ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা Logo চিলিতে ভারী বৃষ্টিতে ১০ জনের মৃত্যু, জরুরি অবস্থা ঘোষণা Logo সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা Logo ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের Logo আগামী এক বছরে ২০ লাখ মামলা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে: আইনমন্ত্রী Logo মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের উত্তেজনায় এক মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে তেলের দাম Logo আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন Logo হাতিমারা-ছনবাড়ী সড়ক প্রশস্তকরণে ১৩৫৯ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ

জমিতে কীটনাশক ছিটিয়ে ২০ কৃষকের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম :

ঢাকা: জমিতে কীটনাশক ছিটানোর পর বিষক্রিয়ায় ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে অন্তত ২০ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও, আরো ছয় শতাধিক কৃষক বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। কীটনাশক ছিটানোর সময় সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় তাদের এমন পরিণতি হয়েছে বলে দাবি রাজ্য সরকারের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, কীটনাশকগুলোর মধ্যে কিছু প্রাণঘাতী মিশ্রণ ছিল। আগস্টের প্রথমদিকে প্রথম একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। তারপর থেকে এ পর্যন্ত ছয়শ’রও বেশি কৃষক কীটনাশকজনিত বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।

আক্রান্তদের অধিকাংশই ঝাপসা দৃষ্টি, বমি বমি ভাব, চামড়ায় ফুসকুড়ি, মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরার লক্ষণে ভুগছেন। শতাধিক কৃষক এখনো ইয়াভাতমাল জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের কেউ কেউ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন আর অন্যরা সংকটজনক অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন।

কৃষি সংক্রান্ত সংকটে ইতিমধ্যেই ইয়াভাতমাল জেলায় বহু কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। তারপর কীটনাশকের বিষক্রিয়ার এ ঘটনাটি জেলার কৃষি খাতের জন্য বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখা দিয়েছে।

মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ অঞ্চলের কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত অধিকাংশ কৃষকই কীটনাশক ছিটানোর সময় সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এসব ঘটনার জন্য নতুন স্প্রে মেশিন ও কেন্দ্রীয় কীটনাশক ওষুধ বোর্ডের অবহেলাকে দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা। শুক্রবার বোম্বে হাইকোর্টের নাগপুর বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কীটনাশক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ‘ক্রিমিনাল অ্যাকশন’ নেয়ার আর্জি জানিয়ে করা এক পিটিশনের জবাবে নোটিশ জারি করেছে।

সময়মতো পদক্ষেপ নিতে না পারার ব্যর্থতা স্বীকার করেছে রাজ্য সরকার। জেলা প্রশাসনগুলো যথাসময়ে রাজ্য সরকারকে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত না করাতেই এ বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি রাজ্য সরকারের কৃষিমন্ত্রীর।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০১৭
৩২ বার পঠিত হয়েছে

জমিতে কীটনাশক ছিটিয়ে ২০ কৃষকের মৃত্যু

আপডেট এর সময় : ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০১৭

ঢাকা: জমিতে কীটনাশক ছিটানোর পর বিষক্রিয়ায় ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে অন্তত ২০ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও, আরো ছয় শতাধিক কৃষক বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। কীটনাশক ছিটানোর সময় সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় তাদের এমন পরিণতি হয়েছে বলে দাবি রাজ্য সরকারের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, কীটনাশকগুলোর মধ্যে কিছু প্রাণঘাতী মিশ্রণ ছিল। আগস্টের প্রথমদিকে প্রথম একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। তারপর থেকে এ পর্যন্ত ছয়শ’রও বেশি কৃষক কীটনাশকজনিত বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।

আক্রান্তদের অধিকাংশই ঝাপসা দৃষ্টি, বমি বমি ভাব, চামড়ায় ফুসকুড়ি, মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরার লক্ষণে ভুগছেন। শতাধিক কৃষক এখনো ইয়াভাতমাল জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের কেউ কেউ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন আর অন্যরা সংকটজনক অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন।

কৃষি সংক্রান্ত সংকটে ইতিমধ্যেই ইয়াভাতমাল জেলায় বহু কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। তারপর কীটনাশকের বিষক্রিয়ার এ ঘটনাটি জেলার কৃষি খাতের জন্য বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখা দিয়েছে।

মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ অঞ্চলের কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত অধিকাংশ কৃষকই কীটনাশক ছিটানোর সময় সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এসব ঘটনার জন্য নতুন স্প্রে মেশিন ও কেন্দ্রীয় কীটনাশক ওষুধ বোর্ডের অবহেলাকে দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা। শুক্রবার বোম্বে হাইকোর্টের নাগপুর বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কীটনাশক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ‘ক্রিমিনাল অ্যাকশন’ নেয়ার আর্জি জানিয়ে করা এক পিটিশনের জবাবে নোটিশ জারি করেছে।

সময়মতো পদক্ষেপ নিতে না পারার ব্যর্থতা স্বীকার করেছে রাজ্য সরকার। জেলা প্রশাসনগুলো যথাসময়ে রাজ্য সরকারকে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত না করাতেই এ বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি রাজ্য সরকারের কৃষিমন্ত্রীর।