ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে সরকার Logo কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া Logo ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত বাংলাদেশ Logo জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য Logo বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করবে ফ্রান্স Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি : মির্জা ফখরুল Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ Logo চট্টগ্রামে ভারতীয় পণ্য জব্দ, গ্রেফতার ২ Logo ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভেনেজুয়েলাকে ১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে চীন

কুয়াকাটা ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী গুম! ঘরে মিলল রক্তমাখা ছুরি ও দুই টুকরো মাংস

প্রতিনিধির নাম :

 

মহিপুর প্রতিনিধি: মহিপুর ৬ষ্ঠ শ্রেনির ছাত্রী ধর্ষন শেষে হত্যার পর এবার কুয়াকাটা খানাবাদ কলেজ সংলগ্ন বাড়িতে ৯ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে হত্যার পর লাশ গুমের ঘটনা ঘটেছে বলে সন্দেহ এলাকাবসীর। ছাত্রীর শোয়ার ঘরে রক্ত মাখা দুটি ছুরি ও তার ব্যবহৃত পায়ের নুপুর এবং দুই টুকরো মাংস ছাড়া জীবিত বা মৃত ওই ছাত্রীর কোন হদিস বের করতে পারছে না কেউ।ঘরের বেড়াসহ বিভিন্ন স্থানে রক্তে ভেসে গেলেও প্রকৃত ঘটনা কি হয়েছে পরিবারের কারও জানা নেই। এমন লোমহর্ষক ও রহস্যজনক ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার ভোর রাতের দিকে। মহিপুর থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে মৃতঃ বাবুল মল্লিকের স্ত্রী নুরজাহান (৪০) তার দুই সন্তান শিশু পুত্র হামিম (৩) ও মেয়ে মহিপুর হাই স্কুলের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী মরিয়ম (১৫) এক খাটে ঘুমায় । ঘরের দোতলায় নুর জাহানের বড় মেয়ে রেশমা (১৯) তার স্বামী মাইনুলকে নিয়ে ছিলো। রাত তিনটার দিকে রেশমা প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে বাইরে নেমে ঘরে ওঠার সময়ও বোন মরিয়মের সাথে কথা বলেছেন। এর পর সকালে মা নুরজাহান বেগমের ডাকচিৎকারে ঘরের সবার ঘুম ভাঙ্গে মরিয়মকে না পাওয়া এবং ঘরের বিভিন্ন জায়গা রক্ত দেখে। মহিপুর থানা পুলিশ খবর পেয়ে বুধবার সকাল সাড়ে ৫টায় ঘটনাস্থলে পৌছায়। থানার ভারপ্রাপ্ত পরিদর্শক (তদন্ত) কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, রক্ত মাখা দুটি ছুরি ও মরিয়মের ব্যবহৃত পায়ের নুপুর এবং দুই টুকরো মাংস ঘরের মেজেতে পাওয়া গেছে। জীবিত বা মৃতঃ কোনভাবেই মেয়েটার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। ঘরের বেড়াসহ বিভিন্ন স্থানে রক্তে ভেসে গেলেও পরিবারের কেউ টের না পাওয়ার বিষয়টিও রহশ্যজনক। তবে রক্ত দেখে মনে হচ্ছে হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা অনুসন্ধান করার চেষ্টা চলছে। স্থানীয় লোকজনদের মতে, মরিয়মকে দুবৃত্তরা হত্যা করে লাশ গুম করেছে। তাদের মতে রেশমা রাতে ঘরের দরজা খুলে বাইরে আসার সুযোগে দুবৃত্তরা ঘরে ঢুকে লুকিয়ে ছিল। এরপর সুযোগ বুঝে তাদেও মিশন সম্পন্œ করেছে। সব মিলিয়ে স্থানীয়দেও মনে নতুন করে আতস্ক দেখা দিয়েছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮
১১ বার পঠিত হয়েছে

কুয়াকাটা ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী গুম! ঘরে মিলল রক্তমাখা ছুরি ও দুই টুকরো মাংস

আপডেট এর সময় : ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

 

মহিপুর প্রতিনিধি: মহিপুর ৬ষ্ঠ শ্রেনির ছাত্রী ধর্ষন শেষে হত্যার পর এবার কুয়াকাটা খানাবাদ কলেজ সংলগ্ন বাড়িতে ৯ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে হত্যার পর লাশ গুমের ঘটনা ঘটেছে বলে সন্দেহ এলাকাবসীর। ছাত্রীর শোয়ার ঘরে রক্ত মাখা দুটি ছুরি ও তার ব্যবহৃত পায়ের নুপুর এবং দুই টুকরো মাংস ছাড়া জীবিত বা মৃত ওই ছাত্রীর কোন হদিস বের করতে পারছে না কেউ।ঘরের বেড়াসহ বিভিন্ন স্থানে রক্তে ভেসে গেলেও প্রকৃত ঘটনা কি হয়েছে পরিবারের কারও জানা নেই। এমন লোমহর্ষক ও রহস্যজনক ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার ভোর রাতের দিকে। মহিপুর থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে মৃতঃ বাবুল মল্লিকের স্ত্রী নুরজাহান (৪০) তার দুই সন্তান শিশু পুত্র হামিম (৩) ও মেয়ে মহিপুর হাই স্কুলের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী মরিয়ম (১৫) এক খাটে ঘুমায় । ঘরের দোতলায় নুর জাহানের বড় মেয়ে রেশমা (১৯) তার স্বামী মাইনুলকে নিয়ে ছিলো। রাত তিনটার দিকে রেশমা প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে বাইরে নেমে ঘরে ওঠার সময়ও বোন মরিয়মের সাথে কথা বলেছেন। এর পর সকালে মা নুরজাহান বেগমের ডাকচিৎকারে ঘরের সবার ঘুম ভাঙ্গে মরিয়মকে না পাওয়া এবং ঘরের বিভিন্ন জায়গা রক্ত দেখে। মহিপুর থানা পুলিশ খবর পেয়ে বুধবার সকাল সাড়ে ৫টায় ঘটনাস্থলে পৌছায়। থানার ভারপ্রাপ্ত পরিদর্শক (তদন্ত) কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, রক্ত মাখা দুটি ছুরি ও মরিয়মের ব্যবহৃত পায়ের নুপুর এবং দুই টুকরো মাংস ঘরের মেজেতে পাওয়া গেছে। জীবিত বা মৃতঃ কোনভাবেই মেয়েটার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। ঘরের বেড়াসহ বিভিন্ন স্থানে রক্তে ভেসে গেলেও পরিবারের কেউ টের না পাওয়ার বিষয়টিও রহশ্যজনক। তবে রক্ত দেখে মনে হচ্ছে হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা অনুসন্ধান করার চেষ্টা চলছে। স্থানীয় লোকজনদের মতে, মরিয়মকে দুবৃত্তরা হত্যা করে লাশ গুম করেছে। তাদের মতে রেশমা রাতে ঘরের দরজা খুলে বাইরে আসার সুযোগে দুবৃত্তরা ঘরে ঢুকে লুকিয়ে ছিল। এরপর সুযোগ বুঝে তাদেও মিশন সম্পন্œ করেছে। সব মিলিয়ে স্থানীয়দেও মনে নতুন করে আতস্ক দেখা দিয়েছে।