ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা Logo চিলিতে ভারী বৃষ্টিতে ১০ জনের মৃত্যু, জরুরি অবস্থা ঘোষণা Logo সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা Logo ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের Logo আগামী এক বছরে ২০ লাখ মামলা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে: আইনমন্ত্রী Logo মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের উত্তেজনায় এক মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে তেলের দাম

ইসরাইলি পার্লামেন্টে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ডের বিল অনুমোদন

প্রতিনিধির নাম :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:     ইসরাইলি পার্লামেন্ট (নেসেট) ফার্স্ট রিডিংয়ে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমতি সংক্রান্ত একটি বিল অনুমোদন করেছে। ইসরাইলি সম্প্রচার কর্তৃপক্ষ (কেএএন) এ তথ্য জানিয়েছে।

কেএএন আরও জনিয়েছে,সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত ওই ভোটে ১২০ সদস্যের মধ্যে ৩৯ জন পক্ষে এবং ১৬ জন বিপক্ষে ভোট দেন।অধিবেশনের সময় আরব আইনপ্রণেতা আয়মান ওদেহ ও কট্টর-ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের মধ্যে তীব্র বাক-বিতণ্ডা হয়, যা প্রায় হাতাহাতিতে রূপ নিতে নিতে থেমে যায়। বেন-গভিরের নেতৃত্বাধীন কট্টর-ডানপন্থি ‘জিউইশ পাওয়ার” পার্টি এই আইনটি প্রস্তাব করে। ভোটে আনার আগে বিলটি নেসেটের বিভিন্ন কমিটিতে পাঠানো হয় দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাঠের প্রস্তুতির জন্য।

খসড়া আইনে বলা হয়েছে, ‘যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বা বেপরোয়া আচরণের মাধ্যমে ইসরাইলি নাগরিককে হত্যা করে— যদি তা বর্ণবিদ্বেষ, ঘৃণা বা ইসরাইলকে ক্ষতি করার উদ্দেশ্য থেকে হয়ে থাকে— তাহলে তার শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড।’  আর একবার শাস্তি ঘোষিত হলে তা হ্রাস করার কোনো সুযোগ থাকবে না।বেন-গভির ভোটের পর মার্কিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আনন্দ প্রকাশ করে লেখেন, ‘জিউইশ পাওয়ার ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম এবং তা পূরণ করেছি। সন্ত্রাসীদের মৃত্যুদণ্ডের আইন ফার্স্ট রিডিংয়ে পাশ হয়েছে।’

মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে বেন-গভিরের এই উদ্যোগের নিন্দা জানিয়ে আসছে। তাদের মতে, এই আইনটি মূলত ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে তৈরি এবং এটি ইসরাইলি শাসনব্যবস্থার বৈষম্যকে আরও গভীর করবে।

ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে নারী ও শিশুসহ ১০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি ইসরাইলি কারাগারে বন্দী আছেন। বন্দিরা সেখানে নির্যাতন, অনাহার ও চিকিৎসা-অবহেলার শিকার হচ্ছেন, যার ফলে অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
৭ বার পঠিত হয়েছে

ইসরাইলি পার্লামেন্টে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ডের বিল অনুমোদন

আপডেট এর সময় : ০৬:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:     ইসরাইলি পার্লামেন্ট (নেসেট) ফার্স্ট রিডিংয়ে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমতি সংক্রান্ত একটি বিল অনুমোদন করেছে। ইসরাইলি সম্প্রচার কর্তৃপক্ষ (কেএএন) এ তথ্য জানিয়েছে।

কেএএন আরও জনিয়েছে,সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত ওই ভোটে ১২০ সদস্যের মধ্যে ৩৯ জন পক্ষে এবং ১৬ জন বিপক্ষে ভোট দেন।অধিবেশনের সময় আরব আইনপ্রণেতা আয়মান ওদেহ ও কট্টর-ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের মধ্যে তীব্র বাক-বিতণ্ডা হয়, যা প্রায় হাতাহাতিতে রূপ নিতে নিতে থেমে যায়। বেন-গভিরের নেতৃত্বাধীন কট্টর-ডানপন্থি ‘জিউইশ পাওয়ার” পার্টি এই আইনটি প্রস্তাব করে। ভোটে আনার আগে বিলটি নেসেটের বিভিন্ন কমিটিতে পাঠানো হয় দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাঠের প্রস্তুতির জন্য।

খসড়া আইনে বলা হয়েছে, ‘যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বা বেপরোয়া আচরণের মাধ্যমে ইসরাইলি নাগরিককে হত্যা করে— যদি তা বর্ণবিদ্বেষ, ঘৃণা বা ইসরাইলকে ক্ষতি করার উদ্দেশ্য থেকে হয়ে থাকে— তাহলে তার শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড।’  আর একবার শাস্তি ঘোষিত হলে তা হ্রাস করার কোনো সুযোগ থাকবে না।বেন-গভির ভোটের পর মার্কিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আনন্দ প্রকাশ করে লেখেন, ‘জিউইশ পাওয়ার ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম এবং তা পূরণ করেছি। সন্ত্রাসীদের মৃত্যুদণ্ডের আইন ফার্স্ট রিডিংয়ে পাশ হয়েছে।’

মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে বেন-গভিরের এই উদ্যোগের নিন্দা জানিয়ে আসছে। তাদের মতে, এই আইনটি মূলত ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে তৈরি এবং এটি ইসরাইলি শাসনব্যবস্থার বৈষম্যকে আরও গভীর করবে।

ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে নারী ও শিশুসহ ১০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি ইসরাইলি কারাগারে বন্দী আছেন। বন্দিরা সেখানে নির্যাতন, অনাহার ও চিকিৎসা-অবহেলার শিকার হচ্ছেন, যার ফলে অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন।