ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘কমিশন সিন্ডিকেটের’ অভিযোগ Logo ইইউ-মার্কোসুর বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের Logo তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে সরকার Logo কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া Logo ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত বাংলাদেশ Logo জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য Logo বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করবে ফ্রান্স Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি : মির্জা ফখরুল Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ

দিনাজপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ জিএম সন্তোষ সাহার বিরুদ্ধে গ্রাহকদের দুর্নীতির অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম :

রেজওয়ান

দিনাজপুর জেলা অর্ন্তরগত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর অদ্যবদি জিএম সন্তোষ কুমার সাহার বিরুদ্ধে দুর্নীতি বিযয়ক কার্যক্রম যথারিতি গ্রাহক হয়রানী, দুর্ব্যবহার, পক্ষ্যপাতিত্য মূলক কর্মকান্ডে কয়েকটি উপজেলার গ্রাহকদের প্রশ্ন বিদ্ব হয়েছেন মর্মে জানা যায়।

উক্ত উপজেলা গুলী পর্যবেক্ষণে অবগত হওয়া যায় যে, অনিয়ম দুর্নীতির ধারাবাহিকতায়, গত এপ্রিল মাসে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে গ্রাহকদের নিকট হতে তের বছর পূর্বের ভুতুড়ে বিল পরিশোধের নোটিশ প্রদান করেন ।

সেই নোটিশে বলা হয় যদি কোন বিদ্যুৎ গ্রাহক বিল পরিশোধ করতে না পারে তবে তাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ নিয়ে গ্রাহকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়লে অভিযোগটি যথাক্রমে দিনাজপুর  জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি গোচর হলে তিনি ক্ষুব্ধ হলেও জিএম সন্তোষ বিযয়টি চেপে যান ।
চলতি মাস থেকে জিএম সন্তোষ সাহা বকেয়া আদায় এবং সংযোগ বিচ্ছিন্ন কার্যক্রম শুরু করেছেন বলে জানা যায় ।  পক্ষান্তরে ভুক্তভোগী গ্রাহক ও সচেতন এলাকাবাসীর অভিযোগ তাতেও দেখা যাচ্ছে পক্ষপাতিত্ব হচ্ছে । সুতরাং সকল গ্রাহক নিরীহ, তাঁদের উপর চলছে নিয়মের খড়ক আর ম্যানেজ করতে পারছে যারা তাদের কিছুই হচ্ছেনা মর্মে প্রত্যক্ষ করা যায়  ।

অভিযোগের সূএ মোতাবেক মতে জানা যায় যে, বিরামপুর পৌর শহরের পুরাতুন বাজার মহল্লার বাবা ওয়েল মিল দীর্ঘদিন থেকে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই আবাসিক এলাকার পাশে শুকনো মরিচ ভাঙা শুরু করে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর অভিযোগ পূর্ববর্তী জিএম আব্দুর রাজ্জাক বাবা ওয়েল মিলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। সেই সাথে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া বিদ্যুৎ সংযোগ না দিতে নোট দেন।  কিন্তু সন্তোষ কুমার  পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এ যোগদান করার পর ওই মিলে সকল প্রকার নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে উঠেপড়ে লাগেন। তথ্য অধিকার আইনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এ আবেদনে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী  দেখা গেছে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া শুধু মাত্র মুচলেকা নিয়ে ২০১৭ সালের ২০ মার্চ বিদ্যুৎ সংযোগ দেন।

উক্ত মুচলেকায় আ. ছামাদ উল্লেখ করেন যে আগামী ছয় মাসের মধ্যে পরিবেশ ছাড়পত্র পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এ জমা করবে। কিন্ত অদ্যবধি পরিবেশ ছাড়পত্র  দিনের পর দিন শুকনো মরিচ ভেঙ্গে পরিবেশ দুষণ করার বিষয়ে জিএম সন্তোষ কুমার সাহাকে  মুঠোফোনে জানানো হলেও এবং  এজিএম আব্দুল খালেক (ইএনসি) নিজে এসে শুকনো মরিচ ভাঙার প্রমাণ পেয়ে নোট দিলেও জিএম সন্তোষ কুমার রহস্যজনক কারনে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। অবশেষে এক প্রকার বাধ্য হয়ে ২৮ জুন বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য বাবা ওয়েল মিলকে নোটিশ প্রদান করেন ।

সংশ্লীষ্ট সূত্র মতে সংযোগ বিচ্ছিন্নের নোটিশ দিলেও জিএম বাবা ওয়েল মিলের মালিকের ছেলেকে বুদ্ধি প্রদানে উৎসাহি করেন যে,এমপিসহ আওয়ামীলীগের নেতারা জিএমকে যেনো সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বাঁধা দেন। তাহলে তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হতে পরিএান পাবে ।

গত ২৮/০৬/২০১৮ ইং জুন সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করলে মুঠোফোনে জিএম সন্তোষের সাথে যোগাযোগ করা হলে জিএম সন্তোষ জানায় যে, এমপি সাহেব নিষেধ করেছে তাই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় নাই ।  এ বিষয়ে এমপি শিবলী সাদিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে এম,পি শিবলী সাদিক জানান যে, তিনি জিএমকে এ ধরনের কোন নিষেধ করেন নি, জি এম মিথ্যা কথা বলছেন  । বিযয়টি অএ এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে ।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুলাই ২০১৮
১২ বার পঠিত হয়েছে

দিনাজপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ জিএম সন্তোষ সাহার বিরুদ্ধে গ্রাহকদের দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট এর সময় : ০১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুলাই ২০১৮

রেজওয়ান

দিনাজপুর জেলা অর্ন্তরগত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর অদ্যবদি জিএম সন্তোষ কুমার সাহার বিরুদ্ধে দুর্নীতি বিযয়ক কার্যক্রম যথারিতি গ্রাহক হয়রানী, দুর্ব্যবহার, পক্ষ্যপাতিত্য মূলক কর্মকান্ডে কয়েকটি উপজেলার গ্রাহকদের প্রশ্ন বিদ্ব হয়েছেন মর্মে জানা যায়।

উক্ত উপজেলা গুলী পর্যবেক্ষণে অবগত হওয়া যায় যে, অনিয়ম দুর্নীতির ধারাবাহিকতায়, গত এপ্রিল মাসে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে গ্রাহকদের নিকট হতে তের বছর পূর্বের ভুতুড়ে বিল পরিশোধের নোটিশ প্রদান করেন ।

সেই নোটিশে বলা হয় যদি কোন বিদ্যুৎ গ্রাহক বিল পরিশোধ করতে না পারে তবে তাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ নিয়ে গ্রাহকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়লে অভিযোগটি যথাক্রমে দিনাজপুর  জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি গোচর হলে তিনি ক্ষুব্ধ হলেও জিএম সন্তোষ বিযয়টি চেপে যান ।
চলতি মাস থেকে জিএম সন্তোষ সাহা বকেয়া আদায় এবং সংযোগ বিচ্ছিন্ন কার্যক্রম শুরু করেছেন বলে জানা যায় ।  পক্ষান্তরে ভুক্তভোগী গ্রাহক ও সচেতন এলাকাবাসীর অভিযোগ তাতেও দেখা যাচ্ছে পক্ষপাতিত্ব হচ্ছে । সুতরাং সকল গ্রাহক নিরীহ, তাঁদের উপর চলছে নিয়মের খড়ক আর ম্যানেজ করতে পারছে যারা তাদের কিছুই হচ্ছেনা মর্মে প্রত্যক্ষ করা যায়  ।

অভিযোগের সূএ মোতাবেক মতে জানা যায় যে, বিরামপুর পৌর শহরের পুরাতুন বাজার মহল্লার বাবা ওয়েল মিল দীর্ঘদিন থেকে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই আবাসিক এলাকার পাশে শুকনো মরিচ ভাঙা শুরু করে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর অভিযোগ পূর্ববর্তী জিএম আব্দুর রাজ্জাক বাবা ওয়েল মিলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। সেই সাথে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া বিদ্যুৎ সংযোগ না দিতে নোট দেন।  কিন্তু সন্তোষ কুমার  পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এ যোগদান করার পর ওই মিলে সকল প্রকার নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে উঠেপড়ে লাগেন। তথ্য অধিকার আইনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এ আবেদনে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী  দেখা গেছে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া শুধু মাত্র মুচলেকা নিয়ে ২০১৭ সালের ২০ মার্চ বিদ্যুৎ সংযোগ দেন।

উক্ত মুচলেকায় আ. ছামাদ উল্লেখ করেন যে আগামী ছয় মাসের মধ্যে পরিবেশ ছাড়পত্র পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এ জমা করবে। কিন্ত অদ্যবধি পরিবেশ ছাড়পত্র  দিনের পর দিন শুকনো মরিচ ভেঙ্গে পরিবেশ দুষণ করার বিষয়ে জিএম সন্তোষ কুমার সাহাকে  মুঠোফোনে জানানো হলেও এবং  এজিএম আব্দুল খালেক (ইএনসি) নিজে এসে শুকনো মরিচ ভাঙার প্রমাণ পেয়ে নোট দিলেও জিএম সন্তোষ কুমার রহস্যজনক কারনে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। অবশেষে এক প্রকার বাধ্য হয়ে ২৮ জুন বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য বাবা ওয়েল মিলকে নোটিশ প্রদান করেন ।

সংশ্লীষ্ট সূত্র মতে সংযোগ বিচ্ছিন্নের নোটিশ দিলেও জিএম বাবা ওয়েল মিলের মালিকের ছেলেকে বুদ্ধি প্রদানে উৎসাহি করেন যে,এমপিসহ আওয়ামীলীগের নেতারা জিএমকে যেনো সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বাঁধা দেন। তাহলে তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হতে পরিএান পাবে ।

গত ২৮/০৬/২০১৮ ইং জুন সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করলে মুঠোফোনে জিএম সন্তোষের সাথে যোগাযোগ করা হলে জিএম সন্তোষ জানায় যে, এমপি সাহেব নিষেধ করেছে তাই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় নাই ।  এ বিষয়ে এমপি শিবলী সাদিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে এম,পি শিবলী সাদিক জানান যে, তিনি জিএমকে এ ধরনের কোন নিষেধ করেন নি, জি এম মিথ্যা কথা বলছেন  । বিযয়টি অএ এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে ।