ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া’র কবিতা রোবটের জয় Logo ৫ কারণে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ Logo শিক্ষা ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের মাধ্যমেই বজায় থাকবে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব: শিক্ষামন্ত্রী Logo নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী, ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি Logo সেনা পাহারায় আল-আকসায় ঢুকে পড়ল শত শত ইসরাইলি Logo মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন Logo কোস্টগার্ডকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী Logo কুবি-র সহযোগী অধ্যাপকের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ারের লাশ উদ্ধার Logo উত্তর কোরিয়ার জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

মুন্সীগঞ্জে অস্ত্র তৈনাররির কারখা সন্ধান

প্রতিনিধির নাম :

মুন্সীগঞ্জে সদর উপজেলা চরাঞ্চলের গজারিয়া কান্দি এলাকায় অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান মিলেছে। সেখান  থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও তা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এসব অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে স্নাইপার রাইফেলের মতো মারণাস্ত্রও।

সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, চরকেওয়ার গজারিয়া কান্দি এলাকায় জনৈক মিজানুর রহমানের নিজ বাড়ির কারখানায় অস্ত্র তৈরির খবর জানতে পারে পুলিশ। পরে রবিবার গভীর রাতে সেখানে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

অস্ত্র তৈরির কারখানার মূল হোতা মিজানুর রহমান (৩৮) ওই গ্রামের খোরশেদ দিদারের ছেলে। তিন নিজ বাড়িতে অস্ত্র তৈরির এ কারখানা গড়ে তুলেছিলেন।

উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও সরঞ্জামাদির মধ্যে রয়েছে – একটি দেশীয় তৈরি স্নাইপার রাইফেল, দুইটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুট্যার গান, এক রাউন্ড রাইফেলের গুলি, নয় রাউন্ড পিস্তলের গুলি, চার রাউন্ড শর্ট গানের গুলি, পিস্তলের দুইটি গুলির খোসা, স্নাইপার রাইফেলের দুইটি পাইপ, একটি ছোরা ও চাপাতি, একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির ড্রিল মেশিন, দুইটি পিস্তল সাদৃশ্য স্টিলের পাত, ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির স্প্রিং এবং লাগেজ ভর্তি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি।

সংবাদ সম্মেলনে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামি মিজানুর রহমান পালিয়ে যান। তার বিরুদ্ধে সদর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। পলাতক মিজানুর রহমানসহ সহযোগিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ জানায়, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইউনুচ আলীর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
১৬ বার পঠিত হয়েছে

মুন্সীগঞ্জে অস্ত্র তৈনাররির কারখা সন্ধান

আপডেট এর সময় : ১২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

মুন্সীগঞ্জে সদর উপজেলা চরাঞ্চলের গজারিয়া কান্দি এলাকায় অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান মিলেছে। সেখান  থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও তা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এসব অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে স্নাইপার রাইফেলের মতো মারণাস্ত্রও।

সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, চরকেওয়ার গজারিয়া কান্দি এলাকায় জনৈক মিজানুর রহমানের নিজ বাড়ির কারখানায় অস্ত্র তৈরির খবর জানতে পারে পুলিশ। পরে রবিবার গভীর রাতে সেখানে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

অস্ত্র তৈরির কারখানার মূল হোতা মিজানুর রহমান (৩৮) ওই গ্রামের খোরশেদ দিদারের ছেলে। তিন নিজ বাড়িতে অস্ত্র তৈরির এ কারখানা গড়ে তুলেছিলেন।

উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও সরঞ্জামাদির মধ্যে রয়েছে – একটি দেশীয় তৈরি স্নাইপার রাইফেল, দুইটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুট্যার গান, এক রাউন্ড রাইফেলের গুলি, নয় রাউন্ড পিস্তলের গুলি, চার রাউন্ড শর্ট গানের গুলি, পিস্তলের দুইটি গুলির খোসা, স্নাইপার রাইফেলের দুইটি পাইপ, একটি ছোরা ও চাপাতি, একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির ড্রিল মেশিন, দুইটি পিস্তল সাদৃশ্য স্টিলের পাত, ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির স্প্রিং এবং লাগেজ ভর্তি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি।

সংবাদ সম্মেলনে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামি মিজানুর রহমান পালিয়ে যান। তার বিরুদ্ধে সদর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। পলাতক মিজানুর রহমানসহ সহযোগিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ জানায়, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইউনুচ আলীর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।