ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo স্পোর্টিং থেকে দিয়োমান্দেকে দলে ভিড়িয়েছে নটিংহ্যাম ফরেস্ট Logo কুষ্টিয়ায় ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ, আটক ১ Logo ভোরে সুদানের রাজধানীসহ উত্তরাঞ্চলের দুই শহরে ড্রোন হামলা Logo বাংলাদেশকে বৈশ্বিক হালাল হাব হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর Logo রাজনীতি নয়, মনেপ্রাণে ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কোকো : রিজভী Logo কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রূপান্তরের যুগে তরুণরাই সভ্যতার মূল শক্তি: তথ্যমন্ত্রী Logo টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বাংলাদেশ এইচপি দল ঘোষণা Logo সহিংসতার পর সিরিয়ায় বাস্তুচ্যুত কুর্দিদের নিজ শহরে ফেরার কার্যক্রম স্থগিত

আওয়ামী কর্মীদের পুনঃপ্রতিষ্ঠার দায়িত্বে গিয়াসের স্বপন

প্রতিনিধির নাম :

জানা গেছে, কুতুবপুরের দেলপাড়া, ভূইগড়, আদর্শনগর, গোলাপবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় যারা দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সংগঠনে যুক্ত ছিলেন তাদের নিয়েই এখন বড় বড় মিছিলে লোকসমাগম করে নিজের উপস্থিতির জানান দিচ্ছেন যুবদল নেতা ফয়সাল খান স্বপন। আর তাতেই দলের অভ্যন্তরে সমূহ সংঘাতের আশঙ্কা করছেন ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দেলপাড়া নিবাসী ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতা এই প্রতিবেদককে জানান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা
জুবায়ের ইমন ও কাউসার রিয়েলকে অর্থের বিনিময়ে এলাকায় থাকার ব্যবস্থাসহ বিএনপির হয়ে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছেন গিয়াস উদ্দিনের বিশ্বস্ত হাতিয়ার বলে পরিচয় দেওয়া স্বপন।

এছাড়াও ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড যুবদলের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বললে তারা জানায়, ফয়সাল খান স্বপন একজন কূটকৌশলী ও সুযোগসন্ধানী নেতা। সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন ও তার পরিবারের ক্ষমতার প্রভাবে বিগত সময়েও স্বপন ছিল সুবিধার পথে। গিয়াস উদ্দিনের সাথে ঘনিষ্ঠতা থাকায় থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মূলদল ও যুবদলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নিয়েছেন স্বপন। যদিও আন্দোলন সংগ্রামের কঠিন সময়ে রাজপথে দেখা মিলেনি তার। এখন এই স্বপনের দাপটে দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীরা কথা বলতে ভয় পায়। তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কেউ কথা বললে ওই ব্যক্তির বিপদ অনিবার্য। তাই স্বপন বরাবরই রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে দলের সিনিয়র নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ছাত্রদলের একাধিক নেতা বলেন, ছাত্রলীগের ছেলেদের নিয়ে মাঠ গরম করে রাখছে স্বপন ও ক্যাডার বাহিনী। সঠিক সময়ে দলের হাইকমান্ড এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে অচিরেই হয়ত দলের অভ্যন্তরে কোন্দলের সৃষ্টি হতে পারে।

এ বিষয়ে কথা বলতে স্বপনের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তাতে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
১৭ বার পঠিত হয়েছে

আওয়ামী কর্মীদের পুনঃপ্রতিষ্ঠার দায়িত্বে গিয়াসের স্বপন

আপডেট এর সময় : ০২:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫

জানা গেছে, কুতুবপুরের দেলপাড়া, ভূইগড়, আদর্শনগর, গোলাপবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় যারা দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সংগঠনে যুক্ত ছিলেন তাদের নিয়েই এখন বড় বড় মিছিলে লোকসমাগম করে নিজের উপস্থিতির জানান দিচ্ছেন যুবদল নেতা ফয়সাল খান স্বপন। আর তাতেই দলের অভ্যন্তরে সমূহ সংঘাতের আশঙ্কা করছেন ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দেলপাড়া নিবাসী ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতা এই প্রতিবেদককে জানান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা
জুবায়ের ইমন ও কাউসার রিয়েলকে অর্থের বিনিময়ে এলাকায় থাকার ব্যবস্থাসহ বিএনপির হয়ে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছেন গিয়াস উদ্দিনের বিশ্বস্ত হাতিয়ার বলে পরিচয় দেওয়া স্বপন।

এছাড়াও ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড যুবদলের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বললে তারা জানায়, ফয়সাল খান স্বপন একজন কূটকৌশলী ও সুযোগসন্ধানী নেতা। সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন ও তার পরিবারের ক্ষমতার প্রভাবে বিগত সময়েও স্বপন ছিল সুবিধার পথে। গিয়াস উদ্দিনের সাথে ঘনিষ্ঠতা থাকায় থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মূলদল ও যুবদলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নিয়েছেন স্বপন। যদিও আন্দোলন সংগ্রামের কঠিন সময়ে রাজপথে দেখা মিলেনি তার। এখন এই স্বপনের দাপটে দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীরা কথা বলতে ভয় পায়। তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কেউ কথা বললে ওই ব্যক্তির বিপদ অনিবার্য। তাই স্বপন বরাবরই রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে দলের সিনিয়র নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ছাত্রদলের একাধিক নেতা বলেন, ছাত্রলীগের ছেলেদের নিয়ে মাঠ গরম করে রাখছে স্বপন ও ক্যাডার বাহিনী। সঠিক সময়ে দলের হাইকমান্ড এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে অচিরেই হয়ত দলের অভ্যন্তরে কোন্দলের সৃষ্টি হতে পারে।

এ বিষয়ে কথা বলতে স্বপনের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তাতে সংযোগ পাওয়া যায়নি।