ঢাকা , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বাগেরহাটে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাকসিন দেয়া শুরু Logo ফিলিপাইনে ফেরিতে আগুনে ৫ জনের মৃত্যু Logo বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কার্বন ক্রেডিট পাবে বাংলাদেশ Logo হংকংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বহুমুখী রপ্তানিতে জোর Logo গাজীপুরে শব্দদূষণ রোধে সাইলেন্ট র‌্যালি ও মতবিনিময় Logo বগুড়ায় সাজাপ্রাপ্ত মাদক কারবারি ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার Logo ইরানের হামলার জবাবে ৫টি তেলবাহী জাহাজ ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের Logo পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টের পর জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে আফগানিস্তান Logo মার্কিন প্রভাব সুসংহত করতে লাতিন আমেরিকা সফর শুরু রুবিওর

মুন্সীগঞ্জে অস্ত্র তৈনাররির কারখা সন্ধান

প্রতিনিধির নাম :

মুন্সীগঞ্জে সদর উপজেলা চরাঞ্চলের গজারিয়া কান্দি এলাকায় অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান মিলেছে। সেখান  থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও তা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এসব অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে স্নাইপার রাইফেলের মতো মারণাস্ত্রও।

সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, চরকেওয়ার গজারিয়া কান্দি এলাকায় জনৈক মিজানুর রহমানের নিজ বাড়ির কারখানায় অস্ত্র তৈরির খবর জানতে পারে পুলিশ। পরে রবিবার গভীর রাতে সেখানে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

অস্ত্র তৈরির কারখানার মূল হোতা মিজানুর রহমান (৩৮) ওই গ্রামের খোরশেদ দিদারের ছেলে। তিন নিজ বাড়িতে অস্ত্র তৈরির এ কারখানা গড়ে তুলেছিলেন।

উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও সরঞ্জামাদির মধ্যে রয়েছে – একটি দেশীয় তৈরি স্নাইপার রাইফেল, দুইটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুট্যার গান, এক রাউন্ড রাইফেলের গুলি, নয় রাউন্ড পিস্তলের গুলি, চার রাউন্ড শর্ট গানের গুলি, পিস্তলের দুইটি গুলির খোসা, স্নাইপার রাইফেলের দুইটি পাইপ, একটি ছোরা ও চাপাতি, একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির ড্রিল মেশিন, দুইটি পিস্তল সাদৃশ্য স্টিলের পাত, ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির স্প্রিং এবং লাগেজ ভর্তি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি।

সংবাদ সম্মেলনে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামি মিজানুর রহমান পালিয়ে যান। তার বিরুদ্ধে সদর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। পলাতক মিজানুর রহমানসহ সহযোগিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ জানায়, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইউনুচ আলীর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
১৪ বার পঠিত হয়েছে

মুন্সীগঞ্জে অস্ত্র তৈনাররির কারখা সন্ধান

আপডেট এর সময় : ১২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

মুন্সীগঞ্জে সদর উপজেলা চরাঞ্চলের গজারিয়া কান্দি এলাকায় অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান মিলেছে। সেখান  থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও তা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এসব অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে স্নাইপার রাইফেলের মতো মারণাস্ত্রও।

সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, চরকেওয়ার গজারিয়া কান্দি এলাকায় জনৈক মিজানুর রহমানের নিজ বাড়ির কারখানায় অস্ত্র তৈরির খবর জানতে পারে পুলিশ। পরে রবিবার গভীর রাতে সেখানে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

অস্ত্র তৈরির কারখানার মূল হোতা মিজানুর রহমান (৩৮) ওই গ্রামের খোরশেদ দিদারের ছেলে। তিন নিজ বাড়িতে অস্ত্র তৈরির এ কারখানা গড়ে তুলেছিলেন।

উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও সরঞ্জামাদির মধ্যে রয়েছে – একটি দেশীয় তৈরি স্নাইপার রাইফেল, দুইটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুট্যার গান, এক রাউন্ড রাইফেলের গুলি, নয় রাউন্ড পিস্তলের গুলি, চার রাউন্ড শর্ট গানের গুলি, পিস্তলের দুইটি গুলির খোসা, স্নাইপার রাইফেলের দুইটি পাইপ, একটি ছোরা ও চাপাতি, একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির ড্রিল মেশিন, দুইটি পিস্তল সাদৃশ্য স্টিলের পাত, ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির স্প্রিং এবং লাগেজ ভর্তি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি।

সংবাদ সম্মেলনে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামি মিজানুর রহমান পালিয়ে যান। তার বিরুদ্ধে সদর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। পলাতক মিজানুর রহমানসহ সহযোগিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ জানায়, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইউনুচ আলীর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।