ঢাকা , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:

অর্থপাচারের অভিযোগে দুদকের জালে স্বামীসহ সাবেক হাইকমিশনার মুনা

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক: অর্থপাচারের অভিযোগে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম এবং তার স্বামী জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন লিমেটেডের চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১৬ জুন) দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

এই দম্পতির বিরুদ্ধে ১২টি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে আনুমানিক ২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ পরস্পর যোগসাজশে জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনসহ ১২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও নাম সর্বস্ব ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে আনুমানিক ২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার করেন।

মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন আরও বলেন, পাচারকারীদের সাথে সমঝোতা করে অর্থ ফেরানোর কোনো সুযোগ নেই। যুক্তরাজ্যের আদালত থেকে আনুমতি মিললে পাচার হওয়া সম্পদ দেশে ফেরানো সম্ভব।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
১০ বার পঠিত হয়েছে

অর্থপাচারের অভিযোগে দুদকের জালে স্বামীসহ সাবেক হাইকমিশনার মুনা

আপডেট এর সময় : ০৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক: অর্থপাচারের অভিযোগে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম এবং তার স্বামী জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন লিমেটেডের চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১৬ জুন) দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

এই দম্পতির বিরুদ্ধে ১২টি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে আনুমানিক ২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ পরস্পর যোগসাজশে জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনসহ ১২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও নাম সর্বস্ব ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে আনুমানিক ২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার করেন।

মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন আরও বলেন, পাচারকারীদের সাথে সমঝোতা করে অর্থ ফেরানোর কোনো সুযোগ নেই। যুক্তরাজ্যের আদালত থেকে আনুমতি মিললে পাচার হওয়া সম্পদ দেশে ফেরানো সম্ভব।