ঢাকা , সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo লালমনিরহাটে ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ও ইস্কাপ সিরাপ জব্দ Logo ইরানে খামেনির জানাজা, শেষ শ্রদ্ধায় উপচে পড়া ভিড় Logo পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত প্রধানমন্ত্রীর Logo কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর Logo নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo কৃষিকে সমৃদ্ধ করছে সরকার: সফিকুর রহমান কিরণ এমপি Logo কমিউনিস্ট আদর্শ আমেরিকার মূল্যবোধ, স্বাধীনতা ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক : ট্রাম্প Logo ইমাম খামেনির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পিকারের অংশগ্রহণ Logo জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণীয় করে রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী Logo জামাইকে স্বর্ণের আংটি উপহার দেওয়া কি জায়েজ

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের রায় যেকোনো দিন

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:     বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করা হবে।

উভয় পক্ষের শুনানি ও যুক্তি উপস্থাপন শেষে আজ মঙ্গলবার বিচারিক প্যানেলের সদস্য মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখে আদেশ দেন।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে যুক্তি উপস্থাপন (আর্গুমেন্ট) করে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাওয়া হয়। অন্যদিকে, আসামীদের খালাস চেয়েছেন তাদের আইনজীবীরা।

এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামীম। অন্যদিকে, বেরোবির তৎকালীন প্রক্টর শরিফুল ইসলামের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আমিনুল গণি টিটো এবং পলাতক আসামিদের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সুজাদ মিয়া।

এ মামলায় গত ৩০ জুন বেরোবির তৎকালীন ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ৩০ জন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। বিচারিক প্রক্রিয়ায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

মামলার ৩০ জন আসামির মধ্যে বর্তমানে ৬ জন গ্রেফতার রয়েছেন। তারা হলেন- সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী মো. আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই দুপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ। দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দেওয়া সাঈদের সেই ভিডিওটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে গণঅভ্যুত্থানে রূপ দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। বর্তমানে জুলাই-আগস্টের সেই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার কাজ দু’টি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান রয়েছে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
৬ বার পঠিত হয়েছে

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের রায় যেকোনো দিন

আপডেট এর সময় : ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক:     বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করা হবে।

উভয় পক্ষের শুনানি ও যুক্তি উপস্থাপন শেষে আজ মঙ্গলবার বিচারিক প্যানেলের সদস্য মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখে আদেশ দেন।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে যুক্তি উপস্থাপন (আর্গুমেন্ট) করে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাওয়া হয়। অন্যদিকে, আসামীদের খালাস চেয়েছেন তাদের আইনজীবীরা।

এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামীম। অন্যদিকে, বেরোবির তৎকালীন প্রক্টর শরিফুল ইসলামের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আমিনুল গণি টিটো এবং পলাতক আসামিদের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সুজাদ মিয়া।

এ মামলায় গত ৩০ জুন বেরোবির তৎকালীন ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ৩০ জন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। বিচারিক প্রক্রিয়ায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

মামলার ৩০ জন আসামির মধ্যে বর্তমানে ৬ জন গ্রেফতার রয়েছেন। তারা হলেন- সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী মো. আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই দুপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ। দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দেওয়া সাঈদের সেই ভিডিওটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে গণঅভ্যুত্থানে রূপ দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। বর্তমানে জুলাই-আগস্টের সেই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার কাজ দু’টি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান রয়েছে।