ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন Logo এআইয়ের নাম পাল্টে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা এসআই রাখছেন ট্রাম্প Logo বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় Logo মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা

কূটনৈতিক মিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরানোর নির্দেশ

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক: বিদেশে বাংলাদেশের সব কূটনৈতিক মিশন, কনস্যুলেট, কূটনীতিকদের অফিস ও বাসভবন থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি সরানোর নির্দেশ দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শুক্রবার (১৫ আগস্ট), তবে তা পাঠানো হয়নি কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি বা ই-মেইলের মাধ্যমে। টেলিফোন কলে অঞ্চলভিত্তিক কয়েকজন রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সরকারের এই সিদ্ধান্ত।

বিভিন্ন মিশন সূত্র জানায়, নির্দেশনার বিষয়টি দায়িত্বপ্রাপ্ত দূতদের অন্য মিশনে জানিয়ে দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ছবি অপসারণের বিষয়টি তদারকি করার দায়িত্বও তাদের ওপর বর্তেছে।

তবে দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের একাধিক মিশনের কূটনীতিকরা জানিয়েছেন, তারা এখনো সরাসরি এ ধরনের নির্দেশনা পাননি। যদিও বিদেশে অন্তত দুটি মিশনের প্রধান নিশ্চিত করেছেন, তারা সরকারের কাছ থেকে এমন নির্দেশ পেয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক জানান, “ঢাকা থেকে ফোনে আমাদের বলা হয়েছে রাষ্ট্রপতির ছবি সরাতে হবে। লিখিত কোনো চিঠি বা ই-মেইল আসেনি। আমাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিষয়টি অন্য মিশনে জানানো এবং বাস্তবায়ন তদারকি করার।”

আরেকজন কূটনীতিক বলেন, “আমাদের অঞ্চলে দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত সরাসরি জানাননি। কাছাকাছি একটি মিশনের মাধ্যমে বার্তাটি আমাদের কাছে পৌঁছেছে।”

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই নির্দেশ মূলত অঞ্চলভিত্তিক কয়েকজন রাষ্ট্রদূতকে দেওয়া হয়েছে। এরপর তারা পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট মিশনগুলোতে খবর পৌঁছে দিচ্ছেন।

যদিও এখনো সব কূটনৈতিক মিশনে নির্দেশনা পৌঁছায়নি, তবে সরকারের এই পদক্ষেপ নিয়ে কূটনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। বিশেষ করে আনুষ্ঠানিক চিঠি বা ই-মেইলের বদলে টেলিফোনে এমন গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা পৌঁছে দেওয়াকে অস্বাভাবিক হিসেবে দেখছেন অনেকেই।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
১৪ বার পঠিত হয়েছে

কূটনৈতিক মিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরানোর নির্দেশ

আপডেট এর সময় : ০৮:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক: বিদেশে বাংলাদেশের সব কূটনৈতিক মিশন, কনস্যুলেট, কূটনীতিকদের অফিস ও বাসভবন থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি সরানোর নির্দেশ দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শুক্রবার (১৫ আগস্ট), তবে তা পাঠানো হয়নি কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি বা ই-মেইলের মাধ্যমে। টেলিফোন কলে অঞ্চলভিত্তিক কয়েকজন রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সরকারের এই সিদ্ধান্ত।

বিভিন্ন মিশন সূত্র জানায়, নির্দেশনার বিষয়টি দায়িত্বপ্রাপ্ত দূতদের অন্য মিশনে জানিয়ে দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ছবি অপসারণের বিষয়টি তদারকি করার দায়িত্বও তাদের ওপর বর্তেছে।

তবে দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের একাধিক মিশনের কূটনীতিকরা জানিয়েছেন, তারা এখনো সরাসরি এ ধরনের নির্দেশনা পাননি। যদিও বিদেশে অন্তত দুটি মিশনের প্রধান নিশ্চিত করেছেন, তারা সরকারের কাছ থেকে এমন নির্দেশ পেয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক জানান, “ঢাকা থেকে ফোনে আমাদের বলা হয়েছে রাষ্ট্রপতির ছবি সরাতে হবে। লিখিত কোনো চিঠি বা ই-মেইল আসেনি। আমাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিষয়টি অন্য মিশনে জানানো এবং বাস্তবায়ন তদারকি করার।”

আরেকজন কূটনীতিক বলেন, “আমাদের অঞ্চলে দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত সরাসরি জানাননি। কাছাকাছি একটি মিশনের মাধ্যমে বার্তাটি আমাদের কাছে পৌঁছেছে।”

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই নির্দেশ মূলত অঞ্চলভিত্তিক কয়েকজন রাষ্ট্রদূতকে দেওয়া হয়েছে। এরপর তারা পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট মিশনগুলোতে খবর পৌঁছে দিচ্ছেন।

যদিও এখনো সব কূটনৈতিক মিশনে নির্দেশনা পৌঁছায়নি, তবে সরকারের এই পদক্ষেপ নিয়ে কূটনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। বিশেষ করে আনুষ্ঠানিক চিঠি বা ই-মেইলের বদলে টেলিফোনে এমন গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা পৌঁছে দেওয়াকে অস্বাভাবিক হিসেবে দেখছেন অনেকেই।