ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা

এবার চীনের সাথে বাণিজ্যযুদ্ধে নামলো ভারত

প্রতিনিধির নাম :

চীনের ফ্রিজ, এসি সহ ১৯টি পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত।এর ফলে পাল্টা হুমকি দিয়েছে চীন।এর মাশুল দিতে হতে পারে ভারতকে৷ চিনের মুখপাত্র গ্লোবাল টাইমসকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় এই মত প্রকাশ করেছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা৷ তাদের মতে, ভারতের এই সিদ্ধান্তের জেরে সমস্যায় পড়বে চিনা ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলি৷ কারণ এই দুই দেশের অন্যতম প্রধান রফতানিকারক দেশ ভারত৷

গত ২৭ সেপ্টেম্বর, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক বিজ্ঞপ্তি জারি করে ১৯টি পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়ানোর কথা ঘোষণা করে৷ সেই তালিকায় এসি, ফ্রিজ, ওয়াসিং মেশিন, স্পিকার, জুতো, জেট ফুয়েল সহ ১৯টি পণ্য রয়েছে৷ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং ডলারের তুলনায় রুপির দরের সর্ব্বোচ পতনের জেরে আমদানি খরচ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতের৷ সেই খরচ কমাতে আমদানি শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার৷

স্বভাবতই এই সিদ্ধান্তে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে চিন ও দক্ষিণ কোরিয় কোম্পানিগুলির৷ সেই চিন্তার কথা ফুটে উঠেছে বাণিজ্য মন্ত্রকের ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডেপুটি ডিরেক্টর বাই মাং এর গলায়৷ গ্লোবাল টাইমসকে তিনি জানান, এই সিদ্ধান্তের জেরে চিনা ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলিতে প্রভাব পড়বে৷ কারণ ভারতে এই ১৯টি পণ্যের সিংহভাগ এই দুই দেশ থেকে আসে৷

চিনের অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ, ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের পিছনে কাজ করেছে দুটি কারণ৷ প্রথমত, কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ডেফিসিট কমানো৷ অর্থাৎ রফতানির চেয়ে আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়া৷ দ্বিতীয়ত, প্রতিযোগিতার বাজারে বিদেশি কোম্পানির আগ্রাসন থেকে দেশীয় কোম্পানিগুলিকে সুরক্ষিত করতে সরকারের এই সিদ্ধান্ত৷ তাদের মতে, মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্ত মুক্ত অর্থনীতি ও বাণিজ্যের পরিপন্থী৷ এতে বিদেশি কোম্পানিগুলি সমস্যায় পড়বে৷ শুধু কোম্পানি সমস্যায় পড়বেনা, ক্রেতারাও৷ তাদেরও বেশি দাম দিয়ে সেই পণ্য কিনতে হবে৷

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮
১১ বার পঠিত হয়েছে

এবার চীনের সাথে বাণিজ্যযুদ্ধে নামলো ভারত

আপডেট এর সময় : ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮

চীনের ফ্রিজ, এসি সহ ১৯টি পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত।এর ফলে পাল্টা হুমকি দিয়েছে চীন।এর মাশুল দিতে হতে পারে ভারতকে৷ চিনের মুখপাত্র গ্লোবাল টাইমসকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় এই মত প্রকাশ করেছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা৷ তাদের মতে, ভারতের এই সিদ্ধান্তের জেরে সমস্যায় পড়বে চিনা ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলি৷ কারণ এই দুই দেশের অন্যতম প্রধান রফতানিকারক দেশ ভারত৷

গত ২৭ সেপ্টেম্বর, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক বিজ্ঞপ্তি জারি করে ১৯টি পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়ানোর কথা ঘোষণা করে৷ সেই তালিকায় এসি, ফ্রিজ, ওয়াসিং মেশিন, স্পিকার, জুতো, জেট ফুয়েল সহ ১৯টি পণ্য রয়েছে৷ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং ডলারের তুলনায় রুপির দরের সর্ব্বোচ পতনের জেরে আমদানি খরচ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতের৷ সেই খরচ কমাতে আমদানি শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার৷

স্বভাবতই এই সিদ্ধান্তে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে চিন ও দক্ষিণ কোরিয় কোম্পানিগুলির৷ সেই চিন্তার কথা ফুটে উঠেছে বাণিজ্য মন্ত্রকের ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডেপুটি ডিরেক্টর বাই মাং এর গলায়৷ গ্লোবাল টাইমসকে তিনি জানান, এই সিদ্ধান্তের জেরে চিনা ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলিতে প্রভাব পড়বে৷ কারণ ভারতে এই ১৯টি পণ্যের সিংহভাগ এই দুই দেশ থেকে আসে৷

চিনের অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ, ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের পিছনে কাজ করেছে দুটি কারণ৷ প্রথমত, কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ডেফিসিট কমানো৷ অর্থাৎ রফতানির চেয়ে আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়া৷ দ্বিতীয়ত, প্রতিযোগিতার বাজারে বিদেশি কোম্পানির আগ্রাসন থেকে দেশীয় কোম্পানিগুলিকে সুরক্ষিত করতে সরকারের এই সিদ্ধান্ত৷ তাদের মতে, মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্ত মুক্ত অর্থনীতি ও বাণিজ্যের পরিপন্থী৷ এতে বিদেশি কোম্পানিগুলি সমস্যায় পড়বে৷ শুধু কোম্পানি সমস্যায় পড়বেনা, ক্রেতারাও৷ তাদেরও বেশি দাম দিয়ে সেই পণ্য কিনতে হবে৷