ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo টানা দ্বিতীয় দিনে আরেকটি ড্রোন ভূপাতিত করল রোমানিয়া Logo টাইফুন নউল চীনের দিকে ধেয়ে আসায় ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে Logo ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর Logo সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও

আকাশে সুপারমুন দেখা যাবে যেদিন

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:    সুপারমুনের সময় চাঁদ মূলত নিজের কক্ষপথে আবর্তনের সময় পৃথিবীর খুব কাছে চলে আসে, ফলে চাঁদকে বড় দেখায়। এই বছর পরপর তিনটি সুপারমুন বা আকারে বড় চাঁদ দেখার সুযোগ মিলবে। প্রথম সুপারমুন দেখা যাবে অক্টোবরে। ‘হার্ভেস্ট মুন’ নামে পরিচিত এই সুপারমুন ৬ অক্টোবর পূর্ণ অবস্থানে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে অক্টোবরের শুরুতে কয়েক রাত উজ্জ্বল চাঁদের আলো দেখা যাবে। এ সময়কে জ্যোতির্বিদ্যার ভাষায় শারদ বিষুব বলে। এ সময় সূর্য পৃথিবীর নিরক্ষরেখার ঠিক ওপরে থাকে বলে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয়।

সুপারমুনের সময় চাঁদ দিগন্তের কাছাকাছি আরও বড় আকারে দেখা যাবে। চাঁদের এ অবস্থাকে হার্ভেস্ট মুন বলে। এ সময় পূর্ণিমা হয়, যা উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল শুরুর কাছাকাছি সময়ে ঘটে থাকে। এ সময়ের মধ্যে পূর্ণ চাঁদ স্বাভাবিকের চেয়ে তাড়াতাড়ি উদিত হয়। ফলে পরপর কয়েক রাত এমন বড় চাঁদ দেখা যাবে, যা সন্ধ্যার সময় বেশি উজ্জ্বল হয়ে ওঠবে।

হার্ভেস্ট মুন বিভিন্ন কারণে গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যুৎ–ব্যবস্থা চালুর অনেক আগে কৃষকেরা সূর্যাস্তের পর কাজ করার জন্য চাঁদের আলোর ওপর নির্ভর করতেন। অতীতে বছরের এ সময়ে কৃষকেরা শীত আসার আগে ফসল সংগ্রহের জন্য সন্ধ্যার পরও কাজ করতেন। উজ্জ্বল হার্ভেস্ট মুন তখন কৃষকদের বাড়তি সময় আলো দিত।

বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে হার্ভেস্ট মুন শারদ বিষুবের কাছাকাছি সময়ে ঘটবে। আর তাই দক্ষিণ এশিয়ায় ৬ অক্টোবরের পাশাপাশি ৭ অক্টোবরও সুপারমুন দেখা দেখা যেতে পারে। এ সময় চাঁদ প্রায় দিগন্তের নিচে থাকে বলে সোনালি কমলার মতো দেখা যাবে। সুপারমুন দেখতে কোনো বিশেষ যন্ত্রের প্রয়োজন হবে না।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৮ বার পঠিত হয়েছে

আকাশে সুপারমুন দেখা যাবে যেদিন

আপডেট এর সময় : ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:    সুপারমুনের সময় চাঁদ মূলত নিজের কক্ষপথে আবর্তনের সময় পৃথিবীর খুব কাছে চলে আসে, ফলে চাঁদকে বড় দেখায়। এই বছর পরপর তিনটি সুপারমুন বা আকারে বড় চাঁদ দেখার সুযোগ মিলবে। প্রথম সুপারমুন দেখা যাবে অক্টোবরে। ‘হার্ভেস্ট মুন’ নামে পরিচিত এই সুপারমুন ৬ অক্টোবর পূর্ণ অবস্থানে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে অক্টোবরের শুরুতে কয়েক রাত উজ্জ্বল চাঁদের আলো দেখা যাবে। এ সময়কে জ্যোতির্বিদ্যার ভাষায় শারদ বিষুব বলে। এ সময় সূর্য পৃথিবীর নিরক্ষরেখার ঠিক ওপরে থাকে বলে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয়।

সুপারমুনের সময় চাঁদ দিগন্তের কাছাকাছি আরও বড় আকারে দেখা যাবে। চাঁদের এ অবস্থাকে হার্ভেস্ট মুন বলে। এ সময় পূর্ণিমা হয়, যা উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল শুরুর কাছাকাছি সময়ে ঘটে থাকে। এ সময়ের মধ্যে পূর্ণ চাঁদ স্বাভাবিকের চেয়ে তাড়াতাড়ি উদিত হয়। ফলে পরপর কয়েক রাত এমন বড় চাঁদ দেখা যাবে, যা সন্ধ্যার সময় বেশি উজ্জ্বল হয়ে ওঠবে।

হার্ভেস্ট মুন বিভিন্ন কারণে গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যুৎ–ব্যবস্থা চালুর অনেক আগে কৃষকেরা সূর্যাস্তের পর কাজ করার জন্য চাঁদের আলোর ওপর নির্ভর করতেন। অতীতে বছরের এ সময়ে কৃষকেরা শীত আসার আগে ফসল সংগ্রহের জন্য সন্ধ্যার পরও কাজ করতেন। উজ্জ্বল হার্ভেস্ট মুন তখন কৃষকদের বাড়তি সময় আলো দিত।

বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে হার্ভেস্ট মুন শারদ বিষুবের কাছাকাছি সময়ে ঘটবে। আর তাই দক্ষিণ এশিয়ায় ৬ অক্টোবরের পাশাপাশি ৭ অক্টোবরও সুপারমুন দেখা দেখা যেতে পারে। এ সময় চাঁদ প্রায় দিগন্তের নিচে থাকে বলে সোনালি কমলার মতো দেখা যাবে। সুপারমুন দেখতে কোনো বিশেষ যন্ত্রের প্রয়োজন হবে না।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস