ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইইউ-মার্কোসুর বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের Logo তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে সরকার Logo কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া Logo ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত বাংলাদেশ Logo জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য Logo বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করবে ফ্রান্স Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি : মির্জা ফখরুল Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ Logo চট্টগ্রামে ভারতীয় পণ্য জব্দ, গ্রেফতার ২

বরগুনায় ভেরীবাধের অধিগ্রহনে আওতায় ঘর সরানো ক্ষতিপুরণ এখনও পায়নি ক্ষতিগ্রস্তরা

প্রতিনিধির নাম :

বরগুনা জেলা প্রতিনিধি ঃ
নদীর ভেরীবাধ নির্মানের এক বছর অতিবাহিত হলেও ক্ষতিপুরণ পায়নি বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার সরিষামুড়ি ইউনিয়নের দক্ষিন কালিকাবাড়ী গ্রামের মৃত: কদম আলী পুত্র হোসেন আলী ও তার পুত্র নাসির মিয়া। জানাগেছে ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড ভেরীবাধ নির্মাণ কাজ প্রকল্প হাতে নেন। যথাসময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ঐ জমিতে অধিগ্রহনের আওতায় হোসেন আলী ও নাসির মিয়ার বসতঘর স্থান্তান্তরের জন্য কর্তৃপক্ষ নোটিশ প্রদান করেন। সময়মত তারা তাদের ঘর অন্যাত্র সরিয়ে নেয়। কিন্তু এখনও কোন ঘর সরানের ক্ষতিপুরণ পাচ্ছে না ভূক্তভোগীরা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেল ক্ষতিগ্রস্ত হোসেন আলী ও নাসির মিয়া জানান প্রায় ১ বছর হলেও আমরা ঘর সরানোর ক্ষতিপুরন সরকারি ভাবে পায়নি। তবে আমাদেরকে সরকারি ভাবে ঘর সরানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে আবুল হোসেনের নামে ২,৬১,৪৯৩.৬৫ ( দুই লক্ষ একষাট্টি হাজার চারশত তেরানব্বই টাকা পয়ষাট্টি পয়সা) হারে ক্ষতিপুরণ প্রদান করা হবে এবং নাসির উদ্দিনের নামে ১,১৭,৩৬৫.৪৯ ৯( এক লক্ষ সতের হাজার তিনশত পয়ষাট্টি টাকা উনপঞ্চাশ পয়সা) প্রদান করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে যথাসময়ে ঘর অন্যাত্র সরিয়ে নেয়া হয়ছে। তাই আমাদের দাবী কর্তৃপক্ষ সরেজমিন তদন্ত পূর্বক আমাদের ঘর সরানোর ক্ষতিপুরনের টাকা যাতে পাইতে পারি।

এ ব্যাপারে অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইমাম হাসান শিপন জোমাদ্দার তিনি জানান দক্ষিন কালিকাবাড়ী ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হোসেন আলী ও নাসির মিয়া নদী ভাঙ্গনের ভেরীবাধের আওতায় পড়ছেন এবং সরকারিভাবে তাদেরকে ঘর সরানোর নোটিশ দিয়েছে। যথাসময়ে তাদের বসতঘর অন্যাত্র সরিয়ে নিয়েছে। কিন্তু তারা এখনও কোন ক্ষতিপুরণ পায়নি। (১৯৮২ সনের ২নং অধ্যাদেশ) এর ৭ ধারার (৩) স্থাপর সম্পত্তি অধিগ্রহন ও হুকুম দখল অধ্যাদেশের ৭ ধারায় উপ-ধারা মোতাবেক এই ক্ষতি পুরণ পেতে পারে।

 

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮
৮ বার পঠিত হয়েছে

বরগুনায় ভেরীবাধের অধিগ্রহনে আওতায় ঘর সরানো ক্ষতিপুরণ এখনও পায়নি ক্ষতিগ্রস্তরা

আপডেট এর সময় : ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বরগুনা জেলা প্রতিনিধি ঃ
নদীর ভেরীবাধ নির্মানের এক বছর অতিবাহিত হলেও ক্ষতিপুরণ পায়নি বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার সরিষামুড়ি ইউনিয়নের দক্ষিন কালিকাবাড়ী গ্রামের মৃত: কদম আলী পুত্র হোসেন আলী ও তার পুত্র নাসির মিয়া। জানাগেছে ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড ভেরীবাধ নির্মাণ কাজ প্রকল্প হাতে নেন। যথাসময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ঐ জমিতে অধিগ্রহনের আওতায় হোসেন আলী ও নাসির মিয়ার বসতঘর স্থান্তান্তরের জন্য কর্তৃপক্ষ নোটিশ প্রদান করেন। সময়মত তারা তাদের ঘর অন্যাত্র সরিয়ে নেয়। কিন্তু এখনও কোন ঘর সরানের ক্ষতিপুরণ পাচ্ছে না ভূক্তভোগীরা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেল ক্ষতিগ্রস্ত হোসেন আলী ও নাসির মিয়া জানান প্রায় ১ বছর হলেও আমরা ঘর সরানোর ক্ষতিপুরন সরকারি ভাবে পায়নি। তবে আমাদেরকে সরকারি ভাবে ঘর সরানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে আবুল হোসেনের নামে ২,৬১,৪৯৩.৬৫ ( দুই লক্ষ একষাট্টি হাজার চারশত তেরানব্বই টাকা পয়ষাট্টি পয়সা) হারে ক্ষতিপুরণ প্রদান করা হবে এবং নাসির উদ্দিনের নামে ১,১৭,৩৬৫.৪৯ ৯( এক লক্ষ সতের হাজার তিনশত পয়ষাট্টি টাকা উনপঞ্চাশ পয়সা) প্রদান করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে যথাসময়ে ঘর অন্যাত্র সরিয়ে নেয়া হয়ছে। তাই আমাদের দাবী কর্তৃপক্ষ সরেজমিন তদন্ত পূর্বক আমাদের ঘর সরানোর ক্ষতিপুরনের টাকা যাতে পাইতে পারি।

এ ব্যাপারে অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইমাম হাসান শিপন জোমাদ্দার তিনি জানান দক্ষিন কালিকাবাড়ী ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হোসেন আলী ও নাসির মিয়া নদী ভাঙ্গনের ভেরীবাধের আওতায় পড়ছেন এবং সরকারিভাবে তাদেরকে ঘর সরানোর নোটিশ দিয়েছে। যথাসময়ে তাদের বসতঘর অন্যাত্র সরিয়ে নিয়েছে। কিন্তু তারা এখনও কোন ক্ষতিপুরণ পায়নি। (১৯৮২ সনের ২নং অধ্যাদেশ) এর ৭ ধারার (৩) স্থাপর সম্পত্তি অধিগ্রহন ও হুকুম দখল অধ্যাদেশের ৭ ধারায় উপ-ধারা মোতাবেক এই ক্ষতি পুরণ পেতে পারে।