ঢাকা , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo টাইফুন নউল চীনের দিকে ধেয়ে আসায় ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে Logo ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর Logo সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী

মেঘালয়ে ১৯ দিন ধরে খনিতে আটকা ১৫ জন, চলছে উদ্ধার চেষ্টা

প্রতিনিধির নাম :

ভারতের মেঘালয় রাজ্যে আদালত ঘোষিত অবৈধ খনি থেকে কয়লা তুলতে গিয়ে নিখোঁজ ১৫ জনকে ১৯ দিনেও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। গেল ১৪ই ডিসেম্বর থেকে ভেতরে আটকা পড়ে আছেন তারা। শ্রমিকদের উদ্ধারে একাধিক বাহিনী যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করে চালিয়ে যাচ্ছে প্রচেষ্টা।

আনন্দবাজার জানায়, দুর্ঘটনার পর থেকেই খনির পাশে ঘাঁটি গেড়েছিল ভারতের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স বা এনডিআরএফ-এর ১০০ জনের একটি উদ্ধারকারী দল। এর সঙ্গে যোগ দিয়েছে ওডিশা রাজ্যের দমকল বাহিনী, কোল ইন্ডিয়া এবং নৌবাহিনী।

নৌবাহিনীর ডুবুরিরা খনির তলদেশে নেমে দেখেছেন, ভেতরে ঘুটঘুটে অন্ধকার। দৃশ্যমানতা খুবই কম। শুধু ডুবুরির বিশেষ পোশাকের মাথায় থাকা টর্চের মতো আলোই ভরসা। খনিমুখের যেখান থেকে পানি শুরু, সেখানেও পর্যাপ্ত আলো নেই। তীব্র হ্যালোজেন জ্বালানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নানা প্রস্তুতি শেষে সোমবার থেকে চলছে চূড়ান্ত অভিযান।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জানুয়ারী ২০১৯
১২ বার পঠিত হয়েছে

মেঘালয়ে ১৯ দিন ধরে খনিতে আটকা ১৫ জন, চলছে উদ্ধার চেষ্টা

আপডেট এর সময় : ০২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জানুয়ারী ২০১৯

ভারতের মেঘালয় রাজ্যে আদালত ঘোষিত অবৈধ খনি থেকে কয়লা তুলতে গিয়ে নিখোঁজ ১৫ জনকে ১৯ দিনেও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। গেল ১৪ই ডিসেম্বর থেকে ভেতরে আটকা পড়ে আছেন তারা। শ্রমিকদের উদ্ধারে একাধিক বাহিনী যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করে চালিয়ে যাচ্ছে প্রচেষ্টা।

আনন্দবাজার জানায়, দুর্ঘটনার পর থেকেই খনির পাশে ঘাঁটি গেড়েছিল ভারতের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স বা এনডিআরএফ-এর ১০০ জনের একটি উদ্ধারকারী দল। এর সঙ্গে যোগ দিয়েছে ওডিশা রাজ্যের দমকল বাহিনী, কোল ইন্ডিয়া এবং নৌবাহিনী।

নৌবাহিনীর ডুবুরিরা খনির তলদেশে নেমে দেখেছেন, ভেতরে ঘুটঘুটে অন্ধকার। দৃশ্যমানতা খুবই কম। শুধু ডুবুরির বিশেষ পোশাকের মাথায় থাকা টর্চের মতো আলোই ভরসা। খনিমুখের যেখান থেকে পানি শুরু, সেখানেও পর্যাপ্ত আলো নেই। তীব্র হ্যালোজেন জ্বালানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নানা প্রস্তুতি শেষে সোমবার থেকে চলছে চূড়ান্ত অভিযান।