ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা

মোহাম্মদ ব্রিটেনের সবচেয়ে জনপ্রিয় নাম!

প্রতিনিধির নাম :

এ মুহূর্তে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় নামটি হচ্ছে অলিভার। ২০১৩ সাল থেকে পরের টানা চার বছর ধরে সবচেয়ে বেশি রাখা নামের শীর্ষে রয়েছে এ নামটি। ব্রিটেনের জাতীয় পরিসংখ্যান অফিসের বরাতে বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে

কিন্তু নামের বানানের বিষয়টি বিবেচনা করলে এই পরিসংখ্যান সহজে বদলে যেত। বানানের হেরফের না হলে মোহাম্মদ হয়তো নামের তালিকার শীর্ষে থাকত।

২০১৭ সালের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, সে বছর ইংল্যান্ডে জন্ম নেয়া শিশুদের নামের তালিকার শীর্ষে ছিল অলিভার। ৬২৯৫ জনের নাম রাখা হয় অলিভার।

নামের তালিকার ১০ নম্বরে ছিল মোহাম্মদ। ৩৬৯১ শিশুর নাম রাখা হয় মোহাম্মদ।

কিন্তু ইংরেজিতে মোহাম্মদ নামের বানান করা হয়েছে ১৪ রকমভাবে- মুহাম্মদ, মহম্মদ, মোহামেদ, মোহাম্মদ, মহাম্মদ ইত্যাদি ইত্যাদি। ফলে সরকারি তালিকায় ভিন্ন ভিন্ন নাম হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

হিসাব করে দেখা গেছে, একভাবে যদি এই নামের বানানটি লেখা হতো তা হলে মোহাম্মদ নাম রাখা শিশুর সংখ্যা হতো ৭৩০৭। অর্থাৎ অলিভারের চাইতে এক হাজারেরও বেশি শিশুর নাম হতো মোহাম্মদ।

মোহাম্মদ হতো ইংল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় নাম। মেয়েশিশুদের ক্ষেত্রেও একই নামের বানান ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় তালিকাতে সেগুলোর নাম আলাদাভাবেই দেয়া হয়।

যেমন ২০১৬ সালে সবচেয়ে বেশি মেয়েশিশুর নাম রাখা হয়- অ্যামেলিয়া। কিন্তু সোফিয়া নামটির ইংরেজি বানান ভিন্ন ভিন্নভাবে না লেখা হলে সোফিয়া নামটি থাকত শীর্ষে।

ইংল্যান্ডে অনেক নাম ধীরে ধীরে আবেদন হারাচ্ছে, জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে।

যেমন ১৯০৪ থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত মেয়েশিশুদের যেসব নাম রাখা হতো, তার শীর্ষ দশটির মধ্যে থাকত ‘ডরিস’। ১৯০৪ সালে ডরিস ছিল জনপ্রিয় নামের তালিকায় তৃতীয়। ১৯২৪ সালে সেটি ৭ম স্থানে নেমে যায়। ১৯৩৪ সালে সেটি চলে আসে ৩৩ নম্বরে।

এখন ডরিস নামটি তালিকার একশর মধ্যেও নেই।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮
৭ বার পঠিত হয়েছে

মোহাম্মদ ব্রিটেনের সবচেয়ে জনপ্রিয় নাম!

আপডেট এর সময় : ০৬:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

এ মুহূর্তে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় নামটি হচ্ছে অলিভার। ২০১৩ সাল থেকে পরের টানা চার বছর ধরে সবচেয়ে বেশি রাখা নামের শীর্ষে রয়েছে এ নামটি। ব্রিটেনের জাতীয় পরিসংখ্যান অফিসের বরাতে বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে

কিন্তু নামের বানানের বিষয়টি বিবেচনা করলে এই পরিসংখ্যান সহজে বদলে যেত। বানানের হেরফের না হলে মোহাম্মদ হয়তো নামের তালিকার শীর্ষে থাকত।

২০১৭ সালের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, সে বছর ইংল্যান্ডে জন্ম নেয়া শিশুদের নামের তালিকার শীর্ষে ছিল অলিভার। ৬২৯৫ জনের নাম রাখা হয় অলিভার।

নামের তালিকার ১০ নম্বরে ছিল মোহাম্মদ। ৩৬৯১ শিশুর নাম রাখা হয় মোহাম্মদ।

কিন্তু ইংরেজিতে মোহাম্মদ নামের বানান করা হয়েছে ১৪ রকমভাবে- মুহাম্মদ, মহম্মদ, মোহামেদ, মোহাম্মদ, মহাম্মদ ইত্যাদি ইত্যাদি। ফলে সরকারি তালিকায় ভিন্ন ভিন্ন নাম হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

হিসাব করে দেখা গেছে, একভাবে যদি এই নামের বানানটি লেখা হতো তা হলে মোহাম্মদ নাম রাখা শিশুর সংখ্যা হতো ৭৩০৭। অর্থাৎ অলিভারের চাইতে এক হাজারেরও বেশি শিশুর নাম হতো মোহাম্মদ।

মোহাম্মদ হতো ইংল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় নাম। মেয়েশিশুদের ক্ষেত্রেও একই নামের বানান ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় তালিকাতে সেগুলোর নাম আলাদাভাবেই দেয়া হয়।

যেমন ২০১৬ সালে সবচেয়ে বেশি মেয়েশিশুর নাম রাখা হয়- অ্যামেলিয়া। কিন্তু সোফিয়া নামটির ইংরেজি বানান ভিন্ন ভিন্নভাবে না লেখা হলে সোফিয়া নামটি থাকত শীর্ষে।

ইংল্যান্ডে অনেক নাম ধীরে ধীরে আবেদন হারাচ্ছে, জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে।

যেমন ১৯০৪ থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত মেয়েশিশুদের যেসব নাম রাখা হতো, তার শীর্ষ দশটির মধ্যে থাকত ‘ডরিস’। ১৯০৪ সালে ডরিস ছিল জনপ্রিয় নামের তালিকায় তৃতীয়। ১৯২৪ সালে সেটি ৭ম স্থানে নেমে যায়। ১৯৩৪ সালে সেটি চলে আসে ৩৩ নম্বরে।

এখন ডরিস নামটি তালিকার একশর মধ্যেও নেই।