ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন Logo এআইয়ের নাম পাল্টে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা এসআই রাখছেন ট্রাম্প Logo বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় Logo মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা

স্ত্রীর মামলায় আইনজীবী কারাগারে

প্রতিনিধির নাম :

স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক চেয়ে নির্যাতন আইনের মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীকে কারাগারে পাঠিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার ঢাকার ১ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু নাছের মো. জাহাঙ্গীর আলম এ আদেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো ওই আইনজীবীর নাম মো. সাজ্জাদ হোসেন (৩৪)। তিনি ঢাকা আইনজীবী সমিতিরও একজন আইনজীবী।

মামলার বাদিনী মোসা. ইসমত আরাও ঢাকা আইনজীবী সমিতির একজন সদস্য। তিনি যৌতুক চেয়ে নির্যাতনের অভিযোগে ২০১৭ সালের ২২ অক্টোবর রাজধানীর সূত্রাপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন আইনজীবী ইসমত আরা। মামলার পর ওই বছর ৩১ অক্টোবর আইনজীবী সাজ্জাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর ওইদিনই তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায় সিএমএম আদালত। ১৩ দিন কারাবাসের পর ওই বছর ১৩ নভেম্বর জামিন পান ওই আইনজীবী। মামলাটি তদন্তের পর চলতি বছর ৩১ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন সূত্রপুর থানার এসআই গোলাম হোসেন খান। বুধবার ওই আসামি ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে জামিন স্থায়ীর আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলায় বাদিনী জামিন আবেদনের বিরোধিতা করে শুনানিতে বলেন, ওই আসামি আগের বিয়ের কথা গোপন করে তাকে বিবাহ করেছেন। জামিন পওয়ার পর পিতা ও তাকে মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন।

মামলায় বলা হয়, ২০১৬ সালের ১৯ আগস্ট বাদিনী ও আসামির মধ্যে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় তিন লাখ টাকা যৌতুক দেন। বিয়ের কিছুদিন পর আরও ২৬ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যা দিতে অস্বীকার করায় আসামি বাদিনীকে মারধর করেন।

আসামি আইনজীবী সাজ্জাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানার কালুপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। অন্যদিকে বাদিনী আইনজীবী ইসমত আরা নওগাঁ জেলার পত্নীতলা থানার বুজরত মহাম্মাদপুর গ্রামের একরামুল হকের মেয়ে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮
২৩ বার পঠিত হয়েছে

স্ত্রীর মামলায় আইনজীবী কারাগারে

আপডেট এর সময় : ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮

স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক চেয়ে নির্যাতন আইনের মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীকে কারাগারে পাঠিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার ঢাকার ১ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু নাছের মো. জাহাঙ্গীর আলম এ আদেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো ওই আইনজীবীর নাম মো. সাজ্জাদ হোসেন (৩৪)। তিনি ঢাকা আইনজীবী সমিতিরও একজন আইনজীবী।

মামলার বাদিনী মোসা. ইসমত আরাও ঢাকা আইনজীবী সমিতির একজন সদস্য। তিনি যৌতুক চেয়ে নির্যাতনের অভিযোগে ২০১৭ সালের ২২ অক্টোবর রাজধানীর সূত্রাপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন আইনজীবী ইসমত আরা। মামলার পর ওই বছর ৩১ অক্টোবর আইনজীবী সাজ্জাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর ওইদিনই তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায় সিএমএম আদালত। ১৩ দিন কারাবাসের পর ওই বছর ১৩ নভেম্বর জামিন পান ওই আইনজীবী। মামলাটি তদন্তের পর চলতি বছর ৩১ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন সূত্রপুর থানার এসআই গোলাম হোসেন খান। বুধবার ওই আসামি ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে জামিন স্থায়ীর আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলায় বাদিনী জামিন আবেদনের বিরোধিতা করে শুনানিতে বলেন, ওই আসামি আগের বিয়ের কথা গোপন করে তাকে বিবাহ করেছেন। জামিন পওয়ার পর পিতা ও তাকে মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন।

মামলায় বলা হয়, ২০১৬ সালের ১৯ আগস্ট বাদিনী ও আসামির মধ্যে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় তিন লাখ টাকা যৌতুক দেন। বিয়ের কিছুদিন পর আরও ২৬ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যা দিতে অস্বীকার করায় আসামি বাদিনীকে মারধর করেন।

আসামি আইনজীবী সাজ্জাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানার কালুপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। অন্যদিকে বাদিনী আইনজীবী ইসমত আরা নওগাঁ জেলার পত্নীতলা থানার বুজরত মহাম্মাদপুর গ্রামের একরামুল হকের মেয়ে।