ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে জার্মানী, নেদারল্যান্ডসের সাথে ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু জাপানের Logo যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির ঘোষণায় কমেছে তেলের দাম Logo সাতক্ষীরায় বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল ও ভারতীয় ওষুধ জব্দ Logo যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি শান্তির পথে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ : পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী Logo ফিলিপাইনের দক্ষিণ উপকূলে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্প Logo প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত Logo বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে হিমশিম খাচ্ছে ইন্দোনেশিয়া Logo অস্ট্রেলিয়াকে ২৭৫ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ Logo যুদ্ধবিরতি আলোচনা: তেহরানে কাতারের প্রতিনিধি দল Logo গণমাধ্যমকে অন্ধকার গলি থেকে মুক্ত আকাশে বের করেছেন শহীদ জিয়াই: তথ্যমন্ত্রী

কিমের চিঠি পেয়ে ট্রাম্প জানালেন ‘বৈঠক হবেই’’

প্রতিনিধির নাম :

যুক্তরাষ্ট্র সফররত উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের প্রতিনিধি কিম ইয়ং সোল এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এসময় কিমের লেখা একটি চিঠি ট্রাম্পের কাছে হস্তান্তর করেন উত্তর কোরিয়ার প্রভাবশালী এ কর্মকর্তা।

কিমের চিঠি পড়ে ‘বৈঠক হবেই’ বলে নিশ্চয়তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ১২ জুনের বৈঠক কোরিয়া উপদ্বীপে পরমাণু নিরস্ত্রকীরনের প্রথম পদক্ষেপ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। খবর আল জাজিরার।

১২ জুন সিঙ্গাপুরে দুই নেতার বৈঠকের প্রস্তুতি এবং আলোচ্যসূচি নির্ধারণ করতে যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন উত্তর কোরিয়ার সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ও প্রভাবশালী কর্মকর্তা কিম ইয়ং সোল।

এর আগে বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন তিনি। সোলের সঙ্গে বৈঠকের পর পম্পেও ‘ভালো উন্নতি’ বলে মন্তব্য করেন।

কিম ইয়ং সোল হলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ প্রভাবশালী ব্যক্তিদের একজন। দীর্ঘ ১৮ বছর পর উত্তর কোরিয়ার এমন একজন ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন।

চলতি বছরের শুরুতে আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধির ঘোষণা দেয় উত্তর কোরিয়া। এর ধারাবাহিকতায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দেন কিম। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তা গ্রহণ করেন। তবে তার জন্য উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের শর্ত দেয়া হয়। আর উত্তর কোরিয়া ইতোমধ্যে তাদের প্রধান পরমাণু পরীক্ষা কেন্দ্রটি ধ্বংস করে।

দুই নেতার বৈঠক যখন নিশ্চিতের দিকে যায় ঠিক তখনই এ বৈঠক বাতিলের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। তবে উত্তর কোরিয়ার আগ্রহ এবং দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি মার্কন মিত্র দেশ এর প্রতিবাদ জানালে একদিন পরই বৈঠক হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তারপর থেকেই দুই নেতার বৈঠকের পূর্ণ প্রস্তুতি শুরু করেছে দুই দেশ।

এ বৈঠক উপলক্ষে এবং কোরিয়ান উপদ্বীপে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে ইতোমধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দুই বার বৈঠক করেছেন উত্তর কোরীয় নেতা কিম। এছাড়া দুইবার চীন সফরও করে ফেলেছেন তিনি। আর সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া সফর করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ জুন ২০১৮
৯ বার পঠিত হয়েছে

কিমের চিঠি পেয়ে ট্রাম্প জানালেন ‘বৈঠক হবেই’’

আপডেট এর সময় : ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ জুন ২০১৮

যুক্তরাষ্ট্র সফররত উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের প্রতিনিধি কিম ইয়ং সোল এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এসময় কিমের লেখা একটি চিঠি ট্রাম্পের কাছে হস্তান্তর করেন উত্তর কোরিয়ার প্রভাবশালী এ কর্মকর্তা।

কিমের চিঠি পড়ে ‘বৈঠক হবেই’ বলে নিশ্চয়তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ১২ জুনের বৈঠক কোরিয়া উপদ্বীপে পরমাণু নিরস্ত্রকীরনের প্রথম পদক্ষেপ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। খবর আল জাজিরার।

১২ জুন সিঙ্গাপুরে দুই নেতার বৈঠকের প্রস্তুতি এবং আলোচ্যসূচি নির্ধারণ করতে যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন উত্তর কোরিয়ার সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ও প্রভাবশালী কর্মকর্তা কিম ইয়ং সোল।

এর আগে বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন তিনি। সোলের সঙ্গে বৈঠকের পর পম্পেও ‘ভালো উন্নতি’ বলে মন্তব্য করেন।

কিম ইয়ং সোল হলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ প্রভাবশালী ব্যক্তিদের একজন। দীর্ঘ ১৮ বছর পর উত্তর কোরিয়ার এমন একজন ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন।

চলতি বছরের শুরুতে আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধির ঘোষণা দেয় উত্তর কোরিয়া। এর ধারাবাহিকতায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দেন কিম। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তা গ্রহণ করেন। তবে তার জন্য উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের শর্ত দেয়া হয়। আর উত্তর কোরিয়া ইতোমধ্যে তাদের প্রধান পরমাণু পরীক্ষা কেন্দ্রটি ধ্বংস করে।

দুই নেতার বৈঠক যখন নিশ্চিতের দিকে যায় ঠিক তখনই এ বৈঠক বাতিলের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। তবে উত্তর কোরিয়ার আগ্রহ এবং দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি মার্কন মিত্র দেশ এর প্রতিবাদ জানালে একদিন পরই বৈঠক হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তারপর থেকেই দুই নেতার বৈঠকের পূর্ণ প্রস্তুতি শুরু করেছে দুই দেশ।

এ বৈঠক উপলক্ষে এবং কোরিয়ান উপদ্বীপে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে ইতোমধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দুই বার বৈঠক করেছেন উত্তর কোরীয় নেতা কিম। এছাড়া দুইবার চীন সফরও করে ফেলেছেন তিনি। আর সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া সফর করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ।