ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা

মিয়ানমারে বাঁধ ভেঙে ৮৫ গ্রাম প্লাবিত, নিরাপদ আশ্রয়ে ৬৩ হাজার অধিবাসীমিয়ানমারে একটি সেচ বাঁধ ভেঙে প্রায় ৮৫ গ্রাম ডুবে গেছে এবং ৬৩ হাজারেরও বেশি লোক তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। এতে দেশটির একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এ বিপর্যয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাঁধগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। গত মাসে লাওসে একটি পানি, বিদ্যুৎ ও বাঁধ ভেঙে হাজার হাজার লোক উদ্বাস্তু হয়েছিলেন। এতে প্রায় ২৭ জন নিহত হন। বুধবার মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলীয় সওয়ার খাঁড়ির ওই বাঁধটি ভেঙে যায়; এতে নেমে আসা পানির প্রবল ধারায় সামনের গ্রামগুলো ভেসে যায় এবং নিকটবর্তী সওয়ার ও ইয়েদাশি শহর ডুবে যায়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ওই দিনই দেশটির দমকল বাহিনী, সেনারা ও কর্মকর্তারা উদ্ধার অভিযান শুরু করে দেন। বাঁধের কাছে বন্যার পানি কমেছে বলে গ্লোবাল নিউলাইট অব মিয়ানমার সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন দেশটির সেচ ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপমহাপরিচালক জাও লউয়িন তুন। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পানি বের হওয়ার পথটির কারণেই বাঁধটি ভেঙে পড়েছে। এমনিতে বাঁধটির অবস্থা ভালোই ছিল। বাঁধ ভেঙে ৮৫ গ্রাম বন্যাকবলিত হয়েছে এবং এতে ৬৩ হাজারেরও বেশি লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ একটি মহাসড়কের একটি অংশও ডুবে গেছে বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, কয়েক দিন আগে বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দিয়ে অতিরিক্ত পানি বের হওয়া শুরু হলে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ বাঁধটি ঠিক আছে বলে সবাইকে আশ্বস্ত করেছিল। বাঁধটির পানি ধারণক্ষমতা ২,১৬,৩৫০ একর-ফুট বলে জানিয়েছে রয়টার্স। বন্যার কারণে ইয়াঙ্গুন, মান্দালয় ও রাজধানী নেপিদোকে সংযোগকারী মহাসড়কের একটি ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ওই পথে মিয়ানমারে একটি সেচ বাঁধ ভেঙে প্রায় ৮৫ গ্রাম ডুবে গেছে এবং ৬৩ হাজারেরও বেশি লোক তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। এতে দেশটির একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এ বিপর্যয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাঁধগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। গত মাসে লাওসে একটি পানি, বিদ্যুৎ ও বাঁধ ভেঙে হাজার হাজার লোক উদ্বাস্তু হয়েছিলেন। এতে প্রায় ২৭ জন নিহত হন। বুধবার মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলীয় সওয়ার খাঁড়ির ওই বাঁধটি ভেঙে যায়; এতে নেমে আসা পানির প্রবল ধারায় সামনের গ্রামগুলো ভেসে যায় এবং নিকটবর্তী সওয়ার ও ইয়েদাশি শহর ডুবে যায়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ওই দিনই দেশটির দমকল বাহিনী, সেনারা ও কর্মকর্তারা উদ্ধার অভিযান শুরু করে দেন। বাঁধের কাছে বন্যার পানি কমেছে বলে গ্লোবাল নিউলাইট অব মিয়ানমার সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন দেশটির সেচ ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপমহাপরিচালক জাও লউয়িন তুন। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পানি বের হওয়ার পথটির কারণেই বাঁধটি ভেঙে পড়েছে। এমনিতে বাঁধটির অবস্থা ভালোই ছিল। বাঁধ ভেঙে ৮৫ গ্রাম বন্যাকবলিত হয়েছে এবং এতে ৬৩ হাজারেরও বেশি লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ একটি মহাসড়কের একটি অংশও ডুবে গেছে বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, কয়েক দিন আগে বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দিয়ে অতিরিক্ত পানি বের হওয়া শুরু হলে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ বাঁধটি ঠিক আছে বলে সবাইকে আশ্বস্ত করেছিল। বাঁধটির পানি ধারণক্ষমতা ২,১৬,৩৫০ একর-ফুট বলে জানিয়েছে রয়টার্স। বন্যার কারণে ইয়াঙ্গুন, মান্দালয় ও রাজধানী নেপিদোকে সংযোগকারী মহাসড়কের একটি ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ওই পথে

প্রতিনিধির নাম :

A flooded area after a dam breach is seen near Swar township in Myanmar, August 29, 2018. REUTERS/Antoni Slodkowski

মিয়ানমারে একটি সেচ বাঁধ ভেঙে প্রায় ৮৫ গ্রাম ডুবে গেছে এবং ৬৩ হাজারেরও বেশি লোক তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। এতে দেশটির একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে

এ বিপর্যয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাঁধগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। গত মাসে লাওসে একটি পানি, বিদ্যুৎ ও বাঁধ ভেঙে হাজার হাজার লোক উদ্বাস্তু হয়েছিলেন। এতে প্রায় ২৭ জন নিহত হন।

বুধবার মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলীয় সওয়ার খাঁড়ির ওই বাঁধটি ভেঙে যায়; এতে নেমে আসা পানির প্রবল ধারায় সামনের গ্রামগুলো ভেসে যায় এবং নিকটবর্তী সওয়ার ও ইয়েদাশি শহর ডুবে যায়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ওই দিনই দেশটির দমকল বাহিনী, সেনারা ও কর্মকর্তারা উদ্ধার অভিযান শুরু করে দেন।

বাঁধের কাছে বন্যার পানি কমেছে বলে গ্লোবাল নিউলাইট অব মিয়ানমার সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন দেশটির সেচ ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপমহাপরিচালক জাও লউয়িন তুন।

তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পানি বের হওয়ার পথটির কারণেই বাঁধটি ভেঙে পড়েছে। এমনিতে বাঁধটির অবস্থা ভালোই ছিল।

বাঁধ ভেঙে ৮৫ গ্রাম বন্যাকবলিত হয়েছে এবং এতে ৬৩ হাজারেরও বেশি লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ একটি মহাসড়কের একটি অংশও ডুবে গেছে বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি।

দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, কয়েক দিন আগে বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দিয়ে অতিরিক্ত পানি বের হওয়া শুরু হলে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ বাঁধটি ঠিক আছে বলে সবাইকে আশ্বস্ত করেছিল।

বাঁধটির পানি ধারণক্ষমতা ২,১৬,৩৫০ একর-ফুট বলে জানিয়েছে রয়টার্স। বন্যার কারণে ইয়াঙ্গুন, মান্দালয় ও রাজধানী নেপিদোকে সংযোগকারী মহাসড়কের একটি ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ওই পথ

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অগাস্ট ২০১৮
৭ বার পঠিত হয়েছে

মিয়ানমারে বাঁধ ভেঙে ৮৫ গ্রাম প্লাবিত, নিরাপদ আশ্রয়ে ৬৩ হাজার অধিবাসীমিয়ানমারে একটি সেচ বাঁধ ভেঙে প্রায় ৮৫ গ্রাম ডুবে গেছে এবং ৬৩ হাজারেরও বেশি লোক তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। এতে দেশটির একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এ বিপর্যয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাঁধগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। গত মাসে লাওসে একটি পানি, বিদ্যুৎ ও বাঁধ ভেঙে হাজার হাজার লোক উদ্বাস্তু হয়েছিলেন। এতে প্রায় ২৭ জন নিহত হন। বুধবার মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলীয় সওয়ার খাঁড়ির ওই বাঁধটি ভেঙে যায়; এতে নেমে আসা পানির প্রবল ধারায় সামনের গ্রামগুলো ভেসে যায় এবং নিকটবর্তী সওয়ার ও ইয়েদাশি শহর ডুবে যায়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ওই দিনই দেশটির দমকল বাহিনী, সেনারা ও কর্মকর্তারা উদ্ধার অভিযান শুরু করে দেন। বাঁধের কাছে বন্যার পানি কমেছে বলে গ্লোবাল নিউলাইট অব মিয়ানমার সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন দেশটির সেচ ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপমহাপরিচালক জাও লউয়িন তুন। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পানি বের হওয়ার পথটির কারণেই বাঁধটি ভেঙে পড়েছে। এমনিতে বাঁধটির অবস্থা ভালোই ছিল। বাঁধ ভেঙে ৮৫ গ্রাম বন্যাকবলিত হয়েছে এবং এতে ৬৩ হাজারেরও বেশি লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ একটি মহাসড়কের একটি অংশও ডুবে গেছে বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, কয়েক দিন আগে বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দিয়ে অতিরিক্ত পানি বের হওয়া শুরু হলে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ বাঁধটি ঠিক আছে বলে সবাইকে আশ্বস্ত করেছিল। বাঁধটির পানি ধারণক্ষমতা ২,১৬,৩৫০ একর-ফুট বলে জানিয়েছে রয়টার্স। বন্যার কারণে ইয়াঙ্গুন, মান্দালয় ও রাজধানী নেপিদোকে সংযোগকারী মহাসড়কের একটি ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ওই পথে মিয়ানমারে একটি সেচ বাঁধ ভেঙে প্রায় ৮৫ গ্রাম ডুবে গেছে এবং ৬৩ হাজারেরও বেশি লোক তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। এতে দেশটির একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এ বিপর্যয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাঁধগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। গত মাসে লাওসে একটি পানি, বিদ্যুৎ ও বাঁধ ভেঙে হাজার হাজার লোক উদ্বাস্তু হয়েছিলেন। এতে প্রায় ২৭ জন নিহত হন। বুধবার মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলীয় সওয়ার খাঁড়ির ওই বাঁধটি ভেঙে যায়; এতে নেমে আসা পানির প্রবল ধারায় সামনের গ্রামগুলো ভেসে যায় এবং নিকটবর্তী সওয়ার ও ইয়েদাশি শহর ডুবে যায়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ওই দিনই দেশটির দমকল বাহিনী, সেনারা ও কর্মকর্তারা উদ্ধার অভিযান শুরু করে দেন। বাঁধের কাছে বন্যার পানি কমেছে বলে গ্লোবাল নিউলাইট অব মিয়ানমার সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন দেশটির সেচ ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপমহাপরিচালক জাও লউয়িন তুন। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পানি বের হওয়ার পথটির কারণেই বাঁধটি ভেঙে পড়েছে। এমনিতে বাঁধটির অবস্থা ভালোই ছিল। বাঁধ ভেঙে ৮৫ গ্রাম বন্যাকবলিত হয়েছে এবং এতে ৬৩ হাজারেরও বেশি লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ একটি মহাসড়কের একটি অংশও ডুবে গেছে বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, কয়েক দিন আগে বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দিয়ে অতিরিক্ত পানি বের হওয়া শুরু হলে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ বাঁধটি ঠিক আছে বলে সবাইকে আশ্বস্ত করেছিল। বাঁধটির পানি ধারণক্ষমতা ২,১৬,৩৫০ একর-ফুট বলে জানিয়েছে রয়টার্স। বন্যার কারণে ইয়াঙ্গুন, মান্দালয় ও রাজধানী নেপিদোকে সংযোগকারী মহাসড়কের একটি ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ওই পথে

আপডেট এর সময় : ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অগাস্ট ২০১৮

মিয়ানমারে একটি সেচ বাঁধ ভেঙে প্রায় ৮৫ গ্রাম ডুবে গেছে এবং ৬৩ হাজারেরও বেশি লোক তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। এতে দেশটির একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে

এ বিপর্যয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাঁধগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। গত মাসে লাওসে একটি পানি, বিদ্যুৎ ও বাঁধ ভেঙে হাজার হাজার লোক উদ্বাস্তু হয়েছিলেন। এতে প্রায় ২৭ জন নিহত হন।

বুধবার মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলীয় সওয়ার খাঁড়ির ওই বাঁধটি ভেঙে যায়; এতে নেমে আসা পানির প্রবল ধারায় সামনের গ্রামগুলো ভেসে যায় এবং নিকটবর্তী সওয়ার ও ইয়েদাশি শহর ডুবে যায়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ওই দিনই দেশটির দমকল বাহিনী, সেনারা ও কর্মকর্তারা উদ্ধার অভিযান শুরু করে দেন।

বাঁধের কাছে বন্যার পানি কমেছে বলে গ্লোবাল নিউলাইট অব মিয়ানমার সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন দেশটির সেচ ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপমহাপরিচালক জাও লউয়িন তুন।

তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পানি বের হওয়ার পথটির কারণেই বাঁধটি ভেঙে পড়েছে। এমনিতে বাঁধটির অবস্থা ভালোই ছিল।

বাঁধ ভেঙে ৮৫ গ্রাম বন্যাকবলিত হয়েছে এবং এতে ৬৩ হাজারেরও বেশি লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ একটি মহাসড়কের একটি অংশও ডুবে গেছে বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি।

দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, কয়েক দিন আগে বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দিয়ে অতিরিক্ত পানি বের হওয়া শুরু হলে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ বাঁধটি ঠিক আছে বলে সবাইকে আশ্বস্ত করেছিল।

বাঁধটির পানি ধারণক্ষমতা ২,১৬,৩৫০ একর-ফুট বলে জানিয়েছে রয়টার্স। বন্যার কারণে ইয়াঙ্গুন, মান্দালয় ও রাজধানী নেপিদোকে সংযোগকারী মহাসড়কের একটি ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ওই পথ