ঢাকা , সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo লালমনিরহাটে ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ও ইস্কাপ সিরাপ জব্দ Logo ইরানে খামেনির জানাজা, শেষ শ্রদ্ধায় উপচে পড়া ভিড় Logo পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত প্রধানমন্ত্রীর Logo কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর Logo নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo কৃষিকে সমৃদ্ধ করছে সরকার: সফিকুর রহমান কিরণ এমপি Logo কমিউনিস্ট আদর্শ আমেরিকার মূল্যবোধ, স্বাধীনতা ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক : ট্রাম্প Logo ইমাম খামেনির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পিকারের অংশগ্রহণ Logo জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণীয় করে রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী Logo জামাইকে স্বর্ণের আংটি উপহার দেওয়া কি জায়েজ

উলিপুরে আজ হাতিয়া গনহত্যা দিবস

প্রতিনিধির নাম :

মো রাজিব তালুকদার (০১৭৭৫৪০৩২৬৪) :আজ ১৩ নভেম্বর হাতিয়া গনহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার আল বদরের সহযোগিতায় ”মুক্তাঞ্চল” হাতিয়া ও বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামের ৭ শত নারী পুরুষ ও শিশুদের দাগারকুঠি বধ্যভুমিতে জড়ো করে পাখির মত গুলি করে ও বেনেট দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে হত্যা করে। ধর্ষন করে শত শত নারীকে। ফিরে যাওয়ার সময় জ¦ালিয়ে দেয় গ্রামের পর গ্রাম।
ওই দিন পাক হানাদার বাহিনীর নির্যাতন ও নৃশংসতা প্রতিরোধ করতে গিয়ে শহীদ হন মুক্তিযোদ্ধা গোলজার হোসেন, নওয়াব আলী,আবুল কাশেম কাচুঁ,দেলওয়ার হোসেন,আবু বক্কর সিদ্দিক ও হিতেন্দ্র নাথ নামের ৬ মুক্তিযোদ্ধা।
সে দিন হানাদার বাহিনীর গুলিবিদ্ধ হয়ে বেচেঁ যাওয়া অনন্তপুর গ্রামের শহীদ পরিবারের বাবর আলী (৮৯) জানান,সেদিন ছিল ১৩ নভেম্বর, ২৩ রমজান। শেষ রাতের সেহেরীর ভাত খেয়ে মানুষ ঘুমিয়ে পড়ে। সেই ঘুমন্ত মানুষের উপর হানাদার বাহিনী বরবর হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে ৭ শত মানুষ হত্যা করে। দেশ স্বাধীন হয়েছে ৪৭ বছর। কিন্তু শহীদদের স্বরনে একটি সৃস্তিস্তম্ভ নির্মান করা হয়েছে মাত্র। কিন্তু শহীদদের তালিকা ও শহীদ পরিবারের সহায়তা বা স্বীকৃতি দেয়া হয় নাই। এ সমস্থ শহীদ পরিবারের অনেকে ভিক্ষাবৃত্তি করে দিন যাপন করছে। তাছাড়া রংপুর বিভাগের বদ্ধভুমির তালিকায় হাতিয়া দাগারকুঠি বদ্ধভুমির নাম না থাকায় ক্ষোভ ও ঘৃনা প্রকাশ করেন।
হাতিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বি এম আবুল হোসেন জানান,শহীদ পরিবারের তালিকা প্রনয়ন সহ তাদের স্বীকৃতি দাবী করেন বলেন এ পরিবার গুলোকে পুর্নবাসন করা প্রয়োজন।
এদিকে দিনটি পালনে দি বেষ্ট সামাজিক সংগঠন ও সু-শাসনের জন্য নাগরিক,সুজন উলিপুর শাখা সৃস্তিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পন,র‌্যালী, আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল,মুক্তিযুদ্ধ অলিম্পিয়ার্ড ও পুরুস্কার বিতরন সহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সাবেক ডিআইজি ও সাব সেক্টর কমান্ডার মোঃ শফি উল্ল্যাহ।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭
৮ বার পঠিত হয়েছে

উলিপুরে আজ হাতিয়া গনহত্যা দিবস

আপডেট এর সময় : ০৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭

মো রাজিব তালুকদার (০১৭৭৫৪০৩২৬৪) :আজ ১৩ নভেম্বর হাতিয়া গনহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার আল বদরের সহযোগিতায় ”মুক্তাঞ্চল” হাতিয়া ও বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামের ৭ শত নারী পুরুষ ও শিশুদের দাগারকুঠি বধ্যভুমিতে জড়ো করে পাখির মত গুলি করে ও বেনেট দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে হত্যা করে। ধর্ষন করে শত শত নারীকে। ফিরে যাওয়ার সময় জ¦ালিয়ে দেয় গ্রামের পর গ্রাম।
ওই দিন পাক হানাদার বাহিনীর নির্যাতন ও নৃশংসতা প্রতিরোধ করতে গিয়ে শহীদ হন মুক্তিযোদ্ধা গোলজার হোসেন, নওয়াব আলী,আবুল কাশেম কাচুঁ,দেলওয়ার হোসেন,আবু বক্কর সিদ্দিক ও হিতেন্দ্র নাথ নামের ৬ মুক্তিযোদ্ধা।
সে দিন হানাদার বাহিনীর গুলিবিদ্ধ হয়ে বেচেঁ যাওয়া অনন্তপুর গ্রামের শহীদ পরিবারের বাবর আলী (৮৯) জানান,সেদিন ছিল ১৩ নভেম্বর, ২৩ রমজান। শেষ রাতের সেহেরীর ভাত খেয়ে মানুষ ঘুমিয়ে পড়ে। সেই ঘুমন্ত মানুষের উপর হানাদার বাহিনী বরবর হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে ৭ শত মানুষ হত্যা করে। দেশ স্বাধীন হয়েছে ৪৭ বছর। কিন্তু শহীদদের স্বরনে একটি সৃস্তিস্তম্ভ নির্মান করা হয়েছে মাত্র। কিন্তু শহীদদের তালিকা ও শহীদ পরিবারের সহায়তা বা স্বীকৃতি দেয়া হয় নাই। এ সমস্থ শহীদ পরিবারের অনেকে ভিক্ষাবৃত্তি করে দিন যাপন করছে। তাছাড়া রংপুর বিভাগের বদ্ধভুমির তালিকায় হাতিয়া দাগারকুঠি বদ্ধভুমির নাম না থাকায় ক্ষোভ ও ঘৃনা প্রকাশ করেন।
হাতিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বি এম আবুল হোসেন জানান,শহীদ পরিবারের তালিকা প্রনয়ন সহ তাদের স্বীকৃতি দাবী করেন বলেন এ পরিবার গুলোকে পুর্নবাসন করা প্রয়োজন।
এদিকে দিনটি পালনে দি বেষ্ট সামাজিক সংগঠন ও সু-শাসনের জন্য নাগরিক,সুজন উলিপুর শাখা সৃস্তিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পন,র‌্যালী, আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল,মুক্তিযুদ্ধ অলিম্পিয়ার্ড ও পুরুস্কার বিতরন সহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সাবেক ডিআইজি ও সাব সেক্টর কমান্ডার মোঃ শফি উল্ল্যাহ।