ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন Logo এআইয়ের নাম পাল্টে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা এসআই রাখছেন ট্রাম্প Logo বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় Logo মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা

গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, চূড়ান্ত অনুমোদন পেল নতুন আইন

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:     প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। নতুন আইনে গুমের অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গোপন আটক কেন্দ্র বা ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত যেসব স্থাপনা অতীতে ব্যবহৃত হতো, সেগুলোকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এমন কেন্দ্র স্থাপন বা ব্যবহার করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, অধ্যাদেশে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের পাশাপাশি ভুক্তভোগী ও সাক্ষীর নিরাপত্তা, ক্ষতিপূরণ, আইনি সহায়তা এবং পরিচয় সুরক্ষার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গুম সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতাও যুক্ত করা হয়েছে।

প্রেস সচিব আরও জানান, গুম প্রতিরোধের লক্ষ্যে একটি তহবিল ও জাতীয় তথ্যভাণ্ডার গঠনের বিধানও আইনে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, “এই আইন কার্যকর হলে বাংলাদেশে আর কোনো সরকার গুমের রাজত্ব চালাতে পারবে না। মানবাধিকার সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেই অধ্যাদেশটি পাস করা হয়েছে।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
১২ বার পঠিত হয়েছে

গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, চূড়ান্ত অনুমোদন পেল নতুন আইন

আপডেট এর সময় : ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:     প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। নতুন আইনে গুমের অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গোপন আটক কেন্দ্র বা ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত যেসব স্থাপনা অতীতে ব্যবহৃত হতো, সেগুলোকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এমন কেন্দ্র স্থাপন বা ব্যবহার করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, অধ্যাদেশে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের পাশাপাশি ভুক্তভোগী ও সাক্ষীর নিরাপত্তা, ক্ষতিপূরণ, আইনি সহায়তা এবং পরিচয় সুরক্ষার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গুম সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতাও যুক্ত করা হয়েছে।

প্রেস সচিব আরও জানান, গুম প্রতিরোধের লক্ষ্যে একটি তহবিল ও জাতীয় তথ্যভাণ্ডার গঠনের বিধানও আইনে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, “এই আইন কার্যকর হলে বাংলাদেশে আর কোনো সরকার গুমের রাজত্ব চালাতে পারবে না। মানবাধিকার সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেই অধ্যাদেশটি পাস করা হয়েছে।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।