ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo দিনাজপুরে কুরিয়ার সার্ভিস অফিস থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার Logo জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে : সিইসি Logo মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী Logo বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির Logo দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন প্রস্তুতকারকদের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর Logo পাকিস্তান দলে যোগ দিচ্ছেন শফিক ও শাকিল Logo স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী Logo হরমুজ প্রণালীতে ৬টি জাহাজ থামিয়ে দিল ইরান Logo যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল

গাজায় নার্সকে গুলি করে মারল ইসরায়েলিরা

প্রতিনিধির নাম :

গাজায় আহত ফিলিস্তিনিদের সেবা দেয়ার সময় এক নার্সকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। গাজা সিটির পূর্ব দিকে খান ইউনিস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা ও রয়টার্স।

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২১ বছর বয়সি রাজান আল নাজ্জার নামের ওই সেচ্ছাসেবি নার্সের বুকে গুলি করে ইসরায়েলি বাহিনী। এরফলে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছে, ইসরায়েলের গুলিতে আহত হওয়া এক ব্যক্তি মাঠে পড়ে ছিল। তাকে উদ্ধার করা ও সেবা দেয়ার জন্য দৌড় দেন রাজান। তখনই তাকে গুলি করা হয়।

ওই প্রত্যক্ষদর্শী আরও জানান, নার্সের সাদা ইউনিফর্ম পরা ছিল রাজানের। এছাড়া তিনি তার হাত উঁচু করেছিলেন। কিন্তু নার্সের পোশাক পরিধান এবং হাত উঁচু করা সত্ত্বেও ইসরায়েলি বাহিনী তার বুকে গুলি করে।

ফিলিস্তিনে কর্মরত স্বাস্থ্যসেবা দেয়া সংস্থার সূত্র দিয়ে আলজাজিরা জানিয়েছে, শুক্রবার শতাধিক ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সরাসরি গুলির কারণে ৪০ জনের মতো আহত হয়েছেন।

গত ৩০ মার্চ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত আড়াই মাস ধরে গাজা সীমান্তে বিক্ষোভ করে সাধারণ ফিলিস্তিনিরা। এসময় কয়েক সপ্তাহে এসব নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর সরাসরি গুলি করে সাংবাদিকসহ শতাধিক ব্যক্তিকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী। গত ১৪ মে জেরুজালেমে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস স্থানান্তরের প্রতিবাদে করা বিক্ষোভে গুলি করে ৬০ জনেও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী।

এঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করে বিশ্বের প্রভাবশালী দেশ ও সংগঠন। এছাড়া এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানায় অনেক দেশ। জাতিসংঘের জরুরি বৈঠকে গাজার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের প্রস্তাব উঠলে এর বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে এ ঘটনায় হামাসকে দায়ী করে। সর্বশেষ ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্টও নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর সরাসরি গুলির পক্ষে মত দেয়।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ জুন ২০১৮
১৪ বার পঠিত হয়েছে

গাজায় নার্সকে গুলি করে মারল ইসরায়েলিরা

আপডেট এর সময় : ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ জুন ২০১৮

গাজায় আহত ফিলিস্তিনিদের সেবা দেয়ার সময় এক নার্সকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। গাজা সিটির পূর্ব দিকে খান ইউনিস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা ও রয়টার্স।

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২১ বছর বয়সি রাজান আল নাজ্জার নামের ওই সেচ্ছাসেবি নার্সের বুকে গুলি করে ইসরায়েলি বাহিনী। এরফলে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছে, ইসরায়েলের গুলিতে আহত হওয়া এক ব্যক্তি মাঠে পড়ে ছিল। তাকে উদ্ধার করা ও সেবা দেয়ার জন্য দৌড় দেন রাজান। তখনই তাকে গুলি করা হয়।

ওই প্রত্যক্ষদর্শী আরও জানান, নার্সের সাদা ইউনিফর্ম পরা ছিল রাজানের। এছাড়া তিনি তার হাত উঁচু করেছিলেন। কিন্তু নার্সের পোশাক পরিধান এবং হাত উঁচু করা সত্ত্বেও ইসরায়েলি বাহিনী তার বুকে গুলি করে।

ফিলিস্তিনে কর্মরত স্বাস্থ্যসেবা দেয়া সংস্থার সূত্র দিয়ে আলজাজিরা জানিয়েছে, শুক্রবার শতাধিক ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সরাসরি গুলির কারণে ৪০ জনের মতো আহত হয়েছেন।

গত ৩০ মার্চ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত আড়াই মাস ধরে গাজা সীমান্তে বিক্ষোভ করে সাধারণ ফিলিস্তিনিরা। এসময় কয়েক সপ্তাহে এসব নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর সরাসরি গুলি করে সাংবাদিকসহ শতাধিক ব্যক্তিকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী। গত ১৪ মে জেরুজালেমে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস স্থানান্তরের প্রতিবাদে করা বিক্ষোভে গুলি করে ৬০ জনেও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী।

এঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করে বিশ্বের প্রভাবশালী দেশ ও সংগঠন। এছাড়া এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানায় অনেক দেশ। জাতিসংঘের জরুরি বৈঠকে গাজার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের প্রস্তাব উঠলে এর বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে এ ঘটনায় হামাসকে দায়ী করে। সর্বশেষ ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্টও নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর সরাসরি গুলির পক্ষে মত দেয়।