ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলম্বিয়ায় ২ আদিবাসী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭, আহত শতাধিক

প্রতিনিধির নাম :

কলম্বিয়ার দুই আদিবাসী গোষ্ঠীর মধ্যে ভূমি বিরোধকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে সাত জনে দাঁড়িয়েছে বলে শুক্রবার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এতে শতাধিক আহত হয়েছে।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কাউকা প্রদেশে বৃহস্পতিবার মিসাক ও নাসা জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

শুক্রবার নিহতের সংখ্যা বাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে কর্তৃপক্ষ জানায়, নিহতদের মধ্যে ছয় জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এদের চার জন মিসাক সম্প্রদায়ের ও দুই জন নাসা সম্প্রদায়ের।

নিহত অপর একজনকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি।

আঞ্চলিক গভর্নরের একজন মুখপাত্র জানান, সংঘর্ষে অন্তত ১১০ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় হাসপাতালে এক আদিবাসী নেতা লুইস এনরিকের লাশ গ্রহণের সময় মিসাক সম্প্রদায়ের সদস্যরা শোকাহত হয়ে পড়েন। তিনি একটি আদিবাসী সংরক্ষিত এলাকার নেতা ছিলেন।

মিসাক গোষ্ঠীর মারিয়া জাসিন্তা তুনুবুলা এএফপিকে জানান, মিসাকরা একটি বেড়া কেটে নিজেদের বলে মনে করা এলাকা দখলের চেষ্টা করলে নাসা সম্প্রদায় তাদের ওপর হামলা চালায়।

আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের স্ট্রেচারে থাকা ৪৫ বছর বয়সী ওই নারী বলেন, ‘তারা আমাদের ওপর লাঠি, পাথর, অস্ত্র ও দা নিয়ে হামলা চালায়।’

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, দুই পক্ষের মধ্যে লাঠি ও পাথর নিয়ে তীব্র সংঘর্ষ চলছে, মাটিতে রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে এবং কিছু মানুষ আগ্নেয়াস্ত্র বহন করছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
৪৩ বার পঠিত হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলম্বিয়ায় ২ আদিবাসী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭, আহত শতাধিক

আপডেট এর সময় : ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

কলম্বিয়ার দুই আদিবাসী গোষ্ঠীর মধ্যে ভূমি বিরোধকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে সাত জনে দাঁড়িয়েছে বলে শুক্রবার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এতে শতাধিক আহত হয়েছে।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কাউকা প্রদেশে বৃহস্পতিবার মিসাক ও নাসা জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

শুক্রবার নিহতের সংখ্যা বাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে কর্তৃপক্ষ জানায়, নিহতদের মধ্যে ছয় জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এদের চার জন মিসাক সম্প্রদায়ের ও দুই জন নাসা সম্প্রদায়ের।

নিহত অপর একজনকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি।

আঞ্চলিক গভর্নরের একজন মুখপাত্র জানান, সংঘর্ষে অন্তত ১১০ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় হাসপাতালে এক আদিবাসী নেতা লুইস এনরিকের লাশ গ্রহণের সময় মিসাক সম্প্রদায়ের সদস্যরা শোকাহত হয়ে পড়েন। তিনি একটি আদিবাসী সংরক্ষিত এলাকার নেতা ছিলেন।

মিসাক গোষ্ঠীর মারিয়া জাসিন্তা তুনুবুলা এএফপিকে জানান, মিসাকরা একটি বেড়া কেটে নিজেদের বলে মনে করা এলাকা দখলের চেষ্টা করলে নাসা সম্প্রদায় তাদের ওপর হামলা চালায়।

আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের স্ট্রেচারে থাকা ৪৫ বছর বয়সী ওই নারী বলেন, ‘তারা আমাদের ওপর লাঠি, পাথর, অস্ত্র ও দা নিয়ে হামলা চালায়।’

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, দুই পক্ষের মধ্যে লাঠি ও পাথর নিয়ে তীব্র সংঘর্ষ চলছে, মাটিতে রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে এবং কিছু মানুষ আগ্নেয়াস্ত্র বহন করছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।