অনলাইন ডেস্ক
ঈদে নিরাপদ ট্রেনযাত্রা নিশ্চিতে ও ছাদে ভ্রমণ ঠেকাতে রেল সচিবের দিকনির্দেশনা

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্রেন চলাচল নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে দেশের প্রধান রেলওয়ে স্টেশন কমলাপুর পরিদর্শন করেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম।
পরিদর্শন শেষে তিনি সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রস্তুতির চিত্র তুলে ধরেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘আসন্ন ঈদুল আজহা’র ছুটিতে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ট্রেন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে আমরা ব্যাপক নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনাগত পদক্ষেপ নিয়েছি। বিশেষ করে ট্রেনের ছাদে ও টিকিট ছাড়া যাত্রী ভ্রমণ রোধে বাড়তি জোর দেওয়া হয়েছে।’
ঈদের ভ্রমণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলার সময় তিনি জানান, ট্রেনের ছাদে যাত্রী ওঠা বন্ধ করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং রেলওয়ে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলগামী ট্রেনগুলোতে বিগত বছরগুলোতে এই প্রবণতা বেশি দেখা গেছে, তাই এবার সেখানে বাড়তি নজরদারি থাকবে।
তিনি আরও বলেন, ‘ছাদে ভ্রমণ রেল পরিচালন এবং যাত্রী; উভয়ের জীবনের জন্যই মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।’
সচিব জানান, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কমলাপুর, বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনসহ অন্যান্য প্রধান স্টেশনগুলোতে ইতোমধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালত ও নজরদারি দল (ভিজিল্যান্স টিম) মোতায়েন করা হয়েছে।
স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত ভিড়ের বিষয়ে তিনি বলেন, টিকিটবিহীন যাত্রীরা যাতে স্টেশনে প্রবেশ করতে না পারেন, সে জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। কারণ, টিকিটবিহীন যাত্রী ঢুকলে বৈধ টিকিটধারীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
তিনি আরও জানান, ঈদের সময় ভ্রমণের বিপুল চাহিদার কথা বিবেচনা করে সরকার ২৫ শতাংশ আসনবিহীন (স্ট্যান্ডিং) টিকিট বিক্রির অনুমতি দিয়েছে। কারণ, ঈদের সময় রেলওয়েতে যাত্রীদের চাপ সাধারণ সময়ের চেয়ে অনেক বেশি থাকে।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাথে সমন্বয় করে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্টেশনের আশপাশে ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নিয়মিত রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি ১০০ জন এপিবিএন (আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অনিয়ম দেখলে রেলওয়ের হটলাইন নম্বর ১৩১-এ জানানোর জন্য তিনি যাত্রীদের প্রতি অনুরোধ জানান।




















