
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় যে ইজতেমা আহ্বান করেছেন তাবলিগের সা’দপন্থী গ্রুপ তা বাতিল করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জেলা হেফাজতে ইসলামের আমির ও শহরের ডিআইটি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুল আউয়াল। তিনি হুঁশিয়ার করে বলেছেন, ‘আলেম-ওলামাদের বাদ দিয়ে এভাবে শূরাকে উপেক্ষা করে জেলায় যে ইজতেমার আহ্বান করা হয়েছে তা বন্ধ না করা হলে রক্তের বন্যা বইয়ে যাবে।
গতকাল জুমার নামাজের পর শহরের ডিআইটি জামে মসজিদের সামনে ওলামা পরিষদের আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় এ কথা বলেন তিনি।
এর আগে ১ নভেম্বর সন্ধ্যায় শহরের আমলাপাড়াতে স্বর্ণপট্টিসংলগ্ন ছোট মার্কাজ মসজিদে তাবলিগের বিবদমান দু’টি গ্রুপের হাতাহাতি হয়। ওই সময়ে মাওলানা আবদুল আউয়ালকে লাঞ্ছিত করা হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল বাদ জুমা বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে মাওলানা আউয়াল বলেন, বৃহস্পতিবার আমরা নিয়মমাফিক কালীরবাজার মসজিদে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাদের অপমান করা হয়েছে। পুলিশ না থাকলে আজকে আমার লাশ পড়ে থাকত। তাই বলতে চাই, রক্ত থাকা পর্যন্ত আর ছাড় দেবো না। তাবলিগের ইজতেমা হবে টঙ্গিতে। এটাই সিদ্ধান্ত। নারায়ণগঞ্জে সা’দপন্থীরা সেই সিদ্ধান্ত অমান্য করে যে ইজতেমার কথা বলছেন আড়াইহাজারে সেটা করতে দেয়া হবে না। কালীরবাজার মার্কাজ মসজিদে আর কোনো কার্যক্রম করতে দেয়া হবে না, যত দিন সিদ্ধান্ত না হয়।
সভায় বক্তব্য দেন মুফতি মাসুম বিল্লাহ, রহমতউল্লাহ বুখারী, ইসমাইল হোসেন আব্বাসী, জাকির হোসেন কাসেমী প্রমুখ।
বৃহস্পতিবার লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় মুফতি আনিস আনসারী সদর মডেল থানায় একটি জিডি করেছেন।