ঢাকা , শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২৫ জুলাই পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন

প্রতিনিধির নাম :

আগামী ২৫ জুলাই পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশটির নির্বাচনী কর্মকর্তারা খবরটি নিশ্চিত করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট মামনুন হোসেইন ওই  তারিখে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছেন।

ধারণা করা হচ্ছে- আসন্ন এ নির্বাচনের মাধ্যমে পাকিস্তানে সরকার পরিবর্তন হবে। প্রধানমন্ত্রী শাহীদ খাকান আব্বাসির নেতৃত্বাধীন সরকারের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৩১ মে। একই দিন শেষ হবে চলমান জাতীয় সংসদের মেয়াদ। মেয়াদ শেষ হলেই পাকিস্তানের ক্ষমতা চলে যাবে অন্তর্বর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে। এ সরকারই নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠন হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে।

আসন্ন নির্বাচনে নওয়াজ শরীফের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ ও ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন বিরোধী তেহরিকে ইনসাফ দলের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে এল মনে করা হচ্ছে।

মুসলিম লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ হয়ে উঠবে বিরোধী দলগুলোর মূল অস্ত্র; অন্যদিকে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও চীন থেকে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ আনার ইস্যুটি নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান উপকরণ করতে পারে মুসলিম লীগ।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ মে ২০১৮
৪ বার পঠিত হয়েছে

২৫ জুলাই পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন

আপডেট এর সময় : ০১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ মে ২০১৮

আগামী ২৫ জুলাই পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশটির নির্বাচনী কর্মকর্তারা খবরটি নিশ্চিত করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট মামনুন হোসেইন ওই  তারিখে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছেন।

ধারণা করা হচ্ছে- আসন্ন এ নির্বাচনের মাধ্যমে পাকিস্তানে সরকার পরিবর্তন হবে। প্রধানমন্ত্রী শাহীদ খাকান আব্বাসির নেতৃত্বাধীন সরকারের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৩১ মে। একই দিন শেষ হবে চলমান জাতীয় সংসদের মেয়াদ। মেয়াদ শেষ হলেই পাকিস্তানের ক্ষমতা চলে যাবে অন্তর্বর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে। এ সরকারই নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠন হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে।

আসন্ন নির্বাচনে নওয়াজ শরীফের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ ও ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন বিরোধী তেহরিকে ইনসাফ দলের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে এল মনে করা হচ্ছে।

মুসলিম লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ হয়ে উঠবে বিরোধী দলগুলোর মূল অস্ত্র; অন্যদিকে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও চীন থেকে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ আনার ইস্যুটি নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান উপকরণ করতে পারে মুসলিম লীগ।