
রাজধানীর সবুজবাগের বাসাবস্থ ছায়াবীথি জামে মসজিদে এক আধ্যাত্মিক ও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে বয়স্ক শিক্ষার্থীদের পবিত্র কুরআনের সবক প্রদান ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর যারা আজ আল্লাহর কালাম পাঠের সৌভাগ্য অর্জন করেছেন, তাদের সম্মাননা ও উৎসাহ দিতেই এই বিশেষ আয়োজন।
কুরআন মাজীদের সবক গ্রহণকারী শিক্ষার্থীবৃন্দ:পবিত্র কুরআন শুদ্ধভাবে পাঠের দীক্ষা নিয়ে আজ যারা নতুনভাবে পথচলা শুরু করলেন, তারা হলেন:১. মোঃ তৌহিদ আলী, ২. সামছুদ্দোহা হারুন, ৩. দুলাল আহমাদ, ৪. মোঃ মনির হোসেন, ৫. মোঃ নজরুল ইসলাম, ৬. মাসুদুর রহমান, ৭. সাব্বির আহমদ, ৮. আনোয়ার হোসেন, ৯. দেলোয়ার হোসেন খান, ১০. ফোরকান আহমদ, ১১. মীর নিছার আলী, ১২. এ.কে.এম নুরুল ইসলাম, ১৩. মোঃ আবু বকর, ১৪. মোঃ হেমায়েত হোসেন, ১৫. রোকনুজ্জামান, ১৬. শাহ্ আনছার আলী, ১৭. মোঃ জাকির হোসেন, ১৮. মোঃ মনির, ১৯. মোঃ রফিকুল ইসলাম, ২০. শহীদুল আলম খান, ২১. সুমন হোসেন, ২২. এটিএম মহিউদ্দিন, ২৩. মোঃ আনিসুল হক, ২৪. খোঃ ওমর ফারুক, ২৫. আমিনুল হক, ২৬. নুরুল ইসলাম, ২৭. খোকন সরকার খোকন, ২৮. ফিরুজ আহমাদ এবং ২৯. আজিজুল হোক।
বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণ:অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও ইবাদতের প্রতি নিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
ক্লাসে সর্বোচ্চ উপস্থিতির জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন: ১. মোঃ মাসুদুর রহমান, ২. মোঃ সাব্বীর আহমাদ, ৩. মোঃ আনোয়ার হোসেন, ৪. মোঃ আবুবকর এবং ৫. মোঃ রফিকুল ইসলাম।
তাকবীরে উলার অনন্য সম্মাননা: একটানা ৪০ দিন জামাতের সাথে ‘তাকবীরে উলা’র সহিত সালাত আদায় করে বিশেষ পুরস্কারের গৌরব অর্জন করেছেন:১. মোঃ জহিরুল ইসলাম এবং ২. মোঃ জসিম আহমাদ।
মাহফিলের সমাপনী: অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে উপস্থিত ওলামায়ে কেরাম ও মুসল্লিগণ শিক্ষার্থীদের এই মহৎ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। বক্তারা বলেন, কুরআন শেখার কোনো বয়স নেই; ইচ্ছাশক্তি থাকলে যেকোনো বয়সেই আল্লাহর নৈকট্য লাভ সম্ভব। পরিশেষে, শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।