ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডেমরায় শিপু মেকওভার অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার-এর শুভ উদ্বোধন Logo প্রথম সেশন বাংলাদেশের Logo কাতারের উপকূলের কাছে জাহাজে অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত Logo দেশকে ধ্বংসস্তুপ থেকে টেনে তোলাই বিএনপির নতুন চ্যালেঞ্জ : মির্জা ফখরুল Logo নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সহযোগিতায় দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন: পুলিশের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo হাওরাঞ্চলের জীবনমান উন্নয়নে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে সরকার Logo পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo আমিরাত ও জাহাজে হামলা ‘অযৌক্তিক’: ইরানকে মাখোঁ Logo যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে ভোট শুরু, চাপের মুখে স্টারমারের লেবার পার্টি

স্কুলছাত্রীর ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছাড়ার হুমকি

প্রতিনিধির নাম :

ধামরাইয়ের আমতা ইউনিয়নের বাউখ- গ্রামে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী। এসময় ধর্ষণের দৃশ্য ভিডিও চিত্র ধারণ করে রাখে ধর্ষকরা। পরে ঘটনা প্রকাশ করলে ভিডিও চিত্র ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার হুমকিও দিয়েছে তারা। মঙ্গলবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। পরে মঙ্গলবার রাতেই জাহাঙ্গীর আলম নামে এক ধর্ষককে আটক করেছে ধামরাই থানা পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে যায় স্কুলছাত্রীটি। এসময় আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা পাঁচ বখাটে তার মুখ বেঁধে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যায়।

এরপর তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এসময় ধর্ষণের দৃশ্য তারা মোবাইল ফোনে ভিডিও করে রাখে। একপর্যায়ে স্কুলছাত্রীটি জ্ঞান হারালে অবস্থা বেগতিক বুঝতে পেরে বখাটেরা মেয়েটিকে ফেলে রেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এসময় শাহিনুর ইসলাম (১৭), হাবিবুর রহমান হাবু (১৬) আব্দুল হালিম (৪০) জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) ও দেলোয়ার হোসেনকে (৩৫) দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখে প্রত্যক্ষদর্শীদের সন্দেহ হলে তারা ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে গিয়ে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর ওই স্কুলছাত্রীর সংজ্ঞা ফিরলে সে ঘটনার বর্ণনা করে।
স্কুলছাত্রীটি জানায়, ধর্ষকরা ধর্ষণের ঘটনা ভিডিওচিত্র ধারণ করে বলেছে ‘এ ঘটনা কাউকে জানালে এটা ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়া হবে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছে ধর্ষিতার পরিবার। এ ব্যাপারে ধামরাইয়ের কাওয়ালীপাড়া বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, গণধর্ষণের ঘটনায় পাঁচ ধর্ষকের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম নামে এক ধর্ষককে গতকাল বুধবার ভোর রাতে আটক করা হয়েছে। অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে ধামরাই থানায় ধর্ষিতার মা বাদি হয়ে গতকাল বিকেলে একটি মামলা দায়ের করেছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ মে ২০১৮
৭ বার পঠিত হয়েছে

স্কুলছাত্রীর ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছাড়ার হুমকি

আপডেট এর সময় : ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ মে ২০১৮

ধামরাইয়ের আমতা ইউনিয়নের বাউখ- গ্রামে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী। এসময় ধর্ষণের দৃশ্য ভিডিও চিত্র ধারণ করে রাখে ধর্ষকরা। পরে ঘটনা প্রকাশ করলে ভিডিও চিত্র ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার হুমকিও দিয়েছে তারা। মঙ্গলবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। পরে মঙ্গলবার রাতেই জাহাঙ্গীর আলম নামে এক ধর্ষককে আটক করেছে ধামরাই থানা পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে যায় স্কুলছাত্রীটি। এসময় আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা পাঁচ বখাটে তার মুখ বেঁধে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যায়।

এরপর তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এসময় ধর্ষণের দৃশ্য তারা মোবাইল ফোনে ভিডিও করে রাখে। একপর্যায়ে স্কুলছাত্রীটি জ্ঞান হারালে অবস্থা বেগতিক বুঝতে পেরে বখাটেরা মেয়েটিকে ফেলে রেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এসময় শাহিনুর ইসলাম (১৭), হাবিবুর রহমান হাবু (১৬) আব্দুল হালিম (৪০) জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) ও দেলোয়ার হোসেনকে (৩৫) দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখে প্রত্যক্ষদর্শীদের সন্দেহ হলে তারা ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে গিয়ে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর ওই স্কুলছাত্রীর সংজ্ঞা ফিরলে সে ঘটনার বর্ণনা করে।
স্কুলছাত্রীটি জানায়, ধর্ষকরা ধর্ষণের ঘটনা ভিডিওচিত্র ধারণ করে বলেছে ‘এ ঘটনা কাউকে জানালে এটা ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়া হবে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছে ধর্ষিতার পরিবার। এ ব্যাপারে ধামরাইয়ের কাওয়ালীপাড়া বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, গণধর্ষণের ঘটনায় পাঁচ ধর্ষকের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম নামে এক ধর্ষককে গতকাল বুধবার ভোর রাতে আটক করা হয়েছে। অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে ধামরাই থানায় ধর্ষিতার মা বাদি হয়ে গতকাল বিকেলে একটি মামলা দায়ের করেছে।