ঢাকা , শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo আত-তানযীল ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামে সীরাত অলিম্পিয়াড ছোটদের হৃদয়ে নবীপ্রেম প্রতিপাদ্যে প্রাণবন্ত আয়োজন ২০২৬  Logo বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন Logo ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি Logo সামাজিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার বিকল্প নাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo ইনিংস ও ৪১৩ রানে হারল বাংলাদেশ ‘এ’ Logo নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বাড়ছে Logo কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুলেছে উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা Logo পাকিস্তানের হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ শিশুর মৃত্যু Logo বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম :

বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল খাত বিশ্ব বাজারে ক্রমশ শক্ত অবস্থান তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের ওষুধ ১৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে, যা দেশের স্বাস্থ্যখাতের সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

আজ (সোমবার) সচিবালয়ে মন্ত্রানালয়ের সম্মেলন কক্ষে  সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার সুবিধার্থে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজের এক লাখ ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড (আইভি স্যালাইন) হস্তান্তর উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

স্থানীয়ভাবে ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করতে পারলে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানির পরিসর আরও বাড়বে বলেও জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, অতীত সরকারের সময় স্বাস্থ্য সরঞ্জাম ও ভ্যাকসিন উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত অগ্রগতি হয়নি। এমনকি ভেন্টিলেটর ও সিরিঞ্জের মতো জরুরি চিকিৎসা উপকরণেরও ঘাটতি ছিল। তবে পরবর্তীতে বেসরকারি খাতের সহযোগিতায় স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন জানান, রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সহায়তা করতে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এক লাখ ইউনিট আইভি স্যালাইন অনুদান হিসেবে দিয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় স্টোরে এক লাখ স্যালাইন মজুত রয়েছে। এছাড়াও উপজেলা পর্যায়ে আরও ২০ থেকে ২৫ হাজার ইউনিট স্যালাইন মজুত রয়েছে। তবে প্রয়োজন বাড়লে অতিরিক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।

আদ-দ্বীন হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর ঘটনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে শোকজের জবাব দিতে আরও দু’দিন সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ সময়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গুর মৌসুম সামনে রেখে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং আক্রান্তের হার কমাতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ডেঙ্গু  আক্রন্তদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিতে স্বাস্থ্যখাত সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণসহ স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
৪৭ বার পঠিত হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট এর সময় : ০৫:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল খাত বিশ্ব বাজারে ক্রমশ শক্ত অবস্থান তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের ওষুধ ১৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে, যা দেশের স্বাস্থ্যখাতের সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

আজ (সোমবার) সচিবালয়ে মন্ত্রানালয়ের সম্মেলন কক্ষে  সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার সুবিধার্থে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজের এক লাখ ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড (আইভি স্যালাইন) হস্তান্তর উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

স্থানীয়ভাবে ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করতে পারলে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানির পরিসর আরও বাড়বে বলেও জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, অতীত সরকারের সময় স্বাস্থ্য সরঞ্জাম ও ভ্যাকসিন উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত অগ্রগতি হয়নি। এমনকি ভেন্টিলেটর ও সিরিঞ্জের মতো জরুরি চিকিৎসা উপকরণেরও ঘাটতি ছিল। তবে পরবর্তীতে বেসরকারি খাতের সহযোগিতায় স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন জানান, রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সহায়তা করতে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এক লাখ ইউনিট আইভি স্যালাইন অনুদান হিসেবে দিয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় স্টোরে এক লাখ স্যালাইন মজুত রয়েছে। এছাড়াও উপজেলা পর্যায়ে আরও ২০ থেকে ২৫ হাজার ইউনিট স্যালাইন মজুত রয়েছে। তবে প্রয়োজন বাড়লে অতিরিক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।

আদ-দ্বীন হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর ঘটনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে শোকজের জবাব দিতে আরও দু’দিন সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ সময়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গুর মৌসুম সামনে রেখে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং আক্রান্তের হার কমাতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ডেঙ্গু  আক্রন্তদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিতে স্বাস্থ্যখাত সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণসহ স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।