এসি চালালে আগুন কিংবা বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। আর লোকাল কিংবা নকল যন্ত্রাংশ ব্যবহার করবেন না। সস্তা বা ভেজাল পার্টস ব্যবহার করলে বিস্ফোরণের ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।