ঢাকা , বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টের পর জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে আফগানিস্তান Logo মার্কিন প্রভাব সুসংহত করতে লাতিন আমেরিকা সফর শুরু রুবিওর Logo অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী Logo ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo গণতন্ত্র বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে : রাষ্ট্রপতি Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই শান্তর দলে ফেরা : সালাহউদ্দিন Logo রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী Logo অনিয়মের দায়ে পিরোজপুরে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা Logo মালয়েশিয়ার বোর্নিও শহরে ধোঁয়াশা, জরুরি অবস্থা

ভারতে উৎপাদিত মাদকে মৃত্যুর ঝুঁকি !

প্রতিনিধির নাম :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতীয় একটি ওষুধ কোম্পানি লাইসেন্স ছাড়াই অত্যন্ত আসক্তিকর ওপিওয়েড তৈরি করছে। সেই সাথে ওপিওয়েড মাদক অবৈধভাবে রফতানি করছে পশ্চিম আফ্রিকায়। এমন অবস্থায় ঘানা, নাইজেরিয়া এবং কোট ডি’আইভোয়ারসহ পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোতে বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য সংকট তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মুম্বাইভিত্তিক অ্যাভিও ফার্মাসিউটিক্যালস বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে নানান ধরণের মাদক তৈরি করে আসছে এবং বৈধ ওষুধের মতো দেখানো প্যাকেজে বাজারজাত করা হচ্ছে। কিন্তু ঔষধগুলোতে ট্যাপেনটাডল, শক্তিশালী ওপিওয়েড, এবং ক্যারিসোপ্রোডল নামক ক্ষতিকারক উপাদান রয়েছে। এগুলো মূলত পেশী শিথিলকারী; যা ভীষণ আসক্তিকর। তাই এটি ইউরোপে নিষিদ্ধ।

ওষুধের এই সংমিশ্রণটি বিশ্বের কোথাও ব্যবহারের জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত নয় এবং শ্বাসকষ্ট ও খিঁচুনির কারণ হতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ করলে মৃত্যুও হতে পারে। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও, এই ওপিওয়েডগুলো পশ্চিম আফ্রিকার অনেক দেশে রাস্তার ওষুধ হিসাবে জনপ্রিয়। কারণ এগুলো সস্তা এবং ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়। ঘানা, নাইজেরিয়ান এবং আইভোয়ারিয়ান শহরের রাস্তায় বিক্রির জন্য অ্যাভিও লোগোযুক্ত ব্র্যান্ডের ওষুধের প্যাকেট খুঁজে পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে বিশদ তদন্ত করেছে বিবিসি’র আই ইনভেস্টিগেশন ইউনিট। তারা দেখতে পেয়েছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোতে পাওয়া ওই ওপিওয়েড মাদকগুলোর উৎপাদন হচ্ছে ভারতে। যা তৈরি হচ্ছে মুম্বাই-ভিত্তিক ওষুধ কোম্পানি অ্যাভিওর কারখানায়। অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে এই অনুসন্ধান চালিয়েছে বিবিসির ওই বিশেষ ইউনিট।

তারা অ্যাভিওর অন্যতম পরিচালক বিনোদ শর্মার ভিডিও ধারণ করেছে। যেখানে বিনোদ স্বীকার করেছেন যে, ভয়াবহ ওই মাদক ওষুধের নামে বাজারজাত করছে তার কোম্পানি। এর ভয়াবহতা জানা সত্ত্বেও তিনি এই বিষয়টিকে শুধুমাত্র ব্যাবসায়িক উদ্দেশ্য বলে উল্লেখ করেছেন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
৯ বার পঠিত হয়েছে

ভারতে উৎপাদিত মাদকে মৃত্যুর ঝুঁকি !

আপডেট এর সময় : ১২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতীয় একটি ওষুধ কোম্পানি লাইসেন্স ছাড়াই অত্যন্ত আসক্তিকর ওপিওয়েড তৈরি করছে। সেই সাথে ওপিওয়েড মাদক অবৈধভাবে রফতানি করছে পশ্চিম আফ্রিকায়। এমন অবস্থায় ঘানা, নাইজেরিয়া এবং কোট ডি’আইভোয়ারসহ পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোতে বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য সংকট তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মুম্বাইভিত্তিক অ্যাভিও ফার্মাসিউটিক্যালস বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে নানান ধরণের মাদক তৈরি করে আসছে এবং বৈধ ওষুধের মতো দেখানো প্যাকেজে বাজারজাত করা হচ্ছে। কিন্তু ঔষধগুলোতে ট্যাপেনটাডল, শক্তিশালী ওপিওয়েড, এবং ক্যারিসোপ্রোডল নামক ক্ষতিকারক উপাদান রয়েছে। এগুলো মূলত পেশী শিথিলকারী; যা ভীষণ আসক্তিকর। তাই এটি ইউরোপে নিষিদ্ধ।

ওষুধের এই সংমিশ্রণটি বিশ্বের কোথাও ব্যবহারের জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত নয় এবং শ্বাসকষ্ট ও খিঁচুনির কারণ হতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ করলে মৃত্যুও হতে পারে। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও, এই ওপিওয়েডগুলো পশ্চিম আফ্রিকার অনেক দেশে রাস্তার ওষুধ হিসাবে জনপ্রিয়। কারণ এগুলো সস্তা এবং ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়। ঘানা, নাইজেরিয়ান এবং আইভোয়ারিয়ান শহরের রাস্তায় বিক্রির জন্য অ্যাভিও লোগোযুক্ত ব্র্যান্ডের ওষুধের প্যাকেট খুঁজে পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে বিশদ তদন্ত করেছে বিবিসি’র আই ইনভেস্টিগেশন ইউনিট। তারা দেখতে পেয়েছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোতে পাওয়া ওই ওপিওয়েড মাদকগুলোর উৎপাদন হচ্ছে ভারতে। যা তৈরি হচ্ছে মুম্বাই-ভিত্তিক ওষুধ কোম্পানি অ্যাভিওর কারখানায়। অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে এই অনুসন্ধান চালিয়েছে বিবিসির ওই বিশেষ ইউনিট।

তারা অ্যাভিওর অন্যতম পরিচালক বিনোদ শর্মার ভিডিও ধারণ করেছে। যেখানে বিনোদ স্বীকার করেছেন যে, ভয়াবহ ওই মাদক ওষুধের নামে বাজারজাত করছে তার কোম্পানি। এর ভয়াবহতা জানা সত্ত্বেও তিনি এই বিষয়টিকে শুধুমাত্র ব্যাবসায়িক উদ্দেশ্য বলে উল্লেখ করেছেন।