1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admin
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
রান্নাঘরে ধনেপাতা থাকা চাই, নয়তো অপূর্ণতা রয়ে যায় খাবারে ! সিরিজ বাঁচানোর পরীক্ষায় মাঠে বাংলাদেশ বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত ঘূর্ণিঝড় নিয়ে যে সতর্কবার্তা দিল আবহাওয়া অফিস পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান কারাগার থেকেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিবেন : রানা সানাউল্লাহ শ্রীলঙ্কায় বন্যা ও ভূমিধসে ৩১ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ অনেকে চট্টগ্রাম বন্দরের ট্রানজিট সুবিধা আমদানি পণ্যের প্রথম চালান গেল ভুটানে সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে ভারতীয় শাড়ি ও ওষুধ জব্দ দেশজুড়ে ভবন ও নির্মাণ কাজ অনুমোদনের জন্য পৃথক কর্তৃপক্ষ গঠনের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

ধূমপান ছেড়ে দিলে শরীরে যেসব প্রভাব দেখা যায়

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫

 অনলাইন ডেস্ক:     ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে আমরা প্রায় সবাই জানি। কিন্তু ধূমপান বন্ধ করার পর শরীর যে কত দ্রুত সুস্থ হতে শুরু করে তা অনেকেরই অজানা। প্রতিটি সিগারেট ধীরে ধীরে ফুসফুসকে নষ্ট করে ফেলে। তবে আশার বিষয় হলো—ধূমপান বন্ধ করার সঙ্গে সঙ্গেই শরীর নিজেকে মেরামত করতে শুরু করে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ফুসফুসের কার্যকারিতা ও রক্তসঞ্চালন উন্নত হয়।

ডা. সুধ জানান, ধূমপান শুধু ফুসফুস নয় বরং পুরো শ্বাসতন্ত্রকে দুর্বল করে তোলে। এটি ফুসফুসকে শক্ত ও অনমনীয় করে দেয়, যার ফলে ফুসফুসের প্রসারণ এবং স্বাভাবিক কাজ করার ক্ষমতা কমে যায়। এর পরিণতিতে দেখা দিতে পারে দীর্ঘস্থায়ী কাশি, মিউকাস জমা, ব্রঙ্কাইটিস, এমফিসেমা এবং ফুসফুসের ক্যানসার। ধূমপান ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমিয়ে দেয়, ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে এবং শরীরের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়।

তিনি জানান, ধূমপান বন্ধ করার ২ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে রক্তসঞ্চালন ও ফুসফুসের কার্যক্ষমতা স্পষ্টভাবে উন্নত হয়। এক বছরের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি অর্ধেকে নেমে আসে এবং ১০ বছরের মধ্যে ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় ৫০ শতাংশ কমে যায়।

ডা. সুধের মতে, সম্পূর্ণভাবে ধূমপান বন্ধ করা স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারের সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ। তিনি পরামর্শ দেন নিয়মিত কার্ডিও ব্যায়াম, শ্বাস–প্রশ্বাসের অনুশীলন এবং প্রয়োজনে পেশাদার সহায়তা নেওয়ার। পাশাপাশি তিনি অন্ত্র ও ফুসফুসের পারস্পরিক সম্পর্কের (গাট–লাং অ্যাক্সিস) গুরুত্বের কথাও উল্লেখ করেন, কারণ সুস্থ অন্ত্র প্রদাহ কমিয়ে ফুসফুসের স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

সবশেষে বলা যায়, ধূমপান শরীরের প্রায় সব অঙ্গেই ক্ষতি করে—বিশেষ করে ফুসফুস ও হৃদপিণ্ডে। কিন্তু ধূমপান ছাড়ার পর শরীর অবিশ্বাস্য দ্রুত গতিতে নিজেকে পুনরুদ্ধার করতে শুরু করে। তাই এখনই ধূমপান ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিন, প্রয়োজনে সহায়তা নিন। আপনার ফুসফুস, হৃদয় ও ভবিষ্যৎ আরও নিরাপদ ও সুস্থ হয়ে উঠবে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews