ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ : হুমায়ুন কবির Logo হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেবে সরকার : ড. তিতুমীর Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া Logo সাতক্ষীরার কুড়িকাহুনিয়ায় বেড়িবাঁধে ভাঙন; স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার কাজ শুরু Logo ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের পর বেঁচে যাওয়া মানুষের সংগ্রাম Logo ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল Logo স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান

টাঙ্গাইল এডুকেশন ফ্যামেলী স্কুলের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রকে মেরে চোখ রক্তাক্ত করলো শিক্ষিকা রুনা

প্রতিনিধির নাম :

বৃন্দাবন মল্লিক : শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড এই কথাটি আমাদের সকলেরই জানা। যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সে জাতি তত বেশি উন্নত। কথায় আছে যদি কোন জাতি ও দেশকে ধ্বংশ করতে চাও তবে তার শিক্ষার মেরুদন্ড ভেঙ্গে দাও। শিক্ষা নিয়েই বাণিজ্য হচ্ছে। শিক্ষা নিয়েই হচ্ছে দুর্নীতি। শিক্ষার নিয়োগ নিয়ে দুর্ণীতি হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বানানোর নামে দুর্ণীতি হচ্ছে। কতিপয় শিক্ষক নামে বেনামে ভাউচার করে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। এরকম দৃষ্টান্ত শত। গাজীপুর জেলার গাছা থানাধীন বোর্ডবাজার এলাকাস্থ টাঙ্গাইল এডুকেশন ফ্যামেলী স্কুলে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন অনিয়ম ও ছাত্র-ছাত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। গতকাল স্কুল চলাকালিন সময়ে ৪র্থ শ্রেণীর পার্শ্ববর্তী একজন ছাত্র দুস্টামী করছিল। এই দুস্টামীর পরিপ্রেক্ষিতে ক্লাশের শিক্ষিকা রুনা ঐ ছাত্রকে স্কেল দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। শিক্ষিকা রুনার পিটানোগুলো এলোমেলো থাকার কারণে ঐ পিটানির একপর্যায়ে পাশে বসা ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র শুভ’র চোখে। এতে শুভ’র চোখ কেটে রক্ত বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে শুভ’র বাবা-মাকে খবর না দিয়ে ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকরা শুভকে হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে ব্যান্ডেজ করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে গাঁ ঢাকা দেয় প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকরা। এ বিষয়ে ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষককে একাধিকবার ফোন করলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। অন্য একজন হুজুর স্যারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে। এ বিষয়ে ছাত্র শুভ’র মা ও এলাকাবাসী গাছা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। গাছা থানার ডিউটি অফিসার শুভকে গাজীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তির করা পরামর্শ দিয়েছেন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯
১৪ বার পঠিত হয়েছে

টাঙ্গাইল এডুকেশন ফ্যামেলী স্কুলের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রকে মেরে চোখ রক্তাক্ত করলো শিক্ষিকা রুনা

আপডেট এর সময় : ০১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯

বৃন্দাবন মল্লিক : শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড এই কথাটি আমাদের সকলেরই জানা। যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সে জাতি তত বেশি উন্নত। কথায় আছে যদি কোন জাতি ও দেশকে ধ্বংশ করতে চাও তবে তার শিক্ষার মেরুদন্ড ভেঙ্গে দাও। শিক্ষা নিয়েই বাণিজ্য হচ্ছে। শিক্ষা নিয়েই হচ্ছে দুর্নীতি। শিক্ষার নিয়োগ নিয়ে দুর্ণীতি হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বানানোর নামে দুর্ণীতি হচ্ছে। কতিপয় শিক্ষক নামে বেনামে ভাউচার করে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। এরকম দৃষ্টান্ত শত। গাজীপুর জেলার গাছা থানাধীন বোর্ডবাজার এলাকাস্থ টাঙ্গাইল এডুকেশন ফ্যামেলী স্কুলে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন অনিয়ম ও ছাত্র-ছাত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। গতকাল স্কুল চলাকালিন সময়ে ৪র্থ শ্রেণীর পার্শ্ববর্তী একজন ছাত্র দুস্টামী করছিল। এই দুস্টামীর পরিপ্রেক্ষিতে ক্লাশের শিক্ষিকা রুনা ঐ ছাত্রকে স্কেল দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। শিক্ষিকা রুনার পিটানোগুলো এলোমেলো থাকার কারণে ঐ পিটানির একপর্যায়ে পাশে বসা ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র শুভ’র চোখে। এতে শুভ’র চোখ কেটে রক্ত বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে শুভ’র বাবা-মাকে খবর না দিয়ে ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকরা শুভকে হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে ব্যান্ডেজ করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে গাঁ ঢাকা দেয় প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকরা। এ বিষয়ে ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষককে একাধিকবার ফোন করলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। অন্য একজন হুজুর স্যারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে। এ বিষয়ে ছাত্র শুভ’র মা ও এলাকাবাসী গাছা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। গাছা থানার ডিউটি অফিসার শুভকে গাজীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তির করা পরামর্শ দিয়েছেন।