ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ঠাকুরগাঁওয়ে মেধার ভিত্তিতে পুলিশে চাকরি পেল ২৬ তরুণ-তরুণী Logo এআই চিপের ব্যাপক চাহিদায় প্রথম প্রান্তিকে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি সিঙ্গাপুরের Logo সোমবারই হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি : আশাবাদ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননে ব্যাপক হামলা ইসরাইলের Logo জাতীয় ঈদগাহে প্রধান ঈদ জামাতে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন Logo ঈদে উপকূলজুড়ে কোস্ট গার্ডের হাই প্রোফাইল নিরাপত্তা বলয় Logo হিলি স্থলবন্দর ঈদুল আযহায় ৭ দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo গোপালগঞ্জে মধুমতি নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo যুদ্ধ অবসানে চুক্তি চূড়ান্তের চেষ্টা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

‘গাজায় হামলার পরিণতি ইসরায়েলকে ভোগ করতে হবে’

প্রতিনিধির নাম :

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র ফুজি বারহুম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, গাজা উপত্যকায় তেলআবিবের ধারাবাহিক হামলার পরিণতির জন্য ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে দায়ী থাকতে হবে।

 তিনি বলেন, ইসরায়েলি সেনাদের বর্বরোচিত হামলা ও আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে গাজা উপত্যকা থেকে যেসব ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে তা ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার।

মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০ অবস্থানে ইসরায়েল বিমান হামলা চালানোর পর প্রতিরোধ সংগঠনগুলো অধিকৃত ভূখণ্ড লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এরপর এক বক্তব্যে বারহুম এ কথা বলেন।

এদিকে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের মুখপাত্র দাউদ শাহাব বলেছেন, ইসরায়েল ২০১৪ সালে স্বাক্ষরিত গাজা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। কাজেই এখন প্রতিরোধ শক্তিগুলোর এ কথা প্রমাণ করার সময় এসেছে তারা তেলআবিবের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে।

তিনি আরো বলেন, আমরা সংকট সৃষ্টি কিংবা যুদ্ধের দিকে যেতে চাই না, কিন্তু এ কথা প্রমাণ করতে চাই, যেকোনো আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দেয়ার শক্তি আমাদের আছে।

এছাড়া, গাজার নাসির সালাউদ্দিন ব্রিগেড এক ঘোষণায় বলেছে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইসরায়েল যুদ্ধ করতে পারে কিন্তু তার শেষ কখন হবে সে সিদ্ধান্ত নেয়ার অবস্থায় আর তেলআবিব নেই।  গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওই ঘোষণায় বলা হয়েছে, কুদস দখলদার বাহিনীর যেকোনো কাপুরুষতার জবাবে তাদের ঘাড়ের ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র নেমে আসবে।

ইসরায়েলি জঙ্গি বিমানগুলো মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০টি অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। গত চার বছরের মধ্যে এটি ছিল গাজায় ইসরায়েলের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা।

এসব হামলার জবাবে গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো ইসরায়েলি বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা নিক্ষেপ করেছে।

মঙ্গলবার গাজার সীমান্তবর্তী ইহুদি উপশহরগুলোতে বারবার সাইরেন বেজে উঠেছে বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে।

(৩০মে/এসআই)

‘গাজায় হামলার পরিণতি ইসরায়েলকে ভোগ করতে হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র ফুজি বারহুম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, গাজা উপত্যকায় তেলআবিবের ধারাবাহিক হামলার পরিণতির জন্য ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে দায়ী থাকতে হবে।

তিনি বলেন, ইসরায়েলি সেনাদের বর্বরোচিত হামলা ও আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে গাজা উপত্যকা থেকে যেসব ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে তা ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার।

মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০ অবস্থানে ইসরায়েল বিমান হামলা চালানোর পর প্রতিরোধ সংগঠনগুলো অধিকৃত ভূখণ্ড লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এরপর এক বক্তব্যে বারহুম এ কথা বলেন।

এদিকে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের মুখপাত্র দাউদ শাহাব বলেছেন, ইসরায়েল ২০১৪ সালে স্বাক্ষরিত গাজা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। কাজেই এখন প্রতিরোধ শক্তিগুলোর এ কথা প্রমাণ করার সময় এসেছে তারা তেলআবিবের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে।

তিনি আরো বলেন, আমরা সংকট সৃষ্টি কিংবা যুদ্ধের দিকে যেতে চাই না, কিন্তু এ কথা প্রমাণ করতে চাই, যেকোনো আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দেয়ার শক্তি আমাদের আছে।

এছাড়া, গাজার নাসির সালাউদ্দিন ব্রিগেড এক ঘোষণায় বলেছে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইসরায়েল যুদ্ধ করতে পারে কিন্তু তার শেষ কখন হবে সে সিদ্ধান্ত নেয়ার অবস্থায় আর তেলআবিব নেই।  গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওই ঘোষণায় বলা হয়েছে, কুদস দখলদার বাহিনীর যেকোনো কাপুরুষতার জবাবে তাদের ঘাড়ের ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র নেমে আসবে।

ইসরায়েলি জঙ্গি বিমানগুলো মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০টি অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। গত চার বছরের মধ্যে এটি ছিল গাজায় ইসরায়েলের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা।

এসব হামলার জবাবে গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো ইসরায়েলি বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা নিক্ষেপ করেছে।

মঙ্গলবার গাজার সীমান্তবর্তী ইহুদি উপশহরগুলোতে বারবার সাইরেন বেজে উঠেছে বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ মে ২০১৮
৫ বার পঠিত হয়েছে

‘গাজায় হামলার পরিণতি ইসরায়েলকে ভোগ করতে হবে’

আপডেট এর সময় : ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ মে ২০১৮

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র ফুজি বারহুম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, গাজা উপত্যকায় তেলআবিবের ধারাবাহিক হামলার পরিণতির জন্য ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে দায়ী থাকতে হবে।

 তিনি বলেন, ইসরায়েলি সেনাদের বর্বরোচিত হামলা ও আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে গাজা উপত্যকা থেকে যেসব ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে তা ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার।

মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০ অবস্থানে ইসরায়েল বিমান হামলা চালানোর পর প্রতিরোধ সংগঠনগুলো অধিকৃত ভূখণ্ড লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এরপর এক বক্তব্যে বারহুম এ কথা বলেন।

এদিকে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের মুখপাত্র দাউদ শাহাব বলেছেন, ইসরায়েল ২০১৪ সালে স্বাক্ষরিত গাজা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। কাজেই এখন প্রতিরোধ শক্তিগুলোর এ কথা প্রমাণ করার সময় এসেছে তারা তেলআবিবের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে।

তিনি আরো বলেন, আমরা সংকট সৃষ্টি কিংবা যুদ্ধের দিকে যেতে চাই না, কিন্তু এ কথা প্রমাণ করতে চাই, যেকোনো আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দেয়ার শক্তি আমাদের আছে।

এছাড়া, গাজার নাসির সালাউদ্দিন ব্রিগেড এক ঘোষণায় বলেছে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইসরায়েল যুদ্ধ করতে পারে কিন্তু তার শেষ কখন হবে সে সিদ্ধান্ত নেয়ার অবস্থায় আর তেলআবিব নেই।  গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওই ঘোষণায় বলা হয়েছে, কুদস দখলদার বাহিনীর যেকোনো কাপুরুষতার জবাবে তাদের ঘাড়ের ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র নেমে আসবে।

ইসরায়েলি জঙ্গি বিমানগুলো মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০টি অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। গত চার বছরের মধ্যে এটি ছিল গাজায় ইসরায়েলের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা।

এসব হামলার জবাবে গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো ইসরায়েলি বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা নিক্ষেপ করেছে।

মঙ্গলবার গাজার সীমান্তবর্তী ইহুদি উপশহরগুলোতে বারবার সাইরেন বেজে উঠেছে বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে।

(৩০মে/এসআই)

‘গাজায় হামলার পরিণতি ইসরায়েলকে ভোগ করতে হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র ফুজি বারহুম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, গাজা উপত্যকায় তেলআবিবের ধারাবাহিক হামলার পরিণতির জন্য ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে দায়ী থাকতে হবে।

তিনি বলেন, ইসরায়েলি সেনাদের বর্বরোচিত হামলা ও আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে গাজা উপত্যকা থেকে যেসব ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে তা ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার।

মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০ অবস্থানে ইসরায়েল বিমান হামলা চালানোর পর প্রতিরোধ সংগঠনগুলো অধিকৃত ভূখণ্ড লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এরপর এক বক্তব্যে বারহুম এ কথা বলেন।

এদিকে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের মুখপাত্র দাউদ শাহাব বলেছেন, ইসরায়েল ২০১৪ সালে স্বাক্ষরিত গাজা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। কাজেই এখন প্রতিরোধ শক্তিগুলোর এ কথা প্রমাণ করার সময় এসেছে তারা তেলআবিবের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে।

তিনি আরো বলেন, আমরা সংকট সৃষ্টি কিংবা যুদ্ধের দিকে যেতে চাই না, কিন্তু এ কথা প্রমাণ করতে চাই, যেকোনো আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দেয়ার শক্তি আমাদের আছে।

এছাড়া, গাজার নাসির সালাউদ্দিন ব্রিগেড এক ঘোষণায় বলেছে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইসরায়েল যুদ্ধ করতে পারে কিন্তু তার শেষ কখন হবে সে সিদ্ধান্ত নেয়ার অবস্থায় আর তেলআবিব নেই।  গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওই ঘোষণায় বলা হয়েছে, কুদস দখলদার বাহিনীর যেকোনো কাপুরুষতার জবাবে তাদের ঘাড়ের ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র নেমে আসবে।

ইসরায়েলি জঙ্গি বিমানগুলো মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০টি অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। গত চার বছরের মধ্যে এটি ছিল গাজায় ইসরায়েলের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা।

এসব হামলার জবাবে গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো ইসরায়েলি বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা নিক্ষেপ করেছে।

মঙ্গলবার গাজার সীমান্তবর্তী ইহুদি উপশহরগুলোতে বারবার সাইরেন বেজে উঠেছে বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে।