ঢাকা , শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে উৎসাহ দেবে পাকিস্তান Logo কাতারের আমিরের কাছে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা হস্তান্তর শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার Logo সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর : মাহদী আমিন Logo নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষায় জাতিসংঘের জোরালো সমর্থন চেয়েছেন উপদেষ্টা তিতুমীর Logo বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী Logo ভীষণ হতাশ : বিশ্বকাপ স্বপ্নভঙ্গের পর আক্ষেপ এমবাপ্পের Logo স্বাস্থ্যখাতের সংকটে অকালেই প্রাণ হারাচ্ছে কিউবার মানুষ Logo ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মুখোমুখি মেসি Logo দিনাজপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল মাদক উদ্ধার

বিশ্ব নেতাদের মানুষ ও পৃথিবীর ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জাতিসংঘ প্রধানের

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:    বিশ্বব্যাপী বিরাজমান চরম অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলার মধ্যে ২০২৬ সালকে সামনে রেখে বিশ্বনেতাদের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। নতুন বছর উপলক্ষে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বিভেদ ও সংঘাত ভুলে মানুষ এবং পৃথিবীর সুরক্ষায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।জাতিসংঘ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

গুতেরেস বলেন, ‘নতুন বছরে বিশ্ব এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। আমাদের চারপাশে কেবল বিশৃঙ্খলা আর অনিশ্চয়তা। বিভাজন, সহিংসতা, জলবায়ু বিপর্যয় এবং আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন আমাদের ঘিরে ধরেছে।’

ইউক্রেনসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৬ সালে বিশ্বনেতাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত— মানুষের কষ্ট লাঘব করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করা।বিশ্বনেতাদের প্রতি সরাসরি আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘ প্রধান বলেন, ‘এখনই সময় সচেতন হওয়ার। সংঘাতের বদলে মানুষ ও পৃথিবীকে বেছে নিন।’

বিশ্বজুড়ে উন্নয়ন সহায়তার তুলনায় সামরিক খাতে অত্যধিক ব্যয়ের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।
গুতেরেস জানান, এ বছর বিশ্বজুড়ে সামরিক ব্যয় প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ২ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই বিশাল অঙ্কটি উন্নয়ন খাতে বিশ্বের মোট ব্যয়ের চেয়ে ১৩ গুণ বেশি এবং পুরো আফ্রিকার মোট জিডিপির সমান।

তিনি সতর্ক করে বলেন, বর্তমানে যুদ্ধের যে ভয়াবহতা দেখা যাচ্ছে, তা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আর দেখা যায়নি।গুতেরেস বলেন, ‘আসুন নতুন বছরে আমরা আমাদের অগ্রাধিকারগুলো ঠিক করি। যুদ্ধ জয়ের চেয়ে দারিদ্র্য জয়ের পেছনে বিনিয়োগ বাড়ালেই পৃথিবী নিরাপদ হবে। যেকোনো মূল্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’২০২৬ সাল হবে জাতিসংঘ মহাসচিব হিসেবে আন্তোনিও গুতেরেসের শেষ বছর।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
১১ বার পঠিত হয়েছে

বিশ্ব নেতাদের মানুষ ও পৃথিবীর ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জাতিসংঘ প্রধানের

আপডেট এর সময় : ০৬:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:    বিশ্বব্যাপী বিরাজমান চরম অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলার মধ্যে ২০২৬ সালকে সামনে রেখে বিশ্বনেতাদের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। নতুন বছর উপলক্ষে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বিভেদ ও সংঘাত ভুলে মানুষ এবং পৃথিবীর সুরক্ষায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।জাতিসংঘ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

গুতেরেস বলেন, ‘নতুন বছরে বিশ্ব এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। আমাদের চারপাশে কেবল বিশৃঙ্খলা আর অনিশ্চয়তা। বিভাজন, সহিংসতা, জলবায়ু বিপর্যয় এবং আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন আমাদের ঘিরে ধরেছে।’

ইউক্রেনসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৬ সালে বিশ্বনেতাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত— মানুষের কষ্ট লাঘব করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করা।বিশ্বনেতাদের প্রতি সরাসরি আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘ প্রধান বলেন, ‘এখনই সময় সচেতন হওয়ার। সংঘাতের বদলে মানুষ ও পৃথিবীকে বেছে নিন।’

বিশ্বজুড়ে উন্নয়ন সহায়তার তুলনায় সামরিক খাতে অত্যধিক ব্যয়ের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।
গুতেরেস জানান, এ বছর বিশ্বজুড়ে সামরিক ব্যয় প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ২ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই বিশাল অঙ্কটি উন্নয়ন খাতে বিশ্বের মোট ব্যয়ের চেয়ে ১৩ গুণ বেশি এবং পুরো আফ্রিকার মোট জিডিপির সমান।

তিনি সতর্ক করে বলেন, বর্তমানে যুদ্ধের যে ভয়াবহতা দেখা যাচ্ছে, তা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আর দেখা যায়নি।গুতেরেস বলেন, ‘আসুন নতুন বছরে আমরা আমাদের অগ্রাধিকারগুলো ঠিক করি। যুদ্ধ জয়ের চেয়ে দারিদ্র্য জয়ের পেছনে বিনিয়োগ বাড়ালেই পৃথিবী নিরাপদ হবে। যেকোনো মূল্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’২০২৬ সাল হবে জাতিসংঘ মহাসচিব হিসেবে আন্তোনিও গুতেরেসের শেষ বছর।