ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা

ইন্টার মায়ামির অনেক খেলোয়াড়ের চেয়েও বেশি পারিশ্রমিক মেসির দেহরক্ষীর

প্রতিনিধির নাম :

খেলাধুলা ডেস্ক: লিওনেল মেসির নিরাপত্তার পেছনে বছরে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয় করছে মার্কিন ফুটবল ক্লাব ইন্টার মায়ামি। কেবলমাত্র মেসির ব্যক্তিগত দেহরক্ষী ইয়াসিন চিউকো’র জন্যই ৩ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করছে ক্লাবটি। যে কারণে ইন্টার মায়ামির সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া কর্মচারিতে পরিণত হয়েছেন এই বডিগার্ড। দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কড়া নিয়ম পালনের জন্য আলাদা পরিচিতি লাভ করেছেন চিউকো।

মূলত, এলএম টেনের ছায়াসঙ্গী হিসেবে এরই মধ্যে পরিচিতি পেয়েছেন চিউকো। মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) দল ইন্টার মায়ামিতে মেসির ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে সকলের নজরে আসেন সাবেক এই নেভি সিলের সদস্য।

যেখানে কোন বিপদ কিংবা অস্বাভাবিক কিছু টের পান সেখানেই যেন উপস্থিত চিউকো। মেসির নিরপত্তায় যেকোনো পরিস্থিতিতেই হাজির তিনি। পেশাদারিত্বের জন্য রয়েছে বেশ নাম-ডাক। দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কড়া নিয়ম পালনের জন্য পরিচিত নেভি সিলের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এই ব্যক্তি।

ইয়াসিন চিউকোর মায়ামিতে আসার পেছনে রয়েছে এক বিশেষ গল্প। ক্লাবটির সভাপতি ডেভিড বেকহ্যাম নিজেই তাকে ইউরোপ থেকে নিয়ে আসেন যুক্তরাষ্ট্রে। মেসি ইউরোপে খেলার সময়েই চিউকো’র সাথে পরিচয় ছিল সাবেক এই ইংলিশ ফুটবলারের। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেডিয়ামগুলোতে সম্ভাব্য ঝুকি মোকাবিলায় চিউকো’কে যোগ্য মনে করেন তিনি।

মেসির নিরাপত্তার জন্য চিউকোর বেতন বার্ষিক ৩০ মিলিয়ন পাউন্ড। বাংলাদেশি মুদ্রায় যে পরিমাণ প্রায় ৪৯ কোটি টাকারও বেশি। এই আকাশছোঁয়া পারিশ্রমিক তাকে সবচেয়ে বেশি বেতন পাওয়া কর্মচারিতে পরিণত করেছে। সেই সাথে আয়ের দিক থেকে ক্লাবের অনেক ফুটবলারকেও ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।

চিউকোর কাছে ভক্তের পরিচয় কিংবা বয়স কোনোটিই মূখ্য নয় চিউকোর কাছে। কেউ যদি অনুমতি ছাড়া মেসির কাছাকাছি পৌঁছানোর চেষ্টা করে, তখন দক্ষতার সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এই দেহরক্ষী।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
২৩ বার পঠিত হয়েছে

ইন্টার মায়ামির অনেক খেলোয়াড়ের চেয়েও বেশি পারিশ্রমিক মেসির দেহরক্ষীর

আপডেট এর সময় : ০১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

খেলাধুলা ডেস্ক: লিওনেল মেসির নিরাপত্তার পেছনে বছরে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয় করছে মার্কিন ফুটবল ক্লাব ইন্টার মায়ামি। কেবলমাত্র মেসির ব্যক্তিগত দেহরক্ষী ইয়াসিন চিউকো’র জন্যই ৩ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করছে ক্লাবটি। যে কারণে ইন্টার মায়ামির সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া কর্মচারিতে পরিণত হয়েছেন এই বডিগার্ড। দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কড়া নিয়ম পালনের জন্য আলাদা পরিচিতি লাভ করেছেন চিউকো।

মূলত, এলএম টেনের ছায়াসঙ্গী হিসেবে এরই মধ্যে পরিচিতি পেয়েছেন চিউকো। মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) দল ইন্টার মায়ামিতে মেসির ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে সকলের নজরে আসেন সাবেক এই নেভি সিলের সদস্য।

যেখানে কোন বিপদ কিংবা অস্বাভাবিক কিছু টের পান সেখানেই যেন উপস্থিত চিউকো। মেসির নিরপত্তায় যেকোনো পরিস্থিতিতেই হাজির তিনি। পেশাদারিত্বের জন্য রয়েছে বেশ নাম-ডাক। দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কড়া নিয়ম পালনের জন্য পরিচিত নেভি সিলের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এই ব্যক্তি।

ইয়াসিন চিউকোর মায়ামিতে আসার পেছনে রয়েছে এক বিশেষ গল্প। ক্লাবটির সভাপতি ডেভিড বেকহ্যাম নিজেই তাকে ইউরোপ থেকে নিয়ে আসেন যুক্তরাষ্ট্রে। মেসি ইউরোপে খেলার সময়েই চিউকো’র সাথে পরিচয় ছিল সাবেক এই ইংলিশ ফুটবলারের। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেডিয়ামগুলোতে সম্ভাব্য ঝুকি মোকাবিলায় চিউকো’কে যোগ্য মনে করেন তিনি।

মেসির নিরাপত্তার জন্য চিউকোর বেতন বার্ষিক ৩০ মিলিয়ন পাউন্ড। বাংলাদেশি মুদ্রায় যে পরিমাণ প্রায় ৪৯ কোটি টাকারও বেশি। এই আকাশছোঁয়া পারিশ্রমিক তাকে সবচেয়ে বেশি বেতন পাওয়া কর্মচারিতে পরিণত করেছে। সেই সাথে আয়ের দিক থেকে ক্লাবের অনেক ফুটবলারকেও ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।

চিউকোর কাছে ভক্তের পরিচয় কিংবা বয়স কোনোটিই মূখ্য নয় চিউকোর কাছে। কেউ যদি অনুমতি ছাড়া মেসির কাছাকাছি পৌঁছানোর চেষ্টা করে, তখন দক্ষতার সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এই দেহরক্ষী।