1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admink
মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করলে হামলা চালানো হবে : হুঁশিয়ারি ইরানের ফিলিপাইনে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প : ইউএসজিএস এপ্রিল মাসে তুরস্কের বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে পৌঁছেছে ৩২.৩৭ শতাংশে রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদনে নতুন রেকর্ড ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি ভারতের লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ : সিআইআই উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও ধীরগতি আর সহ্য করা হবে না : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ওয়াশিংটন ডিসিতে বিনিয়োগ সম্মেলনে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ১ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ সমতায় শেষ করল বাংলাদেশ

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো সাবেক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের অবৈধ বাংলো

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও স্থানীয় প্রশাসন রাজধানী ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদীর তীর দখলমুক্ত করতে দুই দিনের উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে। প্রথম দিনে সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের অবৈধভাবে নির্মাণ করা একটি বাগানবাড়ি (বাংলো) গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কোন্ডা ইউনিয়নের কাউটাইল এলাকায় বুধবার সকালে এই অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে প্রায় দেড় একর জমি উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় বুড়িগঙ্গা নদীর তীর দখল করে নির্মিত বাগানবাড়ির তিনটি দোতলা ভবন ও একটি ডকইয়ার্ডের প্রায় ২০০ ফুট সীমানাপ্রাচীরও ভেঙে ফেলা হয়। এ উচ্ছেদ কার্যক্রম ছিল বিআইডব্লিউটিএ ও ঢাকা জেলা প্রশাসনের দুই দিনের বিশেষ কর্মসূচির অংশ, যা ২০ ও ২১ আগস্ট যৌথভাবে পরিচালিত হয়েছে।

পোস্তগোলা সেতু থেকে ধোপাতিয়া বা কাটুরাইল খেয়াঘাট পর্যন্ত নদীর তীর লক্ষ্য করে এ অভিযানের মাধ্যমে দখলদারদের অবৈধ স্থাপনা ও ভরাট জমি অপসারণ করা হয়।

বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুধু বুড়িগঙ্গা নয়, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ এবং বালু নদীতেও একযোগে অবৈধ দখলমুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। নদীর সীমানা পিলার স্থাপন, ভরাট জমি পুনরুদ্ধার এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ সব কিছুই একই প্রক্রিয়ার অংশ।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “ঢাকার চারপাশের বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও বালু নদের সীমানা নির্ধারণ করে ৮০ কিলোমিটার এলাকায় পিলার স্থাপন করেছে সরকার। ২০০৯ সালে এসব নদীতীরে অবৈধভাবে গড়ে তোলা স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়। গত বছরের ৫ আগস্টের পর নানা প্রতিকূলতার কারণে উচ্ছেদ অভিযান চালানো সম্ভব হয়নি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আজ উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়।”

বুড়িগঙ্গার স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। দখলদার যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যত শক্তিশালী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই হোক, নদীর জমি কেউ ব্যক্তিগতভাবে ভোগ করতে পারবে না বলেও জানান তিনি।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews