ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে উৎসাহ দেবে পাকিস্তান Logo কাতারের আমিরের কাছে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা হস্তান্তর শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার Logo সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর : মাহদী আমিন Logo নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষায় জাতিসংঘের জোরালো সমর্থন চেয়েছেন উপদেষ্টা তিতুমীর Logo বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী Logo ভীষণ হতাশ : বিশ্বকাপ স্বপ্নভঙ্গের পর আক্ষেপ এমবাপ্পের Logo স্বাস্থ্যখাতের সংকটে অকালেই প্রাণ হারাচ্ছে কিউবার মানুষ Logo ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মুখোমুখি মেসি Logo দিনাজপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল মাদক উদ্ধার

এপস্টাইন সংক্রান্ত তদন্তে ‘ধামাচাপা’ দেওয়ার জন্য ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হিলারি ক্লিনটনের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:     গতকাল সোমবার প্রকাশিত বিবিসি’র সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টাইন সম্পর্কিত ফাইলগুলি ‘ধামাচাপা’ দেওয়ার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

বার্লিনে এক সাক্ষাৎকারে এই ব্রিটিশ সম্প্রচারককে বলেন, ‘ফাইলগুলো বের করে দিন। তারা ধীরগতিতে কাজ করছে,’

এই বিষয়ে কংগ্রেসের একটি কমিটির সামনে সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে ক্লিনটনের।

গত মাসে বিচার বিভাগ এপস্টাইন সংক্রান্ত সর্বশেষ ফাইলের সংগ্রহ প্রকাশ করেছে। যা ত্রিশ লাখেরও বেশি নথি, ছবি ও ভিডিও রয়েছে এবং এটি এপস্টাইন নামে পরিচিত যৌন অপরাধীর তদন্তের সঙ্গে সম্পর্কিত।

তিনি ২০১৯ সালে হেফাজতে থাকাকালীন আত্মহত্যার কারণে মারা যায়।

হিলারি ক্লিনটনের স্বামী সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। জেফ্রি এপস্টেইনের নথিপত্র ও ফাইলগুলোতে বিল ক্লিনটনের নাম বারবার আসলেও, এখন পর্যন্ত তার কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার অকাট্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি ।

এই দম্পতিকে হাউস ওভারসাইট কমিটির সামনে গোপন সাক্ষ্য দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা মৃত অর্থদাতা শক্তিশালী ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে সংযোগ এবং তার অপরাধ সম্পর্কে তথ্য কীভাবে পরিচালনা করা হয়েছিল— তা তদন্ত করছে।

হিলারি ক্লিনটন বিবিসিকে বলেন, ‘আমরা হাজির হব। তবে আমরা মনে করি, এটি জনসমক্ষে প্রকাশ করা ভাল হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি শুধু চাই এটা ন্যায্য হোক, আমি চাই সবার সাথে একই আচরণ করা হোক।’

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তার ও তার স্বামীর ‘লুকানোর কিছু নেই। আমরা বারবার এই ফাইলগুলো সম্পূর্ণ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছি।’

ক্লিনটন বলেছেন, তদন্তকারী রিপাবলিকানরা ট্রাম্পের কাছ থেকে মনোযোগ সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, যার নামও ফাইলগুলোতে অনেকবার উল্লেখ করা হয়েছে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন স্বীকার করেছেন যে, তিনি ২০০০ এর দশকের গোড়ার দিকে ক্লিনটন ফাউন্ডেশন-সম্পর্কিত মানবিক কাজের জন্য এপস্টাইনের বিমানে ভ্রমণ করেছিলেন, কিন্তু বলেছেন যে তিনি কখনও এপস্টাইনের ব্যক্তিগত দ্বীপে যাননি।

২০১৬ সালে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা হিলারি ক্লিনটন বলেছেন, এপস্টাইনের সঙ্গে তার কোনও যোগাযোগ ছিল না, তিনি কখনও তার বিমানে ভ্রমণ করেননি এবং কখনও তার দ্বীপে যাননি।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৭ বার পঠিত হয়েছে

এপস্টাইন সংক্রান্ত তদন্তে ‘ধামাচাপা’ দেওয়ার জন্য ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হিলারি ক্লিনটনের অভিযোগ

আপডেট এর সময় : ০৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক:     গতকাল সোমবার প্রকাশিত বিবিসি’র সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টাইন সম্পর্কিত ফাইলগুলি ‘ধামাচাপা’ দেওয়ার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

বার্লিনে এক সাক্ষাৎকারে এই ব্রিটিশ সম্প্রচারককে বলেন, ‘ফাইলগুলো বের করে দিন। তারা ধীরগতিতে কাজ করছে,’

এই বিষয়ে কংগ্রেসের একটি কমিটির সামনে সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে ক্লিনটনের।

গত মাসে বিচার বিভাগ এপস্টাইন সংক্রান্ত সর্বশেষ ফাইলের সংগ্রহ প্রকাশ করেছে। যা ত্রিশ লাখেরও বেশি নথি, ছবি ও ভিডিও রয়েছে এবং এটি এপস্টাইন নামে পরিচিত যৌন অপরাধীর তদন্তের সঙ্গে সম্পর্কিত।

তিনি ২০১৯ সালে হেফাজতে থাকাকালীন আত্মহত্যার কারণে মারা যায়।

হিলারি ক্লিনটনের স্বামী সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। জেফ্রি এপস্টেইনের নথিপত্র ও ফাইলগুলোতে বিল ক্লিনটনের নাম বারবার আসলেও, এখন পর্যন্ত তার কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার অকাট্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি ।

এই দম্পতিকে হাউস ওভারসাইট কমিটির সামনে গোপন সাক্ষ্য দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা মৃত অর্থদাতা শক্তিশালী ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে সংযোগ এবং তার অপরাধ সম্পর্কে তথ্য কীভাবে পরিচালনা করা হয়েছিল— তা তদন্ত করছে।

হিলারি ক্লিনটন বিবিসিকে বলেন, ‘আমরা হাজির হব। তবে আমরা মনে করি, এটি জনসমক্ষে প্রকাশ করা ভাল হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি শুধু চাই এটা ন্যায্য হোক, আমি চাই সবার সাথে একই আচরণ করা হোক।’

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তার ও তার স্বামীর ‘লুকানোর কিছু নেই। আমরা বারবার এই ফাইলগুলো সম্পূর্ণ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছি।’

ক্লিনটন বলেছেন, তদন্তকারী রিপাবলিকানরা ট্রাম্পের কাছ থেকে মনোযোগ সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, যার নামও ফাইলগুলোতে অনেকবার উল্লেখ করা হয়েছে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন স্বীকার করেছেন যে, তিনি ২০০০ এর দশকের গোড়ার দিকে ক্লিনটন ফাউন্ডেশন-সম্পর্কিত মানবিক কাজের জন্য এপস্টাইনের বিমানে ভ্রমণ করেছিলেন, কিন্তু বলেছেন যে তিনি কখনও এপস্টাইনের ব্যক্তিগত দ্বীপে যাননি।

২০১৬ সালে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা হিলারি ক্লিনটন বলেছেন, এপস্টাইনের সঙ্গে তার কোনও যোগাযোগ ছিল না, তিনি কখনও তার বিমানে ভ্রমণ করেননি এবং কখনও তার দ্বীপে যাননি।