ঢাকা , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন Logo এআইয়ের নাম পাল্টে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা এসআই রাখছেন ট্রাম্প Logo বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় Logo মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা

‘গাজায় হামলার পরিণতি ইসরায়েলকে ভোগ করতে হবে’

প্রতিনিধির নাম :

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র ফুজি বারহুম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, গাজা উপত্যকায় তেলআবিবের ধারাবাহিক হামলার পরিণতির জন্য ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে দায়ী থাকতে হবে।

 তিনি বলেন, ইসরায়েলি সেনাদের বর্বরোচিত হামলা ও আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে গাজা উপত্যকা থেকে যেসব ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে তা ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার।

মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০ অবস্থানে ইসরায়েল বিমান হামলা চালানোর পর প্রতিরোধ সংগঠনগুলো অধিকৃত ভূখণ্ড লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এরপর এক বক্তব্যে বারহুম এ কথা বলেন।

এদিকে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের মুখপাত্র দাউদ শাহাব বলেছেন, ইসরায়েল ২০১৪ সালে স্বাক্ষরিত গাজা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। কাজেই এখন প্রতিরোধ শক্তিগুলোর এ কথা প্রমাণ করার সময় এসেছে তারা তেলআবিবের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে।

তিনি আরো বলেন, আমরা সংকট সৃষ্টি কিংবা যুদ্ধের দিকে যেতে চাই না, কিন্তু এ কথা প্রমাণ করতে চাই, যেকোনো আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দেয়ার শক্তি আমাদের আছে।

এছাড়া, গাজার নাসির সালাউদ্দিন ব্রিগেড এক ঘোষণায় বলেছে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইসরায়েল যুদ্ধ করতে পারে কিন্তু তার শেষ কখন হবে সে সিদ্ধান্ত নেয়ার অবস্থায় আর তেলআবিব নেই।  গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওই ঘোষণায় বলা হয়েছে, কুদস দখলদার বাহিনীর যেকোনো কাপুরুষতার জবাবে তাদের ঘাড়ের ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র নেমে আসবে।

ইসরায়েলি জঙ্গি বিমানগুলো মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০টি অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। গত চার বছরের মধ্যে এটি ছিল গাজায় ইসরায়েলের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা।

এসব হামলার জবাবে গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো ইসরায়েলি বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা নিক্ষেপ করেছে।

মঙ্গলবার গাজার সীমান্তবর্তী ইহুদি উপশহরগুলোতে বারবার সাইরেন বেজে উঠেছে বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে।

(৩০মে/এসআই)

‘গাজায় হামলার পরিণতি ইসরায়েলকে ভোগ করতে হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র ফুজি বারহুম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, গাজা উপত্যকায় তেলআবিবের ধারাবাহিক হামলার পরিণতির জন্য ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে দায়ী থাকতে হবে।

তিনি বলেন, ইসরায়েলি সেনাদের বর্বরোচিত হামলা ও আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে গাজা উপত্যকা থেকে যেসব ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে তা ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার।

মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০ অবস্থানে ইসরায়েল বিমান হামলা চালানোর পর প্রতিরোধ সংগঠনগুলো অধিকৃত ভূখণ্ড লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এরপর এক বক্তব্যে বারহুম এ কথা বলেন।

এদিকে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের মুখপাত্র দাউদ শাহাব বলেছেন, ইসরায়েল ২০১৪ সালে স্বাক্ষরিত গাজা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। কাজেই এখন প্রতিরোধ শক্তিগুলোর এ কথা প্রমাণ করার সময় এসেছে তারা তেলআবিবের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে।

তিনি আরো বলেন, আমরা সংকট সৃষ্টি কিংবা যুদ্ধের দিকে যেতে চাই না, কিন্তু এ কথা প্রমাণ করতে চাই, যেকোনো আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দেয়ার শক্তি আমাদের আছে।

এছাড়া, গাজার নাসির সালাউদ্দিন ব্রিগেড এক ঘোষণায় বলেছে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইসরায়েল যুদ্ধ করতে পারে কিন্তু তার শেষ কখন হবে সে সিদ্ধান্ত নেয়ার অবস্থায় আর তেলআবিব নেই।  গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওই ঘোষণায় বলা হয়েছে, কুদস দখলদার বাহিনীর যেকোনো কাপুরুষতার জবাবে তাদের ঘাড়ের ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র নেমে আসবে।

ইসরায়েলি জঙ্গি বিমানগুলো মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০টি অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। গত চার বছরের মধ্যে এটি ছিল গাজায় ইসরায়েলের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা।

এসব হামলার জবাবে গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো ইসরায়েলি বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা নিক্ষেপ করেছে।

মঙ্গলবার গাজার সীমান্তবর্তী ইহুদি উপশহরগুলোতে বারবার সাইরেন বেজে উঠেছে বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ মে ২০১৮
২০ বার পঠিত হয়েছে

‘গাজায় হামলার পরিণতি ইসরায়েলকে ভোগ করতে হবে’

আপডেট এর সময় : ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ মে ২০১৮

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র ফুজি বারহুম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, গাজা উপত্যকায় তেলআবিবের ধারাবাহিক হামলার পরিণতির জন্য ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে দায়ী থাকতে হবে।

 তিনি বলেন, ইসরায়েলি সেনাদের বর্বরোচিত হামলা ও আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে গাজা উপত্যকা থেকে যেসব ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে তা ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার।

মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০ অবস্থানে ইসরায়েল বিমান হামলা চালানোর পর প্রতিরোধ সংগঠনগুলো অধিকৃত ভূখণ্ড লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এরপর এক বক্তব্যে বারহুম এ কথা বলেন।

এদিকে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের মুখপাত্র দাউদ শাহাব বলেছেন, ইসরায়েল ২০১৪ সালে স্বাক্ষরিত গাজা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। কাজেই এখন প্রতিরোধ শক্তিগুলোর এ কথা প্রমাণ করার সময় এসেছে তারা তেলআবিবের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে।

তিনি আরো বলেন, আমরা সংকট সৃষ্টি কিংবা যুদ্ধের দিকে যেতে চাই না, কিন্তু এ কথা প্রমাণ করতে চাই, যেকোনো আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দেয়ার শক্তি আমাদের আছে।

এছাড়া, গাজার নাসির সালাউদ্দিন ব্রিগেড এক ঘোষণায় বলেছে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইসরায়েল যুদ্ধ করতে পারে কিন্তু তার শেষ কখন হবে সে সিদ্ধান্ত নেয়ার অবস্থায় আর তেলআবিব নেই।  গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওই ঘোষণায় বলা হয়েছে, কুদস দখলদার বাহিনীর যেকোনো কাপুরুষতার জবাবে তাদের ঘাড়ের ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র নেমে আসবে।

ইসরায়েলি জঙ্গি বিমানগুলো মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০টি অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। গত চার বছরের মধ্যে এটি ছিল গাজায় ইসরায়েলের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা।

এসব হামলার জবাবে গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো ইসরায়েলি বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা নিক্ষেপ করেছে।

মঙ্গলবার গাজার সীমান্তবর্তী ইহুদি উপশহরগুলোতে বারবার সাইরেন বেজে উঠেছে বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে।

(৩০মে/এসআই)

‘গাজায় হামলার পরিণতি ইসরায়েলকে ভোগ করতে হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র ফুজি বারহুম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, গাজা উপত্যকায় তেলআবিবের ধারাবাহিক হামলার পরিণতির জন্য ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে দায়ী থাকতে হবে।

তিনি বলেন, ইসরায়েলি সেনাদের বর্বরোচিত হামলা ও আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে গাজা উপত্যকা থেকে যেসব ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে তা ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার।

মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০ অবস্থানে ইসরায়েল বিমান হামলা চালানোর পর প্রতিরোধ সংগঠনগুলো অধিকৃত ভূখণ্ড লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এরপর এক বক্তব্যে বারহুম এ কথা বলেন।

এদিকে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের মুখপাত্র দাউদ শাহাব বলেছেন, ইসরায়েল ২০১৪ সালে স্বাক্ষরিত গাজা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। কাজেই এখন প্রতিরোধ শক্তিগুলোর এ কথা প্রমাণ করার সময় এসেছে তারা তেলআবিবের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে।

তিনি আরো বলেন, আমরা সংকট সৃষ্টি কিংবা যুদ্ধের দিকে যেতে চাই না, কিন্তু এ কথা প্রমাণ করতে চাই, যেকোনো আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দেয়ার শক্তি আমাদের আছে।

এছাড়া, গাজার নাসির সালাউদ্দিন ব্রিগেড এক ঘোষণায় বলেছে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইসরায়েল যুদ্ধ করতে পারে কিন্তু তার শেষ কখন হবে সে সিদ্ধান্ত নেয়ার অবস্থায় আর তেলআবিব নেই।  গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওই ঘোষণায় বলা হয়েছে, কুদস দখলদার বাহিনীর যেকোনো কাপুরুষতার জবাবে তাদের ঘাড়ের ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র নেমে আসবে।

ইসরায়েলি জঙ্গি বিমানগুলো মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০টি অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। গত চার বছরের মধ্যে এটি ছিল গাজায় ইসরায়েলের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা।

এসব হামলার জবাবে গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো ইসরায়েলি বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা নিক্ষেপ করেছে।

মঙ্গলবার গাজার সীমান্তবর্তী ইহুদি উপশহরগুলোতে বারবার সাইরেন বেজে উঠেছে বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে।