ঢাকা , সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo মাদক সেবনের দায়ে শাহরাস্তিতে যুবকের কারাদণ্ড Logo ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের ধোঁয়ায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসায় ভর্তুকি, মালয়েশিয়ায় স্কুল বন্ধ Logo নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী Logo বিভিন্ন খাতে কানাডার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo ইমরান সমর্থকদের বিক্ষোভ ও সহিংসতার জেরে খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি শাসন Logo উন্নয়ন প্রকল্পে জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা সঠিকভাবে ব্যয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে প্রণয়ন হচ্ছে জাতীয় বন্দর কৌশল: নৌপরিবহনমন্ত্রী Logo জাপানের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মারুবেনি কর্পোরেশন বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ Logo কুমিল্লা-৬ আসনের অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে মনিরুল হক চৌধুরীর মতবিনিময় Logo ফেনীতে পৃথক অভিযানে ৩৯ কেজি গাঁজা, ইয়াবা ও ইস্কাপসহ আটক ৪

আফগানিস্তানে তিনটা হাইপারফরম্যান্স সেন্টার !

প্রতিনিধির নাম :

খেলাধুলা ডেস্ক:  আফগানিস্তানে তিনটা হাইপারফরম্যান্স সেন্টার আছে। কাবুল, কান্দাহার আর জালালাবাদে। আইসিসির তরফ থেকে এই এইচপি সেন্টারের ডেভেলপমেন্ট প্ল্যানটা করেছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

বাংলাদেশে হাইপারফরম্যান্স সেন্টার? একটাও নাই। বিসিবি একাডেমি নামে পরিচিত একটা হোস্টেল আছে বৈকি!

আফগানিস্তানে বছরে ৭টা ওয়ানডের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট হয়। হ্যাঁ, ভুল শোনেন নাই, ৭ টা। ৬টা সিনিয়র পর্যায়ে, একটা অনূর্ধ্ব ১৯। আমাদের হয় শুধু ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ।

এখানে একটা মজার ব্যাপার আছে। আমাদের ক্রিকেট ঢাকার ক্লাবকেন্দ্রিক। আফগানিস্তানের ক্রিকেট ৩২টা প্রদেশকেন্দ্রিক। যেই ৩২টা প্রদেশ মূলত ৫টা অঞ্চলে বিভক্ত। ২০২৩ সালে আরও দুটো অঞ্চল বাড়ানো হয়েছে। আর ক্লাব ক্রিকেটের কথা বলবো? তাদের ক্লাব ক্রিকেটে ৫৩৮টা ক্লাব ও ৮০০০ ক্রিকেটার নিবন্ধন করেছিল শুধু ২০২২ সালে। ক্লাব ক্রিকেট সেখানে ডেভেলপমেন্টের একটা অংশ মাত্র।

আফগানিস্তানে ৩২টা প্রদেশে ৩২টা খেলার মাঠ আছে পিচ এবং আউটফিল্ড সম্বলিত। সেই সাথে আছে ৭টা অঞ্চলে ৭টা স্টেডিয়াম। এই স্টেডিয়ামগুলো তৈরি করে দিয়েছে ভারত, ইউএসএআইডি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের কিছু কোম্পানি।

বিষয়টা স্টেডিয়ামে না; বিষয়টা ওই ৩২টা ক্রিকেট মাঠে। তারা ৩২টা স্টেডিয়াম বানায়নি, বানিয়েছে ৩২টা মাঠ। যেখানে ভালো পিচ আর আউটফিল্ড থাকবে। আমাদের দেশে আমরা বানাতে চাই স্টেডিয়াম, যাতে বরাদ্দকৃত দোকানের ব্যবসা জমে। এতে স্টেডিয়াম তৈরিতে সময় লাগে ৩-৪ বছর। ওরা এটা করেনি। ৭টা জোনে ৭টা স্টেডিয়াম করেছে। কিন্তু প্রদেশে-প্রদেশে করেছে মাঠ। এই মাঠগুলোতে প্রতিটা প্রদেশের ৩ ফরম্যাটের আলাদা লিগ চলে। প্রতি প্রদেশের জয়ী ২ দল উঠে যায় জোনাল কম্পিটিশনে। এভাবে ৭টা ওয়ানডে, ২টা টেস্ট, ৩টা টি-২০ কম্পিটিশন হয় বছরে।

যদি ভেবে থাকেন রশিদ খান, নবীরাই শুধু এগুলোর অংশীদার, তাহলে ভুল। রশিদ খানরা আফগানিস্তানে থাকেনই না। তাদের রাখা হয় দুবাইতে। টপ টায়ারের ২৪ ক্রিকেটারকে সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা দিয়ে দুবাইতে আবাসনের ব্যবস্থা করে দেয়া আছে। এতো আয়োজনের কথা বললাম সেগুলো রশিদ খানদের জন্য নয়। একদম তৃণমূলের ক্রিকেটারদের জন্য। একারণেই তাদের ৩য় জেনারেশনে গাজানফার, নুরদের মতো ক্রিকেটার উঠে আসছে। সামনে আরও আসবে।

ওদের বেতনের সিস্টেম বলি। ওদের বেতন পেতে গেলে ১০০ পয়েন্ট পেতে হয়। সেই ১০০ পয়েন্টের মধ্যে ডিসিপ্লিন, ডেডিকেশন, স্কিল আপগ্রেডেশনসহ কিছু পেরিমিটার সেট করা।

আফগানদের হাইপারফরম্যান্স সেন্টারের ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান আমাদের আমিনুল ইসলাম বুলবুল ভাই-এর করা। হ্যাঁ, আমাদের বুলবুল ভাই-এর। এই আইডিয়াগুলো কি তার কাছ থেকে আমরা কখনও সম্মানের সাথে জানতে চেয়েছি?

সূত্র: যমুনা টিভি

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
১৯ বার পঠিত হয়েছে

আফগানিস্তানে তিনটা হাইপারফরম্যান্স সেন্টার !

আপডেট এর সময় : ০১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

খেলাধুলা ডেস্ক:  আফগানিস্তানে তিনটা হাইপারফরম্যান্স সেন্টার আছে। কাবুল, কান্দাহার আর জালালাবাদে। আইসিসির তরফ থেকে এই এইচপি সেন্টারের ডেভেলপমেন্ট প্ল্যানটা করেছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

বাংলাদেশে হাইপারফরম্যান্স সেন্টার? একটাও নাই। বিসিবি একাডেমি নামে পরিচিত একটা হোস্টেল আছে বৈকি!

আফগানিস্তানে বছরে ৭টা ওয়ানডের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট হয়। হ্যাঁ, ভুল শোনেন নাই, ৭ টা। ৬টা সিনিয়র পর্যায়ে, একটা অনূর্ধ্ব ১৯। আমাদের হয় শুধু ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ।

এখানে একটা মজার ব্যাপার আছে। আমাদের ক্রিকেট ঢাকার ক্লাবকেন্দ্রিক। আফগানিস্তানের ক্রিকেট ৩২টা প্রদেশকেন্দ্রিক। যেই ৩২টা প্রদেশ মূলত ৫টা অঞ্চলে বিভক্ত। ২০২৩ সালে আরও দুটো অঞ্চল বাড়ানো হয়েছে। আর ক্লাব ক্রিকেটের কথা বলবো? তাদের ক্লাব ক্রিকেটে ৫৩৮টা ক্লাব ও ৮০০০ ক্রিকেটার নিবন্ধন করেছিল শুধু ২০২২ সালে। ক্লাব ক্রিকেট সেখানে ডেভেলপমেন্টের একটা অংশ মাত্র।

আফগানিস্তানে ৩২টা প্রদেশে ৩২টা খেলার মাঠ আছে পিচ এবং আউটফিল্ড সম্বলিত। সেই সাথে আছে ৭টা অঞ্চলে ৭টা স্টেডিয়াম। এই স্টেডিয়ামগুলো তৈরি করে দিয়েছে ভারত, ইউএসএআইডি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের কিছু কোম্পানি।

বিষয়টা স্টেডিয়ামে না; বিষয়টা ওই ৩২টা ক্রিকেট মাঠে। তারা ৩২টা স্টেডিয়াম বানায়নি, বানিয়েছে ৩২টা মাঠ। যেখানে ভালো পিচ আর আউটফিল্ড থাকবে। আমাদের দেশে আমরা বানাতে চাই স্টেডিয়াম, যাতে বরাদ্দকৃত দোকানের ব্যবসা জমে। এতে স্টেডিয়াম তৈরিতে সময় লাগে ৩-৪ বছর। ওরা এটা করেনি। ৭টা জোনে ৭টা স্টেডিয়াম করেছে। কিন্তু প্রদেশে-প্রদেশে করেছে মাঠ। এই মাঠগুলোতে প্রতিটা প্রদেশের ৩ ফরম্যাটের আলাদা লিগ চলে। প্রতি প্রদেশের জয়ী ২ দল উঠে যায় জোনাল কম্পিটিশনে। এভাবে ৭টা ওয়ানডে, ২টা টেস্ট, ৩টা টি-২০ কম্পিটিশন হয় বছরে।

যদি ভেবে থাকেন রশিদ খান, নবীরাই শুধু এগুলোর অংশীদার, তাহলে ভুল। রশিদ খানরা আফগানিস্তানে থাকেনই না। তাদের রাখা হয় দুবাইতে। টপ টায়ারের ২৪ ক্রিকেটারকে সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা দিয়ে দুবাইতে আবাসনের ব্যবস্থা করে দেয়া আছে। এতো আয়োজনের কথা বললাম সেগুলো রশিদ খানদের জন্য নয়। একদম তৃণমূলের ক্রিকেটারদের জন্য। একারণেই তাদের ৩য় জেনারেশনে গাজানফার, নুরদের মতো ক্রিকেটার উঠে আসছে। সামনে আরও আসবে।

ওদের বেতনের সিস্টেম বলি। ওদের বেতন পেতে গেলে ১০০ পয়েন্ট পেতে হয়। সেই ১০০ পয়েন্টের মধ্যে ডিসিপ্লিন, ডেডিকেশন, স্কিল আপগ্রেডেশনসহ কিছু পেরিমিটার সেট করা।

আফগানদের হাইপারফরম্যান্স সেন্টারের ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান আমাদের আমিনুল ইসলাম বুলবুল ভাই-এর করা। হ্যাঁ, আমাদের বুলবুল ভাই-এর। এই আইডিয়াগুলো কি তার কাছ থেকে আমরা কখনও সম্মানের সাথে জানতে চেয়েছি?

সূত্র: যমুনা টিভি