ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘কমিশন সিন্ডিকেটের’ অভিযোগ Logo ইইউ-মার্কোসুর বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের Logo তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে সরকার Logo কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া Logo ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত বাংলাদেশ Logo জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য Logo বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করবে ফ্রান্স Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি : মির্জা ফখরুল Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ

পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা নামল ৮ ডিগ্রিতে

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:    তীব্র শীত আর কনকনে হিমশীতল ঠান্ডা বাতাসে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়েছে সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়। বিশেষ করে হিমালয়ের খুব কাছাকাছি হওয়ায় উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা কনকনে হিম বাতাসে তাপমাত্রা গত কয়েকদিন ধরে ১২ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ওঠানামা করছে। আজ হঠাৎই তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির ঘরে নেমে গেছে। এতে মৃদু শৈত্যপ্রবাহে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ১০০ শতাংশ ছিল। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬-৮ কিলোমিটার ছিল।

এর আগের দিন তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। গতকাল সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেন।

এ অঞ্চলটি হিমালয় নিকটবর্তী হওয়ায় কনকনে ঠান্ডা ও কুয়াশায় আবৃত হয়ে পড়েছে চারদিক। শীতার্ত মানুষেরা তীব্র কষ্টে দিন পার করছেন। গত কয়েকদিন ধরে রোদেরও দেখা মিলেনি। দিনমজুর, চা ও পাথর শ্রমিক শ্রেণির মানুষেরা শীতের তীব্রতায় কাজও করতে পারছে না। ফলে আয় কমেছে তাদের। এসব কারণে এ জেলার শীতার্ত ও ছিন্নমূল মানুষের রাত কাটে এখন অসহনীয় দুর্ভোগে। শীতের একেকটি রাত যেন তাদের কাছে দুঃস্বপ্ন। প্রাকৃতিক এই বৈরিতা থেকে বাঁচতে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি সাহায্যের আবেদন অসহায় মুখগুলোর।

এদিকে তীব্র শীত আর একটানা কুয়াশার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু ও বৃদ্ধারা। প্রতিনিয়তই সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় গণমাধ্যমকে বলেন, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় হিম বাতাস আর কনকনে তীব্র শীতে মৃদু শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ১০০ শতাংশ ছিল। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬-৮ কিলোমিটার ছিল।

এর আগের দিন তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এছাড়াও গত কয়েকদিন ধরে সকালে ও সন্ধ্যার পর কুয়াশা নামে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
৯ বার পঠিত হয়েছে

পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা নামল ৮ ডিগ্রিতে

আপডেট এর সময় : ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক:    তীব্র শীত আর কনকনে হিমশীতল ঠান্ডা বাতাসে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়েছে সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়। বিশেষ করে হিমালয়ের খুব কাছাকাছি হওয়ায় উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা কনকনে হিম বাতাসে তাপমাত্রা গত কয়েকদিন ধরে ১২ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ওঠানামা করছে। আজ হঠাৎই তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির ঘরে নেমে গেছে। এতে মৃদু শৈত্যপ্রবাহে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ১০০ শতাংশ ছিল। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬-৮ কিলোমিটার ছিল।

এর আগের দিন তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। গতকাল সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেন।

এ অঞ্চলটি হিমালয় নিকটবর্তী হওয়ায় কনকনে ঠান্ডা ও কুয়াশায় আবৃত হয়ে পড়েছে চারদিক। শীতার্ত মানুষেরা তীব্র কষ্টে দিন পার করছেন। গত কয়েকদিন ধরে রোদেরও দেখা মিলেনি। দিনমজুর, চা ও পাথর শ্রমিক শ্রেণির মানুষেরা শীতের তীব্রতায় কাজও করতে পারছে না। ফলে আয় কমেছে তাদের। এসব কারণে এ জেলার শীতার্ত ও ছিন্নমূল মানুষের রাত কাটে এখন অসহনীয় দুর্ভোগে। শীতের একেকটি রাত যেন তাদের কাছে দুঃস্বপ্ন। প্রাকৃতিক এই বৈরিতা থেকে বাঁচতে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি সাহায্যের আবেদন অসহায় মুখগুলোর।

এদিকে তীব্র শীত আর একটানা কুয়াশার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু ও বৃদ্ধারা। প্রতিনিয়তই সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় গণমাধ্যমকে বলেন, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় হিম বাতাস আর কনকনে তীব্র শীতে মৃদু শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ১০০ শতাংশ ছিল। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬-৮ কিলোমিটার ছিল।

এর আগের দিন তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এছাড়াও গত কয়েকদিন ধরে সকালে ও সন্ধ্যার পর কুয়াশা নামে।