ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা’ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত Logo হজযাত্রীদের লাগেজ চুরির অভিযোগ ভিত্তিহীন: মিল্লাত Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফানের সাক্ষাৎ Logo ইরানের ড্রোন হামলায় কুয়েতের বিমানবন্দর সাময়িক বন্ধ ঘোষণা Logo নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে শিগগিরই দেশব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচি Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আস্থা পুনর্গঠন ও সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার খলিলুর রহমানের Logo ক্ষমতা গ্রহণের ৩ মাসেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : মির্জা ফখরুল Logo বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করেছে ইরাক Logo চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে রেকর্ড কনটেইনার হ্যান্ডলিং

খুলনায় স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশনে ৮৭টি উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন

প্রতিনিধির নাম :

খুলনা প্রতিনিধি: কারিগরি শিক্ষার্থীদের মেধা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী শক্তি বিকাশের লক্ষ্যে ‘স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন ২০২৫’- অনুষ্ঠিত হয়েছে।

খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে আজ খুলনা অঞ্চলের কারিগরি শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় খুলনা অঞ্চলের ২৯টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৬১ জন নির্বাচিত শিক্ষার্থী ৮৭টি উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে। এর মধ্য থেকে সেরা ৭টি উদ্ভাবন আগামী ২৭ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠেয় জাতীয় পর্বের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য মনোনীত হয়।

কারিগরি শিক্ষার্থীদের নতুন নতুন উদ্ভাবন ও আবিষ্কার সবার সামনে তুলে ধরার অনন্য এ প্রতিযোগিতাটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন এএসএসইটি প্রকল্প এ আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রকৌশলী আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী, পরিচালক (ভোকেশনাল) প্রকৌশলী মো. রেজাউল হক, পরিচালক (পিআইইউ) প্রকৌশলী মো. মাকসুদুর রহমান এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, খুলনার আঞ্চলিক পরিচালক (উপ-সচিব) মো. মিজানুর রহমান।

খুলনা জেলার জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মো. নুরুন্নবী মোল্লা।

এর আগে সকালে নগরীর শিববাড়ি মোড়ে ‘স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন’ উপলক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য রালি বের হয়। পরে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিষয়ক একটি সেমিনার এবং দিনশেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এবং দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত এ প্রতিযোগিতায় কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং খুলনা জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি বিভিন্ন কারিগরি, মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, শিল্পকারখানা, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং অভিভাবকসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন ২০২৫-এর প্রাতিষ্ঠানিক পর্ব গত ২৭ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী ২১১টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী ৩ হাজার ২০৯টি উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে এ পর্যায়ে ৩টি করে প্রকল্প আঞ্চলিক পর্বের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য বাছাই করা হয়।

এ প্রতিযোগিতাটির জাতীয় পর্ব আগামী ২৭ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ৮টি অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা থেকে নির্বাচিত মোট ৫০টি উদ্ভাবনী প্রকল্প এতে অংশগ্রহণ করবে। চূড়ান্ত পর্বে বিজয়ী তিনটি উদ্ভাবনী প্রকল্পের উদ্ভাবকদের প্রদান করা হবে আকর্ষণীয় পুরস্কার।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
৩ বার পঠিত হয়েছে

খুলনায় স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশনে ৮৭টি উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন

আপডেট এর সময় : ০৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

খুলনা প্রতিনিধি: কারিগরি শিক্ষার্থীদের মেধা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী শক্তি বিকাশের লক্ষ্যে ‘স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন ২০২৫’- অনুষ্ঠিত হয়েছে।

খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে আজ খুলনা অঞ্চলের কারিগরি শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় খুলনা অঞ্চলের ২৯টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৬১ জন নির্বাচিত শিক্ষার্থী ৮৭টি উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে। এর মধ্য থেকে সেরা ৭টি উদ্ভাবন আগামী ২৭ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠেয় জাতীয় পর্বের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য মনোনীত হয়।

কারিগরি শিক্ষার্থীদের নতুন নতুন উদ্ভাবন ও আবিষ্কার সবার সামনে তুলে ধরার অনন্য এ প্রতিযোগিতাটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন এএসএসইটি প্রকল্প এ আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রকৌশলী আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী, পরিচালক (ভোকেশনাল) প্রকৌশলী মো. রেজাউল হক, পরিচালক (পিআইইউ) প্রকৌশলী মো. মাকসুদুর রহমান এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, খুলনার আঞ্চলিক পরিচালক (উপ-সচিব) মো. মিজানুর রহমান।

খুলনা জেলার জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মো. নুরুন্নবী মোল্লা।

এর আগে সকালে নগরীর শিববাড়ি মোড়ে ‘স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন’ উপলক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য রালি বের হয়। পরে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিষয়ক একটি সেমিনার এবং দিনশেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এবং দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত এ প্রতিযোগিতায় কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং খুলনা জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি বিভিন্ন কারিগরি, মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, শিল্পকারখানা, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং অভিভাবকসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন ২০২৫-এর প্রাতিষ্ঠানিক পর্ব গত ২৭ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী ২১১টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী ৩ হাজার ২০৯টি উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে এ পর্যায়ে ৩টি করে প্রকল্প আঞ্চলিক পর্বের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য বাছাই করা হয়।

এ প্রতিযোগিতাটির জাতীয় পর্ব আগামী ২৭ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ৮টি অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা থেকে নির্বাচিত মোট ৫০টি উদ্ভাবনী প্রকল্প এতে অংশগ্রহণ করবে। চূড়ান্ত পর্বে বিজয়ী তিনটি উদ্ভাবনী প্রকল্পের উদ্ভাবকদের প্রদান করা হবে আকর্ষণীয় পুরস্কার।