ঢাকা , সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্প: ধসে পড়া চার্চে মিলল ৩৪ শিক্ষার্থীর লাশ

প্রতিনিধির নাম :

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে চাপা পড়া একটি চার্চে ৩৪ শিক্ষার্থীর লাশ পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পের পর নিঁখোজ ৮৬ শিক্ষার্থীর মধ্যে এই ৩৪ জন ছিল, যারা সিগি বিরোমারু এলাকার জোনুগে চার্চের ট্রেনিং সেন্টারে বাইবেল ক্যাম্প করছিল। অপর ৫২ শিক্ষার্থী এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

ওই সিগি বিরোমারু এলাকাটি ভূমকিম্প ও সুনামি আঘাত হানা পালুর পাশেই অবস্থিত। উদ্ধার কর্মীরা জানান, তারা মৃতদেগগুলো উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। কিন্তু কাদামাটির কারণে সেটা ব্যাহত হচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়ান রেডক্রসের কর্মকর্তা রিদওয়ান সোবরি জানান, ভূমিকম্পের পর ওই এলাকায় কাদায় ভরে গেছে। এর মধ্য দিয়ে আমাদের প্রায় দুই ঘণ্টা হেঁটে যেতে হচ্ছে। যেটা উদ্ধার তৎপরতাকে জটিল করে তুলছে।

ওই ৩৪ শিক্ষার্থীর পরিচয় ও বয়স নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয় ইন্দোনেশিয়ায়, যার মধ্যে কয়েকটি ছিল বেশ শক্তিশালী। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭.৫। ভূমিকম্পের প্রভাবে প্রায় তিন মিটার উঁচু ঢেউ নিয়ে সুনামি আঘাত হানে পালু শহরের সুলাওয়েসি দ্বীপে।

ওই ভূমিকম্প ও সুনামিতে এখন পর্যন্ত ৮৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে দুর্গম এলাকাগুলোতে এখনও উদ্ধার কাজ চালানো সম্ভব হয়নি। ওইসব এলাকায় উদ্ধার অভিযানে নামলে মৃতের সংখ্যা বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামো ও ক্রমাগত আফটার শকের কারণে উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ তৎপরতা ধীরগতিতে চলছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া কেউ কেউ এখনও বেঁচে আছেন বলে ধারণা করছেন উদ্ধার কর্মীরা।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮
১৩ বার পঠিত হয়েছে

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্প: ধসে পড়া চার্চে মিলল ৩৪ শিক্ষার্থীর লাশ

আপডেট এর সময় : ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে চাপা পড়া একটি চার্চে ৩৪ শিক্ষার্থীর লাশ পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পের পর নিঁখোজ ৮৬ শিক্ষার্থীর মধ্যে এই ৩৪ জন ছিল, যারা সিগি বিরোমারু এলাকার জোনুগে চার্চের ট্রেনিং সেন্টারে বাইবেল ক্যাম্প করছিল। অপর ৫২ শিক্ষার্থী এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

ওই সিগি বিরোমারু এলাকাটি ভূমকিম্প ও সুনামি আঘাত হানা পালুর পাশেই অবস্থিত। উদ্ধার কর্মীরা জানান, তারা মৃতদেগগুলো উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। কিন্তু কাদামাটির কারণে সেটা ব্যাহত হচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়ান রেডক্রসের কর্মকর্তা রিদওয়ান সোবরি জানান, ভূমিকম্পের পর ওই এলাকায় কাদায় ভরে গেছে। এর মধ্য দিয়ে আমাদের প্রায় দুই ঘণ্টা হেঁটে যেতে হচ্ছে। যেটা উদ্ধার তৎপরতাকে জটিল করে তুলছে।

ওই ৩৪ শিক্ষার্থীর পরিচয় ও বয়স নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয় ইন্দোনেশিয়ায়, যার মধ্যে কয়েকটি ছিল বেশ শক্তিশালী। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭.৫। ভূমিকম্পের প্রভাবে প্রায় তিন মিটার উঁচু ঢেউ নিয়ে সুনামি আঘাত হানে পালু শহরের সুলাওয়েসি দ্বীপে।

ওই ভূমিকম্প ও সুনামিতে এখন পর্যন্ত ৮৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে দুর্গম এলাকাগুলোতে এখনও উদ্ধার কাজ চালানো সম্ভব হয়নি। ওইসব এলাকায় উদ্ধার অভিযানে নামলে মৃতের সংখ্যা বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামো ও ক্রমাগত আফটার শকের কারণে উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ তৎপরতা ধীরগতিতে চলছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া কেউ কেউ এখনও বেঁচে আছেন বলে ধারণা করছেন উদ্ধার কর্মীরা।