ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নক আউটে মেক্সিকো Logo ঝিনাইদহে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি অন্তত ৩২, আহত ৭ শতাধিক Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রীর বৈঠকে নদী ব্যবস্থাপনায় ঐকমত্য Logo পরবর্তী এশীয় অর্থনৈতিক বিস্ময় রচনায় অংশীদার হতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা Logo তারেক রহমান ও লি কিয়াং বৈঠক: ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে Logo তৃতীয় স্থানের দলগুলো কীভাবে নক আউটে যাবে Logo ঝালকাঠিতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo উ. কোরিয়ার সেনাকে হেফাজতে নিল সিউল

পলাশবাড়িতে কিশামত চেরেঙ্গা বাঁধ সংস্কারে ব্যাপক অনিয়ম ॥ জনতার প্রতিবাদ কানে তোলেনি ঠিকাদার

প্রতিনিধির নাম :

রবিন সেন, গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নে কিশামত চেরেঙ্গা বাঁধ সংস্কারে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে স্থানীয় জনতা মানববন্ধন করে সিডিউল মোতাবেক সঠিকভাবে কাজ সম্পন্ন করার দাবি জানালেও তা কানে তোলেনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। ঠিকাদার তার ইচ্ছেমতো ব্যাপক অনিয়মের মধ্যে কাজ অব্যাহত রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
হোসেনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৌফিকুল আমিন মন্ডল টিটু জানান, কিশামত চেরেঙ্গা বাঁধ সংস্কারের জন্য সরকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে ৩কোটি ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ করে। কাজের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে ঠিকাদার সিডিউল বহির্ভূতভাবে কাজ করতে থাকেন। দূর থেকে বালি ও মাটি এনে তা দিয়ে বাঁধ ভরাট করার কথা। কিন্তু বাঁধের কাছের জমি থেকেই বালি তুলে তা বাঁধে দেয়া হচ্ছে। এর ফলে বাঁধটি আসন্ন বর্ষাকালে ধসে যেতে পারে। আর এতে ওই বাঁধ সংস্কারে সরকারি বরাদ্দের সিংহ ভাগ টাকাই গচ্চা যাওয়ার আশংকা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাঁধটি যেভাবে মেরামত করার কথা, তা না করে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাদের যোগসাজসে সিডিউলের নকশা বহির্ভূতভাবে মেরামত করা হচ্ছে। এর জন্য জমির মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকরা এ ব্যাপারে গণস্বাক্ষর নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করেন। তিনি জমির মালিকদের পক্ষে প্রতিবাদ জানিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। কিন্তু ঠিকাদার কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে বাঁধ সংস্কার কাজ অব্যাহত রেখেছেন বলে অভিযোগ করেন চেয়ারম্যান টিটু।
এদিকে, স্থানীয় জনগণ সম্প্রতি মানববন্ধন করে সিডিউল মোতাবেক সঠিকভাবে কাজ করার দাবি জানান। কিন্তু ঠিকাদার তা উপেক্ষা করে নিজের ইচ্ছেমতো বাঁধ সংস্কার কাজ অব্যাহত রেখেছেন।
এ ব্যাপারে বাঁধ সংস্কার কাজে তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোজাম্মেল হোসেন জানান, এসব অভিযোগ সত্য নয়, নিয়ম মাফিকই কাজ হচ্ছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুন ২০১৮
১৩ বার পঠিত হয়েছে

পলাশবাড়িতে কিশামত চেরেঙ্গা বাঁধ সংস্কারে ব্যাপক অনিয়ম ॥ জনতার প্রতিবাদ কানে তোলেনি ঠিকাদার

আপডেট এর সময় : ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুন ২০১৮

রবিন সেন, গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নে কিশামত চেরেঙ্গা বাঁধ সংস্কারে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে স্থানীয় জনতা মানববন্ধন করে সিডিউল মোতাবেক সঠিকভাবে কাজ সম্পন্ন করার দাবি জানালেও তা কানে তোলেনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। ঠিকাদার তার ইচ্ছেমতো ব্যাপক অনিয়মের মধ্যে কাজ অব্যাহত রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
হোসেনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৌফিকুল আমিন মন্ডল টিটু জানান, কিশামত চেরেঙ্গা বাঁধ সংস্কারের জন্য সরকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে ৩কোটি ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ করে। কাজের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে ঠিকাদার সিডিউল বহির্ভূতভাবে কাজ করতে থাকেন। দূর থেকে বালি ও মাটি এনে তা দিয়ে বাঁধ ভরাট করার কথা। কিন্তু বাঁধের কাছের জমি থেকেই বালি তুলে তা বাঁধে দেয়া হচ্ছে। এর ফলে বাঁধটি আসন্ন বর্ষাকালে ধসে যেতে পারে। আর এতে ওই বাঁধ সংস্কারে সরকারি বরাদ্দের সিংহ ভাগ টাকাই গচ্চা যাওয়ার আশংকা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাঁধটি যেভাবে মেরামত করার কথা, তা না করে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাদের যোগসাজসে সিডিউলের নকশা বহির্ভূতভাবে মেরামত করা হচ্ছে। এর জন্য জমির মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকরা এ ব্যাপারে গণস্বাক্ষর নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করেন। তিনি জমির মালিকদের পক্ষে প্রতিবাদ জানিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। কিন্তু ঠিকাদার কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে বাঁধ সংস্কার কাজ অব্যাহত রেখেছেন বলে অভিযোগ করেন চেয়ারম্যান টিটু।
এদিকে, স্থানীয় জনগণ সম্প্রতি মানববন্ধন করে সিডিউল মোতাবেক সঠিকভাবে কাজ করার দাবি জানান। কিন্তু ঠিকাদার তা উপেক্ষা করে নিজের ইচ্ছেমতো বাঁধ সংস্কার কাজ অব্যাহত রেখেছেন।
এ ব্যাপারে বাঁধ সংস্কার কাজে তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোজাম্মেল হোসেন জানান, এসব অভিযোগ সত্য নয়, নিয়ম মাফিকই কাজ হচ্ছে।