ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্বোধন হল ছয় জাতির আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল উৎসব Logo ইআইআর প্রকল্পের বহুমুখী সুফল সরকারের খাল খনন কর্মসূচির কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে Logo ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ শেষ হবে : যুক্তরাষ্ট্র Logo কাল সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী Logo কাল সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী Logo জেডআরএফ-এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করলেন ডা. জুবাইদা রহমান Logo শান্তিরক্ষায় ভবিষ্যতে মিশনগুলো হতে হবে আরও দূরদর্শী ও প্রযুক্তিনির্ভর : প্রধানমন্ত্রী Logo কুমিল্লায় গ্যাস সংকট নিরসনে বাখরাবাদ গ্যাসের এমডি’র সাথে বিএনপি নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় Logo উত্তর বাসাবো এলাকায় পাঠাগার স্থাপনের দাবি: মেধা বিকাশ ও মানবিক সমাজ গঠনের আহ্বান Logo বাণিজ্য সক্ষমতা, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা অব্যাহত রাখবে ডব্লিউটিও

রেকর্ড গড়ার পর সোনার দামে বড় পতন, কমেছে রূপার দামও

প্রতিনিধির নাম :

অর্থনীতি  ডেস্ক:    রেকর্ড উচ্চতায় ওঠার পর সোনার দামে হঠাৎ বড় পতন ঘটেছে। শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীনকে নিয়ে নতুন মন্তব্য ও ডলারের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে দাম কমে গেছে ২ শতাংশেরও বেশি। রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে (ইস্টার্ন টাইম ১টা ৩৮ মিনিটে) স্পট গোল্ডের দাম প্রতি আউন্সে ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ২১১ দশমিক ৪৮ ডলারে।

এর আগে সেশন চলাকালে দাম উঠেছিল ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৩৭৮ দশমিক ৬৯ ডলারে। বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো স্বর্ণ ৪ হাজার ৩০০ ডলার সীমা অতিক্রম করেছিল। তবুও সপ্তাহজুড়ে এর মোট বৃদ্ধি প্রায় ৪ দশমিক ৮ শতাংশ।ডিসেম্বর ডেলিভারির জন্য মার্কিন সোনার ফিউচারও ২ দশমিক ১ শতাংশ কমে বন্ধ হয় ৪ হাজার ২১৩ দশমিক ৩০ ডলারে।

অন্যদিকে, ডলার সূচক (ডিএক্সওয়াই) বেড়েছে ০ দশমিক ১ শতাংশ। ফলে বিদেশি ক্রেতাদের জন্য ডলার নির্ধারিত স্বর্ণের দাম আরও বেড়ে যায়।শুক্রবার ট্রাম্প নিশ্চিত করেন যে, তিনি শিগগিরই চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করবেন। যা যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সংঘাত নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ কিছুটা প্রশমিত করেছে।

বিশ্লেষক তাই ওয়ং বলেন, ট্রাম্পের আগের ঘোষণার পর তুলনামূলক নরম সুর বাজারে উত্তেজনা কিছুটা কমিয়েছে।স্বর্ণকে সাধারণত অনিশ্চয়তার সময়ে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হয়। চলতি বছর এ ধাতুর দাম বেড়েছে ৬৪ শতাংশেরও বেশি। ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ক্রয়, ডলার থেকে বিনিয়োগ সরে যাওয়া এবং ইটিএফ ফান্ডে প্রবাহ বৃদ্ধির কারণে এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার কমার সম্ভাবনাও এতে সহায়তা করেছে।

অন্যদিকে, রুপার দাম ৫ দশমিক ৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে প্রতি আউন্সে ৫১ দশমিক ২০ ডলারে, যদিও এর আগেই এটি রেকর্ড ৫৪ দশমিক ৪৭ ডলারে উঠেছিল। সপ্তাহ শেষে রুপার সামগ্রিক বৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ২ শতাংশে।

প্লাটিনামের দাম কমেছে ৬ দশমিক ১ শতাংশে, দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬০৭ দশমিক ৮৫ ডলারে; আর প্যালাডিয়ামের পতন হয়েছে ৭ দশমিক ৯ শতাংশে, প্রতি আউন্সে দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৮৫ দশমিক ৫০ ডলার।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
৫ বার পঠিত হয়েছে

রেকর্ড গড়ার পর সোনার দামে বড় পতন, কমেছে রূপার দামও

আপডেট এর সময় : ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

অর্থনীতি  ডেস্ক:    রেকর্ড উচ্চতায় ওঠার পর সোনার দামে হঠাৎ বড় পতন ঘটেছে। শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীনকে নিয়ে নতুন মন্তব্য ও ডলারের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে দাম কমে গেছে ২ শতাংশেরও বেশি। রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে (ইস্টার্ন টাইম ১টা ৩৮ মিনিটে) স্পট গোল্ডের দাম প্রতি আউন্সে ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ২১১ দশমিক ৪৮ ডলারে।

এর আগে সেশন চলাকালে দাম উঠেছিল ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৩৭৮ দশমিক ৬৯ ডলারে। বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো স্বর্ণ ৪ হাজার ৩০০ ডলার সীমা অতিক্রম করেছিল। তবুও সপ্তাহজুড়ে এর মোট বৃদ্ধি প্রায় ৪ দশমিক ৮ শতাংশ।ডিসেম্বর ডেলিভারির জন্য মার্কিন সোনার ফিউচারও ২ দশমিক ১ শতাংশ কমে বন্ধ হয় ৪ হাজার ২১৩ দশমিক ৩০ ডলারে।

অন্যদিকে, ডলার সূচক (ডিএক্সওয়াই) বেড়েছে ০ দশমিক ১ শতাংশ। ফলে বিদেশি ক্রেতাদের জন্য ডলার নির্ধারিত স্বর্ণের দাম আরও বেড়ে যায়।শুক্রবার ট্রাম্প নিশ্চিত করেন যে, তিনি শিগগিরই চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করবেন। যা যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সংঘাত নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ কিছুটা প্রশমিত করেছে।

বিশ্লেষক তাই ওয়ং বলেন, ট্রাম্পের আগের ঘোষণার পর তুলনামূলক নরম সুর বাজারে উত্তেজনা কিছুটা কমিয়েছে।স্বর্ণকে সাধারণত অনিশ্চয়তার সময়ে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হয়। চলতি বছর এ ধাতুর দাম বেড়েছে ৬৪ শতাংশেরও বেশি। ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ক্রয়, ডলার থেকে বিনিয়োগ সরে যাওয়া এবং ইটিএফ ফান্ডে প্রবাহ বৃদ্ধির কারণে এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার কমার সম্ভাবনাও এতে সহায়তা করেছে।

অন্যদিকে, রুপার দাম ৫ দশমিক ৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে প্রতি আউন্সে ৫১ দশমিক ২০ ডলারে, যদিও এর আগেই এটি রেকর্ড ৫৪ দশমিক ৪৭ ডলারে উঠেছিল। সপ্তাহ শেষে রুপার সামগ্রিক বৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ২ শতাংশে।

প্লাটিনামের দাম কমেছে ৬ দশমিক ১ শতাংশে, দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬০৭ দশমিক ৮৫ ডলারে; আর প্যালাডিয়ামের পতন হয়েছে ৭ দশমিক ৯ শতাংশে, প্রতি আউন্সে দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৮৫ দশমিক ৫০ ডলার।