ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo পাকিস্তান দলে যোগ দিচ্ছেন শফিক ও শাকিল Logo স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী Logo হরমুজ প্রণালীতে ৬টি জাহাজ থামিয়ে দিল ইরান Logo যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল Logo ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ’ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী Logo সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী Logo গোমেজের চোটে দুশ্চিন্তায় লিভারপুলের নতুন কোচ ইরাওলা Logo অধিকৃত পশ্চিম তীরে ২ মসজিদে আগুন দেওয়ার অভিযোগ Logo জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন Logo চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

খালাফ হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির রিভিউ আবেদনের রায় রোববার

প্রতিনিধির নাম :

ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তা খালাফ আল আলী হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির করা আবেদনের ওপর আদেশ আগামী রোববার।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ আসামি সাইফুল ইসলামের করা ওই আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আদালতে সাইফুলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কাজী আখতার হামিদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেলে মাহবুবে আলম।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৫ মার্চ রাত একটায় গুলশানের কূটনীতিক এলাকায় নিজ বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন খালাফ আল আলী। ৬ মার্চ ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ওই সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তার।

এ ঘটনায় ৭ মার্চ গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোশারফ হোসেন হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর রায় দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪। রায়ে মামলার পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে সেলিম চৌধুরী মামলার শুরু থেকেই পলাতক ছিলেন। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে সাজাপ্রাপ্ত চার আসামি ওই বছরই হাইকোর্টে আপিল করেন।

২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর আসামিদের আপিলের শুনানি নিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে আসামিদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মৃতুদণ্ড বহাল রাখা হয়। এ ছাড়া আসামি আল আমীন, আকবর আলী লালু ও রফিকুল ইসলামের সাজা কমিয়ে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আর পলাতক সেলিম চৌধুরী খালাস পান। এরই ধারাবাহিকতায় ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

গত বছরের পহেলা নভেম্বর খালাফ আল আলী হত্যা মামলায় এক আসামির মৃত্যুদণ্ড, তিন আসামির যাবজ্জীবন ও এক আসামির খালাসের হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন চলতি বছর। ওই আবেদন নিয়ে শুনানি শেষ হয় বৃহস্পতিবার।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর ২০১৮
১৪ বার পঠিত হয়েছে

খালাফ হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির রিভিউ আবেদনের রায় রোববার

আপডেট এর সময় : ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর ২০১৮

ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তা খালাফ আল আলী হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির করা আবেদনের ওপর আদেশ আগামী রোববার।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ আসামি সাইফুল ইসলামের করা ওই আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আদালতে সাইফুলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কাজী আখতার হামিদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেলে মাহবুবে আলম।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৫ মার্চ রাত একটায় গুলশানের কূটনীতিক এলাকায় নিজ বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন খালাফ আল আলী। ৬ মার্চ ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ওই সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তার।

এ ঘটনায় ৭ মার্চ গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোশারফ হোসেন হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর রায় দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪। রায়ে মামলার পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে সেলিম চৌধুরী মামলার শুরু থেকেই পলাতক ছিলেন। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে সাজাপ্রাপ্ত চার আসামি ওই বছরই হাইকোর্টে আপিল করেন।

২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর আসামিদের আপিলের শুনানি নিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে আসামিদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মৃতুদণ্ড বহাল রাখা হয়। এ ছাড়া আসামি আল আমীন, আকবর আলী লালু ও রফিকুল ইসলামের সাজা কমিয়ে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আর পলাতক সেলিম চৌধুরী খালাস পান। এরই ধারাবাহিকতায় ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

গত বছরের পহেলা নভেম্বর খালাফ আল আলী হত্যা মামলায় এক আসামির মৃত্যুদণ্ড, তিন আসামির যাবজ্জীবন ও এক আসামির খালাসের হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন চলতি বছর। ওই আবেদন নিয়ে শুনানি শেষ হয় বৃহস্পতিবার।