ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:

১ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার

অর্থনীতি ডেস্ক

দেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা মেটাতে মাজদা অয়েল কোং লিমিটেড থেকে ১ লাখ মেট্রিক টন ইএন৫৯০-১০ পিপিএম ডিজেল আমদানির একটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি)।

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত কমিটির ১৯তম সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বিবিধ আলোচ্য সূচি হিসেবে এই ক্রয় প্রস্তাবটি উত্থাপন করে।

এই আমদানিতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৭৫৭ কোটি ৯৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। পরিস্থিতির জরুরি অবস্থা বিবেচনা করে দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে কমিটি সরাসরি আন্তর্জাতিক ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে এই ডিজেল কেনার সুপারিশ করেছে।

ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে চলমান উত্তেজনার ফলে বিশ্ব ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠায় জ্বালানি বাজারে বিঘ্ন ঘটছে। এমন প্রেক্ষাপটেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববাজারের অস্থিরতার মধ্যেও দেশে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং অভ্যন্তরীণ জ্বালানি খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
১১ বার পঠিত হয়েছে

১ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার

আপডেট এর সময় : ০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

দেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা মেটাতে মাজদা অয়েল কোং লিমিটেড থেকে ১ লাখ মেট্রিক টন ইএন৫৯০-১০ পিপিএম ডিজেল আমদানির একটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি)।

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত কমিটির ১৯তম সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বিবিধ আলোচ্য সূচি হিসেবে এই ক্রয় প্রস্তাবটি উত্থাপন করে।

এই আমদানিতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৭৫৭ কোটি ৯৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। পরিস্থিতির জরুরি অবস্থা বিবেচনা করে দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে কমিটি সরাসরি আন্তর্জাতিক ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে এই ডিজেল কেনার সুপারিশ করেছে।

ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে চলমান উত্তেজনার ফলে বিশ্ব ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠায় জ্বালানি বাজারে বিঘ্ন ঘটছে। এমন প্রেক্ষাপটেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববাজারের অস্থিরতার মধ্যেও দেশে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং অভ্যন্তরীণ জ্বালানি খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই সরকারের মূল লক্ষ্য।