ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা

২৫ জুলাই পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন

প্রতিনিধির নাম :

আগামী ২৫ জুলাই পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশটির নির্বাচনী কর্মকর্তারা খবরটি নিশ্চিত করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট মামনুন হোসেইন ওই  তারিখে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছেন।

ধারণা করা হচ্ছে- আসন্ন এ নির্বাচনের মাধ্যমে পাকিস্তানে সরকার পরিবর্তন হবে। প্রধানমন্ত্রী শাহীদ খাকান আব্বাসির নেতৃত্বাধীন সরকারের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৩১ মে। একই দিন শেষ হবে চলমান জাতীয় সংসদের মেয়াদ। মেয়াদ শেষ হলেই পাকিস্তানের ক্ষমতা চলে যাবে অন্তর্বর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে। এ সরকারই নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠন হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে।

আসন্ন নির্বাচনে নওয়াজ শরীফের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ ও ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন বিরোধী তেহরিকে ইনসাফ দলের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে এল মনে করা হচ্ছে।

মুসলিম লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ হয়ে উঠবে বিরোধী দলগুলোর মূল অস্ত্র; অন্যদিকে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও চীন থেকে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ আনার ইস্যুটি নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান উপকরণ করতে পারে মুসলিম লীগ।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ মে ২০১৮
১১ বার পঠিত হয়েছে

২৫ জুলাই পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন

আপডেট এর সময় : ০১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ মে ২০১৮

আগামী ২৫ জুলাই পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশটির নির্বাচনী কর্মকর্তারা খবরটি নিশ্চিত করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট মামনুন হোসেইন ওই  তারিখে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছেন।

ধারণা করা হচ্ছে- আসন্ন এ নির্বাচনের মাধ্যমে পাকিস্তানে সরকার পরিবর্তন হবে। প্রধানমন্ত্রী শাহীদ খাকান আব্বাসির নেতৃত্বাধীন সরকারের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৩১ মে। একই দিন শেষ হবে চলমান জাতীয় সংসদের মেয়াদ। মেয়াদ শেষ হলেই পাকিস্তানের ক্ষমতা চলে যাবে অন্তর্বর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে। এ সরকারই নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠন হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে।

আসন্ন নির্বাচনে নওয়াজ শরীফের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ ও ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন বিরোধী তেহরিকে ইনসাফ দলের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে এল মনে করা হচ্ছে।

মুসলিম লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ হয়ে উঠবে বিরোধী দলগুলোর মূল অস্ত্র; অন্যদিকে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও চীন থেকে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ আনার ইস্যুটি নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান উপকরণ করতে পারে মুসলিম লীগ।