ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল এসে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী Logo অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান বাড়াতে দেশব্যাপী ক্রিয়েটিভ হাবের পরিকল্পনা সরকারের Logo লেবাননে ইসরাইলের একাধিক বিমান হামলা Logo চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা মামলার আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড Logo জাপান-মারকোসুর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হচ্ছে Logo অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের জন্য ১৩২ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ Logo ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে শিগগিরই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo বিকেএসপি পরিদর্শন ও নারী ফুটবলারদের সঙ্গে খেলায় অংশ নিয়েছেন জাইমা রহমান Logo প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা অনুষ্ঠিত

ছেলের মৃত্যুবার্ষিকীতেও আদালতে খালেদা

প্রতিনিধির নাম :

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে হাজির হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।

আজ বুধবার খালেদা জিয়া আসার আগেই মামলার আরেক আসামি ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদের পক্ষে পঞ্চম দিনের মতো যুক্তি উপস্থাপন শুরু করছেন আইনজীবী আহসান উল্লাহ।

রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে দুদকের দায়ের করা মামলা দুটির বিচার চলছে।

খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী হওয়ায় তিনি আজকের দিন পর্যন্ত দুই মামলায় জামিনে রয়েছেন। তারপরও বুধবার বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে বিশেষ আদালতে পৌঁছান তিনি।

এর আগে, গতকাল আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে দুটি আবেদন দাখিল করে তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, বুধবার খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি পারিবারিক কাজে ব্যস্ত থাকবেন। আদালতে আসতে পারবেন না। এ পর্যায়ে তিনি মামলার শুনানি মুলতবির আবেদন জানান। এ সময় বিচারক বলেন, ম্যাডামের আসার দরকার নেই, উনি এক দিন (বুধবার) জামিনে থাকবেন। তবে মামলার অন্য আসামি শরফুদ্দিন আহমেদ ও কাজী সলিমুল হকের যুক্তিতর্ক চলবে।

পরে বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমরা মামলার কার্যক্রম মুলতবির আবেদন জানিয়েছিলাম। বিচারক শুনানি মুলতবি না করে শুধু ম্যাডামকে জামিন দিয়েছেন। তাই ম্যাডাম বুধবার আদালতে যাবেন।’

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক। ২০১০ সালের ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর-রশীদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক। এ ছাড়া জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় আরও একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর-রশীদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে হাজির হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।

আজ বুধবার খালেদা জিয়া আসার আগেই মামলার আরেক আসামি ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদের পক্ষে পঞ্চম দিনের মতো যুক্তি উপস্থাপন শুরু করছেন আইনজীবী আহসান উল্লাহ।

রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে দুদকের দায়ের করা মামলা দুটির বিচার চলছে।

খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী হওয়ায় তিনি আজকের দিন পর্যন্ত দুই মামলায় জামিনে রয়েছেন। তারপরও বুধবার বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে বিশেষ আদালতে পৌঁছান তিনি।

এর আগে, গতকাল আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে দুটি আবেদন দাখিল করে তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, বুধবার খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি পারিবারিক কাজে ব্যস্ত থাকবেন। আদালতে আসতে পারবেন না। এ পর্যায়ে তিনি মামলার শুনানি মুলতবির আবেদন জানান। এ সময় বিচারক বলেন, ম্যাডামের আসার দরকার নেই, উনি এক দিন (বুধবার) জামিনে থাকবেন। তবে মামলার অন্য আসামি শরফুদ্দিন আহমেদ ও কাজী সলিমুল হকের যুক্তিতর্ক চলবে।

পরে বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমরা মামলার কার্যক্রম মুলতবির আবেদন জানিয়েছিলাম। বিচারক শুনানি মুলতবি না করে শুধু ম্যাডামকে জামিন দিয়েছেন। তাই ম্যাডাম বুধবার আদালতে যাবেন।’

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক। ২০১০ সালের ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর-রশীদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক। এ ছাড়া জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় আরও একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর-রশীদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৮
১৪ বার পঠিত হয়েছে

ছেলের মৃত্যুবার্ষিকীতেও আদালতে খালেদা

আপডেট এর সময় : ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৮

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে হাজির হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।

আজ বুধবার খালেদা জিয়া আসার আগেই মামলার আরেক আসামি ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদের পক্ষে পঞ্চম দিনের মতো যুক্তি উপস্থাপন শুরু করছেন আইনজীবী আহসান উল্লাহ।

রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে দুদকের দায়ের করা মামলা দুটির বিচার চলছে।

খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী হওয়ায় তিনি আজকের দিন পর্যন্ত দুই মামলায় জামিনে রয়েছেন। তারপরও বুধবার বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে বিশেষ আদালতে পৌঁছান তিনি।

এর আগে, গতকাল আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে দুটি আবেদন দাখিল করে তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, বুধবার খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি পারিবারিক কাজে ব্যস্ত থাকবেন। আদালতে আসতে পারবেন না। এ পর্যায়ে তিনি মামলার শুনানি মুলতবির আবেদন জানান। এ সময় বিচারক বলেন, ম্যাডামের আসার দরকার নেই, উনি এক দিন (বুধবার) জামিনে থাকবেন। তবে মামলার অন্য আসামি শরফুদ্দিন আহমেদ ও কাজী সলিমুল হকের যুক্তিতর্ক চলবে।

পরে বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমরা মামলার কার্যক্রম মুলতবির আবেদন জানিয়েছিলাম। বিচারক শুনানি মুলতবি না করে শুধু ম্যাডামকে জামিন দিয়েছেন। তাই ম্যাডাম বুধবার আদালতে যাবেন।’

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক। ২০১০ সালের ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর-রশীদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক। এ ছাড়া জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় আরও একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর-রশীদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে হাজির হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।

আজ বুধবার খালেদা জিয়া আসার আগেই মামলার আরেক আসামি ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদের পক্ষে পঞ্চম দিনের মতো যুক্তি উপস্থাপন শুরু করছেন আইনজীবী আহসান উল্লাহ।

রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে দুদকের দায়ের করা মামলা দুটির বিচার চলছে।

খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী হওয়ায় তিনি আজকের দিন পর্যন্ত দুই মামলায় জামিনে রয়েছেন। তারপরও বুধবার বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে বিশেষ আদালতে পৌঁছান তিনি।

এর আগে, গতকাল আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে দুটি আবেদন দাখিল করে তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, বুধবার খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি পারিবারিক কাজে ব্যস্ত থাকবেন। আদালতে আসতে পারবেন না। এ পর্যায়ে তিনি মামলার শুনানি মুলতবির আবেদন জানান। এ সময় বিচারক বলেন, ম্যাডামের আসার দরকার নেই, উনি এক দিন (বুধবার) জামিনে থাকবেন। তবে মামলার অন্য আসামি শরফুদ্দিন আহমেদ ও কাজী সলিমুল হকের যুক্তিতর্ক চলবে।

পরে বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমরা মামলার কার্যক্রম মুলতবির আবেদন জানিয়েছিলাম। বিচারক শুনানি মুলতবি না করে শুধু ম্যাডামকে জামিন দিয়েছেন। তাই ম্যাডাম বুধবার আদালতে যাবেন।’

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক। ২০১০ সালের ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর-রশীদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক। এ ছাড়া জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় আরও একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর-রশীদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক।