ঢাকা , সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo লালমনিরহাটে ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ও ইস্কাপ সিরাপ জব্দ Logo ইরানে খামেনির জানাজা, শেষ শ্রদ্ধায় উপচে পড়া ভিড় Logo পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত প্রধানমন্ত্রীর Logo কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর Logo নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo কৃষিকে সমৃদ্ধ করছে সরকার: সফিকুর রহমান কিরণ এমপি Logo কমিউনিস্ট আদর্শ আমেরিকার মূল্যবোধ, স্বাধীনতা ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক : ট্রাম্প Logo ইমাম খামেনির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পিকারের অংশগ্রহণ Logo জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণীয় করে রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী Logo জামাইকে স্বর্ণের আংটি উপহার দেওয়া কি জায়েজ

খালাস চেয়ে আপিল করলেন রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি মামুন

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:   জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেওয়া পাঁচ বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। রাজসাক্ষী হিসেবে দণ্ডপ্রাপ্ত এই সাবেক আইজিপি আইনজীবীর মাধ্যমে আপিল আবেদন দাখিল করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে তার পক্ষে এ আপিল করা হয়। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আপিল আবেদনে অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মধুমালতি চৌধুরী বড়ুয়া।

এই মামলার রায় ঘোষণা করা হয় সোমবার (১৭ নভেম্বর)। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১ সাবেক আইজিপি মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে এই মামলার বিচার শুরু হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১ চলতি বছরের বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

বিচার চলাকালে এক পর্যায়ে সাবেক আইজিপি মামুন দোষ স্বীকার করে ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটনে সহযোগিতা করেন। পরে তাকে রাজসাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করা হয়। ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি মামুনের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়েছে।

ওই রায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ট্রাইব্যুনাল পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনা ড্রোন, হেলিকপ্টার ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দিয়ে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির আওতায় দায়ী হন। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তৎকালীন আইজিপি সেই নির্দেশ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন।

রায়ের পর প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সাজা আরও বাড়ানোর জন্য আপিল করা হয়েছে। একই মামলায় পাঁচ বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়ে এবার আপিল করলেন রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
২ বার পঠিত হয়েছে

খালাস চেয়ে আপিল করলেন রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি মামুন

আপডেট এর সময় : ১২:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:   জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেওয়া পাঁচ বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। রাজসাক্ষী হিসেবে দণ্ডপ্রাপ্ত এই সাবেক আইজিপি আইনজীবীর মাধ্যমে আপিল আবেদন দাখিল করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে তার পক্ষে এ আপিল করা হয়। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আপিল আবেদনে অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মধুমালতি চৌধুরী বড়ুয়া।

এই মামলার রায় ঘোষণা করা হয় সোমবার (১৭ নভেম্বর)। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১ সাবেক আইজিপি মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে এই মামলার বিচার শুরু হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১ চলতি বছরের বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

বিচার চলাকালে এক পর্যায়ে সাবেক আইজিপি মামুন দোষ স্বীকার করে ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটনে সহযোগিতা করেন। পরে তাকে রাজসাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করা হয়। ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি মামুনের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়েছে।

ওই রায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ট্রাইব্যুনাল পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনা ড্রোন, হেলিকপ্টার ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দিয়ে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির আওতায় দায়ী হন। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তৎকালীন আইজিপি সেই নির্দেশ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন।

রায়ের পর প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সাজা আরও বাড়ানোর জন্য আপিল করা হয়েছে। একই মামলায় পাঁচ বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়ে এবার আপিল করলেন রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।